1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

মতবিরোধ মিটল, ফোনে কথা মাক্রোঁ-ট্রুডোর

৬ নভেম্বর ২০২০

বিরোধ মিটলো। কার্টুন-বিতর্কের পর কথা হলো ক্যানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর সঙ্গে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁর।

https://p.dw.com/p/3kw8E
ছবি: picture-alliance/empics/J. Tang

মতপ্রকাশের অধিকার নিয়ে আলাদা অবস্থান নিয়েছিলেন দুই বন্ধু। ক্যানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁ। ফরাসি প্রেসিডেন্ট পুরোপুরি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার পক্ষে। কিন্তু প্রথমে ট্রুডোর মত ছিল, সেই অধিকারের একটা সীমারেখা থাকা দরকার। এই মতবিরোধের ফলে দুই জনের সম্পর্কে কিঞ্চিত জটিলতা দেখা দেয়। অবশেষে ট্রুডো তাঁর মত কিছুটা বদল করার পরে দুই দেশের প্রধানের মধ্যে ফোনে কথা হলো। মনোমালিন্যের অবসান হলো।

ইতিমধ্যে তুরস্ক, পাকিস্তান মাক্রোঁর বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে। কিছু আরব দেশে ফরাসি জিনিস বয়কটের ডাক দেয়া হয়েছে। মুসলিম বিশ্বে মাক্রোঁর মন্তব্য নিয়ে ক্ষোভ প্রচণ্ড। তারপর মাক্রোঁ বলেন, তিনি মুসলিমদের ক্ষোভের কথা বুঝতে পারেন, কিন্তু তিনি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে।

গত সপ্তাহে ট্রুডো জানান, ''ফ্রান্সের শিক্ষক হত্যা ও গির্জায় আক্রমণের ঘটনা নিন্দনীয়। কিন্তু মতপ্রকাশের অধিকারেরও একটা সীমা থাকা দরকার। আমাদের একে অপরকে শ্রদ্ধা করতে হবে। অযথা কারো মনে আঘাত করা উচিত নয়।''

এই পরিস্থিতিতে ট্রুডো ও মাক্রোঁর কথা হলো। ক্যানাডার প্রধানমন্ত্রী সেখানে জানিয়ে দিলেন, তিনি ফ্রান্সের

জনগণের পাশে আছেন।

গত মঙ্গলবার মাক্রোঁ ফোন করেছিলেন, ক্যানাডার প্রভিন্স কুইবেকের প্রধানকে। তাঁদের মধ্যে কার্টুনকাণ্ড ও তার পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়। ট্রুডোকে ফোন না করে কুইবেকের প্রশাসনিক প্রধানকে ফোন করা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে কিছুটা চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। মাক্রোঁ আসলে এই ভাবে  ট্রুডোকে উপেক্ষা করছেন বলেও কূটনৈতিক মহলের একাংশ মনে করেন।

তারপর ট্রুডো আগের বক্তব্য থেকে সরে এসে বলেন, ''মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে রক্ষা করা খুবই জরুরি। আমাদের শিল্পীরা আমাদের মনোভাব পরিবর্তনে সাহায্য করেন। সমাজে তাঁদের অবদান প্রচুর। তাই আমরা সবসময়ই মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে রক্ষা করব।''

এরপর বৃহস্পতিবার দুই নেতার ফোনে কথা হয়। ট্রুডো বলেন, তিনি ফ্রান্সের পাশে আছেন। দুই নেতাই মতপ্রকাশের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করার উপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

জিএইচ/এসজি(এপি, এএফপি, বিবিসি)