এমএইচ৩৭০ খোঁজার কাজ যতদূর এগলো | বিশ্ব | DW | 08.03.2016
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

এমএইচ৩৭০ খোঁজার কাজ যতদূর এগলো

মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের এমএইচ৩৭০ ফ্লাইট নিখোঁজের দুই বছর আজ৷ তদন্তকারীরা বলছেন হারিয়ে যাওয়ার কারণ এখনও রহস্যে ঘেরা৷

২০১৪ সালের ৮ মার্চ কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিং যাওয়ার পথে ফ্লাইটটি নিখোঁজ হয়৷ সেই সময় বিমানে ২৩৯ জন যাত্রী ও কেবিন ক্রু ছিলেন৷ এদের বেশিরভাগই চীন ও মালয়েশিয়ার নাগরিক৷

মালয়েশিয়ার নেতৃত্বে একটি আন্তর্জাতিক দল বিমানটি হারিয়ে যাওয়ার কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন৷ নিখোঁজের দুই বছর পূর্তিতে দেয়া ছোট্ট এক বিবৃতিতে তদন্ত দল আশার কোনো বাণী শোনাতে পারেনি৷ ‘‘এমএইচ৩৭০-এর খোঁজে দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে যে তল্লাশি চলছে সেখান থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পাওয়া যায়নি'', বিবৃতিতে জানিয়েছে দলটি৷

তদন্ত দল যে তল্লাশি অভিযানের কথা বলছে সেটি পরিচালনা করছে অস্ট্রেলিয়ার নেতৃত্বে একটি আন্তর্জাতিক দল৷ স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তারা বিমানটি খোঁজার জন্য একটি সীমানা নির্ধারণ করেছেন – যার আয়তন বেলজিয়ামের প্রায় চারগুণ৷

এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকায় তল্লাশি চালাতে সক্ষম হয়েছে দলটি৷ তবে কিছু পাওয়া যায়নি৷ বাকি এলাকায় অভিযান চালাতে চলতি বছর লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক৷

এদিকে, তল্লাশি এলাকায় কিছু পাওয়া না গেলেও গত জুলাই মাসে ঐ অঞ্চল থেকে কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরে রিইউনিয়ন দ্বীপে একটি বিমানের পাখার অংশ পাওয়া যায়৷ পরে সেটি হারিয়ে যাওয়া এমএইচ৩৭০ ফ্লাইটের বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে৷ ক'দিন আগে মোজাম্বিকে আরও একটি বিমানের অংশ পাওয়া গেছে৷ সেটিও এমএইচ৩৭০ ফ্লাইটের বলে ধারণা করা হচ্ছে৷ তবে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি৷

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানান, তল্লাশি অভিযান শেষেও যদি কিছু না পাওয়া যায় তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে৷ অবশ্য তিনি এর মধ্যেই কিছু পাওয়ার চেষ্টা করছেন৷ অস্ট্রেলিয়ার পরিবহণমন্ত্রীও এমন আশার কথা জানিয়েছেন৷

নিখোঁজ বিমানের ডাটা রেকর্ডার উদ্ধারের কাজও শুরু হবে৷ এ জন্য পানির নীচে প্রায় চার কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে হতে পারে৷ এর আগে ২০০৯ সালে এয়ার ফ্রান্সের একটি বিমান অ্যাটলান্টিক মহাসাগরে দুর্ঘটনায় পড়লে তারও রেকর্ডার উদ্ধার করা হয়েছিল সাগরের প্রায় চার কিলোমিটার নীচ থেকে৷

এদিকে, এমএইচ৩৭০ খুঁজে না পাওয়ায় যাত্রীদের অনেক আত্মীয় মালয়েশিয়ান এয়ারলাইস ও বিমান প্রস্তুতকারকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন৷ বিভিন্ন দেশে এসব মামলা হয়েছে৷ অনেকে অবশ্য অন্যভাবেও বিষয়টির নিষ্পত্তি করেছেন৷

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি, রয়টার্স)

এমএইচ৩৭০ বিমানটি কি কোনোদিন খুঁজে পাওয়া যাবে? আপনাদের কী মনে হয়? জানান নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন