1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

মিয়ানমারে ডাব্লিউএইচও কর্মী নিহত

২২ এপ্রিল ২০২০

মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সোমবার কোভিড-১৯ পরীক্ষার নমুনা নিয়ে যাবার সময় গুলিতে একজন স্বাস্থ্যকর্মী আহত ও গাড়ির ড্রাইভার নিহত হয়েছেন৷ জাতিসংঘ এ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে৷

https://p.dw.com/p/3bFcG
ছবি: AFP/Sai Aung Main

জাতিসংঘ বলছে, হামলাটি ‘অ্যামবুশ’ করে চালানো হয়েছে৷ রাখাইনে বিদ্রোহী আরাকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সংঘাত দীর্ঘদিনের৷ হামলার জন্য দু'পক্ষই একে অপরকে দুষছে৷

সোমবার সন্ধ্যায় মিনবিয়া শহরের কাছে একটি ব্রিজে হামলার ঘটনা ঘটে৷ জাতিসংঘের একটি বাহনে করে ঐ স্বাস্থ্যকর্মী ও গাড়ির ড্রাইভার কোভিড-১৯ পরীক্ষার নমুনা নিয়ে যাচ্ছিলেন৷ ২৮ বছর বয়সি নিহত ড্রাইভার পিয়াই সোন উইন মুয়াং র জন্য কাজ করতেন৷

জাতিসংঘ বিবৃতিতে বলেছে, তারা ঘটনার জন্য ‘গভীরভাবে ব্যথিত’৷

ড্রাইভারের পিতা তায় উইন মুয়াং বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘‘সে ফোন করতে মানা করেছিল, যেহেতু সে গাড়ি চালাচ্ছিল৷’’ ভগ্ন হৃদয়ে তিনি বলেন, ‘‘এটাই শেষ কথা ছিল৷’’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইসুস টুইট করে তাঁর শোক জানান৷ ‘‘বিশ্বকে নিরাপদ রাখতে গিয়ে প্রাণ দিলেন,’’ লিখেছেন তিনি৷

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং এর পূর্ণ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি করেছেন৷

মিয়ানমারের মিলিটারি মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জ মিন টুন এএফপিকে জানান যে, স্বাস্থ্যকর্মী অং মিও উ-কে রাখাইন প্রদেশের রাজধানী সিতওয়ের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷

মিলিটারির গুলি করার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘‘তাদের মিলিটারি কেন গুলি করবে? তারা তো দেশের জন্য কাজ করছিলেন৷’’

গত বছরের শুরু থেকে রাখাইনে নতুন করে আরাকান আর্মির সঙ্গে সেনাবাহিনীর সংঘাত শুরু হয়৷ গত বছর শুরু হওয়া সংঘাতে এ পর্যন্ত দু'পক্ষেরই অসংখ্য নিহত ও আহত হয়েছেন৷ আরাকান আর্মি নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী রাখাইনদের একটি বিদ্রোহী দল৷ মিয়ানমার সরকার এই দলটিকে ‘সন্ত্রাসী’ বলে চিহ্নিত করেছেন৷

এই রাখাইনের একটি অংশ রোহিঙ্গাদেরও নিবাস৷

জেডএ/এসিবি (এএফপি, রয়টার্স)