1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

মালিতে ফরাসি সৈন্য

৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩

ফরাসি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জঁ-ইভ ল্য দ্রিয়্যাঁ বলেছেন যে, ২৬ দিনের সামরিক অভিযানে ‘‘শত শত’’ বিদ্রোহী নিহত হয়েছে, এবং তাদের শেষ ঘাঁটি দখলের পর ফরাসি সৈন্যরা মার্চ মাস থেকে বিদায় নিতে শুরু করবে৷

https://p.dw.com/p/17YkH
ছবি: picture-alliance/dpa

বিদ্রোহীরা আলজিরিয়া সীমান্তের কাছে, উত্তরের দুর্গম পর্বতাঞ্চলে তাদের ঘাঁটিগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে বলে ফরাসি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান৷ ‘‘কয়েক’শো বিদ্রোহীর’’ নিহত হবার ব্যাপারে ফরাসি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, জঙ্গিদের অধিকাংশ নিহত হয়েছে গাড়িতে করে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গা যাওয়ার সময় ফরাসি বিমান হানায়, নয়ত কোন্না ও গাও শহর দু’টির যুদ্ধে৷ ফরাসি তরফে এযাবৎ মাত্র একজন হেলিকপ্টার পাইলট প্রাণ হারিয়েছে৷

সব কিছু ঠিক মতো চললে ফ্রান্স আগামী মার্চ থেকে সৈন্যাপসারণ শুরু করবে বলে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী লরঁ ফাবিয়ুস ‘মেট্রো’ দৈনিকের একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন৷ তিনি আরো বলেন, ‘‘ফ্রান্সের মালিতে দীর্ঘকাল থাকার কোনো পরিকল্পনা নেই৷ আফ্রিকান ও মালির মানুষদেরই তাদের দেশের নিরাপত্তা, রাজ্যাঞ্চলমূলক সংহতি ও সার্বভৌমত্বের গ্যারান্টি দিতে হবে৷’’

Mali Frankreich französische Truppen in Gao Reaktionen Bevölkerung
মার্চের আগে মালি ছাড়বেনা ফরাসি বাহিনীছবি: dapd

ফাবিয়ুস আরো একটা কথা ব্যবহার করেন: ‘‘নার্কো-টেররিস্ট বা মাদক-সন্ত্রাসীদের থামানো সম্ভব হয়েছে৷’’ তবে এখনও একক সন্ত্রাসীরা থাকতে পারে, কাজেই অকুস্থলে সকলকেই সতর্ক থাকতে হবে৷ ‘‘ঝুঁকি সবসময়েই থাকবে’’, বলেন ফাবিয়ুস৷

মালিতে এখন প্রায় ৪,০০০ ফরাসি সৈন্য নিযুক্ত৷ ফরাসি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী কিদাল শহরটি এখন ফরাসি ও চাড-এর প্রায় ১,৮০০ সৈন্যের নিয়ন্ত্রণে৷ বিদ্রোহীরা কিদাল-এর চারপাশের পাহাড়ি এলাকায় পলায়ন করেছে৷ তবে বিদ্রোহীরাও যে একেবারে নিরস্ত হয়নি, তার প্রমাণ, পশ্চিম আফ্রিকার একতা ও জিহাদ আন্দোলন ‘মুজাও’ দাবি করেছে যে, তারা গাও শহরটিকে পুনরায় আক্রমণ করেছে৷ যুদ্ধ শেষ হয়নি, আক্রমণ চলবে, বলে মুজাও-এর এক মুখপাত্র ফরাসি এএফপি সংবাদ সংস্থার কাছে মন্তব্য করেছেন৷

অতঃপর প্যারিস থেকেও খবর এসেছে যে, গাও শহরের কাছে ইসলামপন্থি বিদ্রোহীদের সঙ্গে ফরাসি ও মালি সরকারের সৈন্যদের সংঘর্ষে লিপ্ত৷

এছাড়া তুয়ারেগ উপজাতির আজাওয়াদ জাতীয় ত্রাণ আন্দোলন – এমএনএলএ – দাবি করেছে, তারা মেনাকা শহরটি দখল করেছে৷ নাইজার সীমান্ত থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত শহরটি ফরাসি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর হাতে ছিল৷ নাইজিরীয় সৈন্যরা প্রথমে শহরটি জয় করে, পরে উত্তরমুখী অভিযানের সময় শহরটি ছেড়ে চলে যায়৷ গোটা ঘটনাটা সত্যি হলে, এটা মালির ভবিষ্যৎ বিপদের দিকেও ইঙ্গিত করতে পারে৷

এসি/ডিজি (এএফপি, এপি)