1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

বাংলাদেশে তিন মাসে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি

প্রকাশিত ১ জুন ২০২৬শেষ আপডেট ২ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে তিন মাসে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি, জার্মানির অধিকাংশ নতুন নাগরিক তাদের মূল জাতীয়তা বজায় রাখেন, লেবাননে ইসরায়েলকে আক্রমণ বন্ধ করতে বললেন ট্রাম্প, অভিবাসন আইনে বড় পরিবর্তন ইইউ-র...আরো খবর এখানে

https://p.dw.com/p/5EdFW
প্রতীকী ছবি
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্চ মাস শেষে দেশের ৬১টি তফসিলি ব্যাংকে মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা৷ তিন মাসের ব্যবধানে ঋণ বিতরণ বেড়েছে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা৷ আর এখন মোট বিতরণ করা ঋণের ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ খেলাপি হয়ে পড়েছে৷ছবি: Mohammad Ponir Hossain/REUTERS
স্কিপ নেক্সট সেকশন আপনার যা জানা দরকার

আপনার যা জানা দরকার

  • বাংলাদেশে তিন মাসে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি
  • জার্মানির অধিকাংশ নতুন নাগরিক তাদের মূল জাতীয়তা বজায় রাখেন
  • লেবাননে ইসরায়েলকে আক্রমণ বন্ধ করতে বললেন ট্রাম্প
  • অভিবাসন আইনে বড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের
  • অচলাবস্থা কাটিয়ে ফ্রেডারিকসনের নেতৃত্বেই সরকার গঠন হচ্ছে ডেনমার্কে
  • কেন পদত্য়াগ করলেন দীপেন দেওয়ান?
  • কোচবিহারে কাটমানি ফেরত দিলেন তৃণমূল নেতারা
  • মশা মারতে বিদেশ সফরে তারেকের না
স্কিপ নেক্সট সেকশন বাংলাদেশে তিন মাসে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি
প্রকাশিত ২ জুন ২০২৬শেষ আপডেট ২ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে তিন মাসে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি

প্রতীকী ছবি
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্চ মাস শেষে দেশের ৬১টি তফসিলি ব্যাংকে মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা৷ তিন মাসের ব্যবধানে ঋণ বিতরণ বেড়েছে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা৷ আর এখন মোট বিতরণ করা ঋণের ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ খেলাপি হয়ে পড়েছে৷ ছবি: Mohammad Ponir Hossain/REUTERS

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিন মাসের ব্যবধানে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ বেড়েছে৷ গত মার্চ শেষে দেশের তফসিলি ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা৷ 
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, গত ডিসেম্বর মাস শেষে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৭ কোটি টাকা৷ মার্চ শেষে তিন মাসের ব্যবধানে বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা৷ গত অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে খেলাপি ঋণ কমলেও পরের প্রান্তিকে তা বেড়ে যায়৷
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্চ মাস শেষে দেশের ৬১টি তফসিলি ব্যাংকে মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা৷ তিন মাসের ব্যবধানে ঋণ বিতরণ বেড়েছে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা৷ আর এখন মোট বিতরণ করা ঋণের ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ খেলাপি হয়ে পড়েছে৷
রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার সবচেয়ে বেশি৷ এসব ব্যাংকে খেলাপি ঋণের হার বিতরণ করা ঋণের প্রায় ৪৬ শতাংশ৷ তবে এসব ব্যাংকে আগের প্রান্তিকের চেয়ে জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে খেলাপি ঋণ কমেছে৷ সব মিলিয়ে ওই সব ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৩ লাখ ২৬ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা৷
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে খেলাপি ঋণ বেড়েছিল৷ ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোট সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা৷ তারা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে ২০২৪ সালের জুনে খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ১১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা৷
এসিবি/ জেডএইচ (প্রথম আলো)

https://p.dw.com/p/5EjPR
স্কিপ নেক্সট সেকশন জার্মানির অধিকাংশ নতুন নাগরিক তাদের মূল জাতীয়তা বজায় রাখেন
প্রকাশিত ২ জুন ২০২৬শেষ আপডেট ২ জুন ২০২৬

জার্মানির অধিকাংশ নতুন নাগরিক তাদের মূল জাতীয়তা বজায় রাখেন

প্রতীকী ছবি
জার্মানির যেসব শহর এ ধরনের তথ্য রেখেছে, সেখানে ২০২৫ সালে নতুনভাবে নাগরিকত্ব পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে একাধিক জাতীয়তা বজায় রাখার হার ছিল ৮৫% থেকে ৯৮%।ছবি: Wolfgang M. Weber/IMAGO

মেডিয়েনডিন্সট গবেষণা সংস্থার এক সমীক্ষা বলছে,  ২০২৫ সালে যারা জার্মানির নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছেন, তাদের অধিকাংশই নিজেদের মূল জাতীয়তা বজায় রেখেছেন।
সমীক্ষায় দেখা গেছে, জার্মানির যেসব শহর এ ধরনের তথ্য রেখেছে, সেখানে ২০২৫ সালে নতুনভাবে নাগরিকত্ব পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে একাধিক জাতীয়তা বজায় রাখার হার ছিল ৮৫% থেকে ৯৮%।
মেডিয়েনডিন্সটের প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়, আবেদনের সময় নিজেদের মূল জাতীয়তা যারা বজায় রাখতে চাননি,  তারা হয় রাষ্ট্রহীন ছিলেন, নয়তো এমন সব দেশ থেকে এসেছেন যেখানে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিষিদ্ধ৷ ভারত, ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়ার মতো কিছু দেশ রয়েছে সেই তালিকা৷ 
সমীক্ষায় দেখা গেছে,  ২০২৫ সালে জার্মানির নাগরিকত্বের জন্য নতুন আবেদনের সংখ্যা ছিল প্রায় এক লাখ ৮৯ হাজার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১০% কম।
এসিবি/এসবি (ডিপিএ)

https://p.dw.com/p/5Ehlq
স্কিপ নেক্সট সেকশন লেবাননে ইসরায়েলকে আক্রমণ বন্ধ করতে বললেন ট্রাম্প
প্রকাশিত ২ জুন ২০২৬শেষ আপডেট ২ জুন ২০২৬

লেবাননে ইসরায়েলকে আক্রমণ বন্ধ করতে বললেন ট্রাম্প

ইসরায়েলের আক্রমণে বিধ্বস্ত লেবানন
ইসরায়েলের আক্রমণে বিধ্বস্ত লেবাননছবি: AP/picture alliance

শান্তি বৈঠক বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। তাদের বক্তব্য, লেবাননকে বাদ দিয়ে শান্তি বৈঠক সম্ভব নয়। ইসরায়েল যেভাবে লেবাননে লাগাতার আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে, তাতে শান্তি বৈঠক সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে তারা। অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সোমবার জানিয়েছেন, ইসরায়েল এবং হিজবুল্লা দু'তরফই সংঘর্ষবিরতিতে আগ্রহ দেখিয়েছে।

ইরানের দাবি, ইসরায়েলের আক্রমণে লেবাননে এখনো পর্যন্ত সাড়ে তিন হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। ১০ লাখেরও বেশি মানুষ ঘর ছেড়ে পালিয়েছেন। 

ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং হিজবুল্লার শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেছেন তিনি। দুই তরফই সংঘর্ষবিরতিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। 

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি)
 

https://p.dw.com/p/5Eh3Q
স্কিপ নেক্সট সেকশন অভিবাসন আইনে বড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের
প্রকাশিত ২ জুন ২০২৬শেষ আপডেট ২ জুন ২০২৬

অভিবাসন আইনে বড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের

অভিবাসী আইনে বড় পরিবর্তন আনছে ইইউ
অভিবাসী আইনে বড় পরিবর্তন আনছে ইইউছবি: Czarek Sokolowski)/AP/picture alliance

যে সমস্ত অভিবাসনপ্রত্যাশীর আবেদন খারিজ হয়ে যাবে এবং কূটনৈতিক কারণে যাদের তার পরেও ডিপোর্ট করা সম্ভব হবে না, তাদের ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হবে বলে প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। আইন পাশ হলে তবেই এই নিয়ম বলবৎ হবে। 

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে তৃতীয় কোনও দেশে এই ডিটেনশন সেন্টার তৈরি হতে পারে। কোথায় কবে কীভাবে এই ডিটেনশন সেন্টার তৈরি হবে, তা স্পষ্ট করেনি ইইউ।

২০২৫ সালে ইউরোপে অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ কমেছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও দক্ষিণপন্থি দলগুলি অভিবাসন নিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ তাদের সমর্থন করছে। এই পরিস্থিতিতে ইইউ এমন একটি আইন তৈরির সিদ্ধান্ত নিলো। 

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি)

https://p.dw.com/p/5Eh3T
স্কিপ নেক্সট সেকশন মশা মারতে বিদেশ সফরে তারেকের না
২ জুন ২০২৬

মশা মারতে বিদেশ সফরে তারেকের না

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিচ্ছেন তারেক রহমান।
মশা নিয়ন্ত্রণ শিখতে চট্টগ্রামের মেয়রের বিদেশ সফরের প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: MD Abu Sufian Jewel/NurPhoto/picture alliance

মশা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ও কর্মকর্তাদের যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এবং পাঁচ কর্মকর্তার যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা সফরের অনুমোদন চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি সারসংক্ষেপ পাঠায়।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ভ্যালেন্ট বায়োসায়েন্সেস এলএলসি’র অর্থায়নে প্রস্তাবিত এ সফরের উদ্দেশ্য ছিল মশা নিয়ন্ত্রণ ও দমন ব্যবস্থার আধুনিক পদ্ধতি পর্যবেক্ষণ করা।

প্রস্তাবটি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মশা দমন বা নিয়ন্ত্রণ শেখার কিংবা তা পর্যবেক্ষণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। সূর্যাস্তের পর দেশে যেকোনো স্থির পানির উৎসের পাশে দুই-তিন ঘণ্টা সময় কাটালেই মশা নিয়ন্ত্রণের বহু উদ্ভাবনী পদ্ধতি বের করা সম্ভব।’

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘আগের সরকার বিভিন্ন প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট বিদেশ সফরের নামে কর্মকর্তাদের বিদেশে পাঠাত। এতে প্রায়ই রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় হতো।’

রুমন আরও বলেন, ‘এ ধরনের সফর রাষ্ট্রীয় অর্থে হোক বা বিদেশি কোনো সংস্থার অর্থায়নে হোক, সেগুলো থেকে কার্যকর কোনো ফল পাওয়া যায়নি।’


জিএইচ/এসজি(দ্য ডেইলি স্টার)

https://p.dw.com/p/5Eh7W
স্কিপ নেক্সট সেকশন কোচবিহারে কাটমানি ফেরত দিলেন তৃণমূল নেতারা
২ জুন ২০২৬

কোচবিহারে কাটমানি ফেরত দিলেন তৃণমূল নেতারা

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। ফাইল ছবি।
মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় মমতা দলের নেতাদের কাটমানি ফেরত দেওয়ার কথা বলেছিলেন। ছবি: ANI Video Grab

অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটলো পশ্চিমবঙ্গে। কোচবিহারের মাথাভাঙায় সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নেওয়া কাটমানি ফেরত দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা বা তাদের পরিবার। 

পাছাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতে ফকিরের কুঠি এলাকায় স্থানীয় মানুষদের ডেকে তৃণমূল নেতারা টাকা ফেরত দিয়েছেন। যে সব তৃণমূল নেতা পলাতক তাদের পরিবারের মানুষ টাকা ফেরত দিয়েছেন। টাকা ফেরত দেওয়ার কথা আগে টোটোতে মাইক লাগিয়ে ঘোষণা করা হয়। 

বিজেপি নেতা সুরেন্দ্র বর্মণ বলেছেন, ''আমরা যা খবর পেয়েছি, একজন তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য ও তৃণমূল নেতারা প্রায় ৮০ লাখ টাকা গ্রামবাসীদের কাছ থেকে নিয়েছিল। পঞ্চায়েত সদস্য উপস্থিত ছিলেন না। কিন্তু বাকিরা অন্তত কিছুটা টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হয়েছে।''

রোববার ফকিরের কুঠির কাছে একটি মাঠে মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। সেখানেই গ্রাম পঞ্চায়েতের সভাপতি টাকা ফেরত দিয়েছে বলে স্থানীয় মিডিয়া রিপোর্ট করেছে।  প্রভাবশালী পয়েোত সদস্য বাবাই বর্মণ আত্মগোপন করেছেন, তার বাবা গ্রামবাসীকে টাকা ফেরত দিয়েছেন বলে রিপোর্ট। 

একজন গ্রামবাসী জানিয়েছেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধ মিটিয়ে দেওয়ার নাম করে একজন তৃণমূল নেতা প্রচুর টাকা নিয়েছিলেন। জমির বিরোধ মেটেনি। টাকাও ফেরত পাননি। এবার টাকা পেয়ে তিনি স্বস্তিবোধ করছেন।  

জিএইচ/এসজি(এনডিটিভি)

https://p.dw.com/p/5Eh7T
স্কিপ নেক্সট সেকশন কেন পদত্য়াগ করলেন দীপেন দেওয়ান?
২ জুন ২০২৬

কেন পদত্য়াগ করলেন দীপেন দেওয়ান?

পদত্যাগপত্রে দীপেন দেওয়ান লিখেছেন, ‘'দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আমি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছি। আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কাজের দায়িত্ব পালনে নানাবিধ সমস্যা তৈরি হচ্ছে। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বাড়াতে আমার বর্তমান পদ (মন্ত্রী) থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করা আবশ্যক বলে মনে করছি।’'

দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার এবং পুনর্বহালের দাবিতে গতকাল তার অনুসারী-সমর্থকেরা রাঙামাটি শহরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। তাদের দাবি, চাপ প্রয়োগের কারণে মন্ত্রী পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। রাঙামাটি জেলা বিএনপির সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম ডিডাব্লিউর কনটেন্ট পার্টনার প্রথম আলোকে বলেন, ‘দীপেন দেওয়ান শারীরিকভাবে অসুস্থ নন।’

একাধিক রাজনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, দীপেন দেওয়ান পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে অস্বস্তিতে ছিলেন। এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, এই মন্ত্রণালয়ে পাহাড়ি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধি হিসেবে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পাশাপাশি চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনের সংসদ সদস্য মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া। এই মন্ত্রণালয়ে পার্বত্য এলাকার বাইরে থেকে প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ এই প্রথম এবং বিষয়টি নিয়ে পাহাড়িদের মধ্যে প্রশ্ন ছিল। তারা মনে করেন, এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পাহাড়ি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীরই প্রাপ্য। তবে এসব আলোচনার বিষয়ে দীপেন দেওয়ানের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কখনো দূরত্ব ছিল না। পদত্যাগের বিষয়টি জানতে পেরে আমি উনাকে ফোন করেছিলাম। কিন্তু উনাকে পাওয়া যায়নি। তবে উনি অসুস্থ ছিলেন শুনেছি। কেন পদত্যাগ করেছেন, বুঝতে পারছি না।’

দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগের আরেকটি কারণ হিসেবে আলোচনায় এসেছে—তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলা পরিষদের পুনর্গঠনে মতভিন্নতা। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে দ্রুততার সঙ্গে পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি সময়ক্ষেপণ করছিলেন।

অন্য একটি সূত্রের দাবি, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দীপেন দেওয়ান তার মতো করে জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ দিতে চেয়েছিলেন। সেটি পারেননি। মন্ত্রী তার স্বজনদের কাউকে বসানোর চেষ্টা করছেন, এমন আলোচনাও আছে।

জিএইচ/এসজি (প্রথম আলো)

বাংলাদেশের পাহাড়ে এখনো অবিশ্বাস আর অসন্তোষ

https://p.dw.com/p/5Eh7Q
স্কিপ নেক্সট সেকশন অচলাবস্থা কাটিয়ে ফ্রেডারিকসনের নেতৃত্বেই সরকার গঠন হচ্ছে ডেনমার্কে
প্রকাশিত ২ জুন ২০২৬শেষ আপডেট ২ জুন ২০২৬

অচলাবস্থা কাটিয়ে ফ্রেডারিকসনের নেতৃত্বেই সরকার গঠন হচ্ছে ডেনমার্কে

সরকার গঠন নিয়ে অচলাবস্থা কাটলো ডেনমার্কে
সরকার গঠন নিয়ে অচলাবস্থা কাটলো ডেনমার্কেছবি: Leonhard Foeger/REUTERS

ডেনমার্কে তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন পিট ফ্রেডারিকসন। তবে কাজটি সহজ ছিল না। গত মার্চ থেকে ডেনমার্কে সরকার গঠনে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল। অবশেষে তার সুরাহা হলো। 

মার্চ মাসে ভোটের ফলাফলে কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। এরপরেই শাসক-বিরোধী দুই শিবির জোটের আলোচনা শুরু করে। শেষপর্যন্ত প্রায় তিনমাস পর প্রধানমন্ত্রী ফ্রেডারিকসন জানালেন, বামপন্থিদের সঙ্গে তাদের জোটের আলোচনা সফল হয়েছে। তাদের জোট সরকার গঠন করবে। 

ফ্রেডারিকসনের দল সোশ্যাল ডেমোক্র্য়াট। তাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছে গ্রিন লেফট, সোশ্যাল লিবারাল এবং মডারেটরা। 

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি)

https://p.dw.com/p/5Eh3S
স্কিপ নেক্সট সেকশন জার্মানিতে সিরীয় ছুরি-হামলাকারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
প্রকাশিত ১ জুন ২০২৬শেষ আপডেট ১ জুন ২০২৬

জার্মানিতে সিরীয় ছুরি-হামলাকারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

হামলাস্থলে পুলিশ (ফাইল ফটো)
২০২৫ সালের মে মাসে বারের বাইরে উল্লাসরত এক দল ফুটবল ভক্তের ওপর হামলা চালান মাহমুদ৷ লাঠির আগায় ১৮ সেন্টিমিটার (প্রায় ৭ ইঞ্চি) দীর্ঘ ধারালো ছুরির ফলা লাগিয়ে তা দিয়ে এমন হামলা চালান, যার যন্ত্রণা এখনো সইতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের৷ছবি: Christian Müller/Christian Müller TV/dpa/picture-alliance

জার্মানির বিলেফেল্ড শহরে ছুরি-হামলা চালানো এক সিরীয় নাগরিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত৷ ড্যুসেলডর্ফের আঞ্চলিক উচ্চ আদালত ৩৬ বছর বয়সি মাহমুদ এম.-এর বিরুদ্ধে এ রায় ঘোষণা করে৷
২০২৫ সালের মে মাসে বারের বাইরে উল্লাসরত এক দল ফুটবল ভক্তের ওপর হামলা চালান মাহমুদ৷ লাঠির আগায় ১৮ সেন্টিমিটার (প্রায় ৭ ইঞ্চি) দীর্ঘ ধারালো ছুরির ফলা লাগিয়ে তা দিয়ে এমন হামলা চালান, যার যন্ত্রণা এখনো সইতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের৷
রায়ে বিচারকরা বলেন, জিহাদি উদ্দেশ্যে ওই হামলা চালিয়েছিলেন মাহমুদ এম.৷ রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান, হামলাকারী ব্যক্তি সিরিয়ায় এক সময় তথাকথিত জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর সক্রিয় সদস্য ছিলেন৷ ২০২৩ সালে জার্মানিতে আসার আগে হামলাকারী আইএস-এর প্রতি আনুগত্যের শপথ নিয়েছিলেন বলেও জানান তারা৷
আদালতে হামলার শিকাররা জানান, এখনো তারা সেদিনের হামলার রেশ কাটিয়ে উঠতে পারেনি৷
বিচার শুরুর আগে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার অপরাধ স্বীকার করেছিলেন৷ পরে আদালতে দাঁড়িয়েও তা স্বীকার করেন তিনি৷ তদন্তকারীদের কাছে তিনি জানান, আইএস-এর হয়ে কাজ করার সময় সিরিয়ায় দুই ব্যক্তিকে হত্যা করেছিলেন, নিহতদের মধ্যে একজন তার সৎভাই বলেও জানান তিনি৷
এসিবি/ জেডএইচ (এপি, এএফপি, রয়টার্স, ডিপিএ)

https://p.dw.com/p/5Efu6
স্কিপ নেক্সট সেকশন মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পাচ্ছেন বাংলাদেশের ছয় শান্তিরক্ষী
১ জুন ২০২৬

মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পাচ্ছেন বাংলাদেশের ছয় শান্তিরক্ষী

প্রতীকী ছবি
বাংলাদেশের ছয় শান্তিরক্ষী হলেন, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. সবুজ মিয়া, মো. মাসুদ রানা, মো. মোমিনুল ইসলাম, শামীম রেজা ও সান্ত মণ্ডল৷ ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর আবেইতে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তী নিরাপত্তা বাহিনী (ইউএনআইএসএফএ)-তে দায়িত্ব পালনের সময় এক ড্রোন হামলায় তারা নিহত হন৷ছবি: AFP via Getty Images

সুদানের আবেইতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনের সময় প্রাণ হারানো ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক’ দেয়া হবে৷ 
আগামী ৫ জুন নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এ পদক দেবেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস৷ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ পদক তুলে দেয়া হবে৷ পদকপ্রাপ্ত বাংলাদেশের ছয় শান্তিরক্ষী হলেন, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. সবুজ মিয়া, মো. মাসুদ রানা, মো. মোমিনুল ইসলাম, শামীম রেজা ও সান্ত মণ্ডল৷
২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর আবেইতে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তী নিরাপত্তা বাহিনী (ইউএনআইএসএফএ)-তে দায়িত্ব পালনের সময় এক ড্রোন হামলায় তারা নিহত হন৷
আগামী ৫ জুন নিউইয়র্কে অনুষ্ঠেয় অনুষ্ঠানে ১৯৪৮ সাল থেকে দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারানো প্রায় সাড়ে ৪ হাজার শান্তিরক্ষীর স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন জাতিসংঘ মহাসচিব৷ এছাড়া গত বছর নিহত ৫৯ জনসহ মোট ৬৮ জন সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক’ দেয়া হবে৷
এসিবি/ জেডএইচ (দ্য ডেইলি স্টার)

https://p.dw.com/p/5EfgH
স্কিপ নেক্সট সেকশন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ
প্রকাশিত ১ জুন ২০২৬শেষ আপডেট ১ জুন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ

মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ
মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নৌ-অবরোধ অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র, অন্যদিকে লেবাননে হেজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলা তীব্রতর করেছে ইসরায়েল৷ এ বিষয়গুলোই প্রমাণ করে যে, ওয়াশিংটন যুদ্ধবিরতি মেনে চলছে না৷ছবি: ICANA News Agency/AFP

শান্তি আলোচনায় ইরানের শীর্ষ আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নৌ-অবরোধ অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র, অন্যদিকে লেবাননে হেজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলা তীব্রতর করেছে ইসরায়েল৷এসব উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়গুলোই প্রমাণ করে যে, ওয়াশিংটন যুদ্ধবিরতি মেনে চলছে না৷
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স- এ মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ লিখেছেন, ‘‘নৌ-অবরোধ এবং লেবাননে যুদ্ধাপরাধের মাত্রা বৃদ্ধি’’ যুক্তরাষ্ট্রের ‘‘যুদ্ধবিরতি মেনে না চলার স্পষ্ট প্রমাণ৷’’ ‘‘প্রতিটি সিদ্ধান্তেরই একটি মূল্য থাকে এবং সেই মূল্য শেষমেশ চুকাতে হয়-’’ উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘‘সবকিছুই একসময় সঠিক জায়গায় এসে দাঁড়াবে৷’’
এর আগে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ৷ গত ৮ এপ্রিল তা কার্যকর হয়৷ পরে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হলেও দু পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে৷
পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদলের মধ্যে আলোচনা শান্তিচুক্তি সম্পাদনে ব্যর্থ হওয়ার পর গত ১৬ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নৌ-অবরোধ আরোপ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র৷ এ কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রাখে ইরান৷
এছাড়া ইরান মনে করে, লেবাননেও যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া আবশ্যক৷ অথচ ইরান-সমর্থিত হেজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সেখানে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল৷ লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখা শান্তিচুক্তি সম্পাদনের পথে অন্তরায় বলেও মনে করে ইরান৷
এসিবি/ জেডএইচ (এপি, এএফপি, ডিপিএ, রয়টার্স)

https://p.dw.com/p/5EfNI
স্কিপ নেক্সট সেকশন পদত্যাগ করলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান
১ জুন ২০২৬

পদত্যাগ করলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন৷ আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন৷
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার প্রথম আলো৷
পদত্যাগপত্রে দীপেন দেওয়ান জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছেন৷ অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কাজের দায়িত্ব পালনে নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছিল৷ বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বাড়াতে তিনি পদ থেকে অব্যাহতি নিচ্ছেন৷
৬৩ বছর বয়সি দীপেন দেওয়ান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন৷ নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে সর্বাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন তিনি৷
প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই মন্ত্রী হন দীপেন দেওয়ান৷ পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন৷
২০০৫ সালে যুগ্ম জেলা জজের চাকরি ছেড়ে দীপেন দেওয়ান বিএনপিতে যোগ দেন৷ ২০১০ সালে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি হন৷ ২০১৬ সাল থেকে তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপির ধর্মবিষয়ক সহসম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন৷
দীপেন দেওয়ানের বাবা সুবিমল দেওয়ান প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপজাতিবিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন৷
এসিবি/ জেডএইচ (প্রথম আলো)

https://p.dw.com/p/5EeoN
স্কিপ নেক্সট সেকশন হজ পালনে গিয়ে এ বছর ৪১ বাংলাদেশির মৃত্যু
প্রকাশিত ১ জুন ২০২৬শেষ আপডেট ১ জুন ২০২৬

হজ পালনে গিয়ে এ বছর ৪১ বাংলাদেশির মৃত্যু

ওপর থেকে পবিত্র হজ পালনের সময়ের ছবি৷ এ বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৭ লাখেরও বেশি মুসলমান হজ পালন করেন
সৌদি আরবে যে ৪১ বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ২৭ জন পুরুষ, ১৪ জন নারী৷ ৩০ জন মারা গেছেন ম ক্কায়, বাকি ১১ জন মদিনায়৷ছবি: Ali Atmaca/Anadolu Agency/IMAGO

সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালনে গিয়ে আরো দুই বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু হয়েছে৷ বাংলাদেশের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী এ ফলে চলতি বছর পবিত্র হজ পালনে গিয়ে এ পর্যন্ত ৪১ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হলো৷
সৌদি আরবে যে ৪১ বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ২৭ জন পুরুষ, ১৪ জন নারী৷ ৩০ জন মারা গেছেন মক্কায়, বাকি ১১ জন মদিনায়৷
পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন দেশে ফিরছেন হাজিরা৷ 
পবিত্র হজ পালনে এ বছর বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে যান প্রায় ৭৮ হাজার ৫০০ জন৷ তাদের মধ্যে ৪ হাজার ৫৬৫ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায়, ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যান৷
এ বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় গত ২৬ মে৷ প্রথম হজ ফ্লাইট শুরু হয় গত ১৮ এপ্রিল৷ শেষ হয় ২১ মে৷ ফিরতি হজ ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে৷ চলবে ৩০ জুন পর্যন্ত৷
এসিবি/ জেডএইচ (প্রথম আলো)

https://p.dw.com/p/5EdRM
স্কিপ নেক্সট সেকশন ইসরায়েল ডে-র কুচকাওয়াজে যোগ দিলেন না মামদানি
প্রকাশিত ১ জুন ২০২৬শেষ আপডেট ১ জুন ২০২৬

ইসরায়েল ডে-র কুচকাওয়াজে যোগ দিলেন না মামদানি

ইসরায়েল দিবসের অনুষ্ঠানে গেলেন না নিউ ইয়র্কের মেয়র
ইসরায়েল দিবসের অনুষ্ঠানে গেলেন না নিউ ইয়র্কের মেয়রছবি: Porter Binks/UPI Photo/IMAGO

নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি যোগ দিলেন না ইসরায়েল ডে-র কুচকাওয়াজে। ১৯৬০ সাল থেকে নিউ ইয়র্কে প্রতি বছর ইসরায়েল ডে পালন করা হয়। সেই উপলক্ষে কুচকাওয়াজের ব্যবস্থা করা হয়। শহরের মেয়রসহ রাজনীতিবিদেরা তাতে অংশ নেন। 

অ্যামেরিকার ইতিহাসে এই প্রথম নিউ ইয়র্কের মেয়র সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন না। নিউ ইয়র্ক শহরে বিপুল পরিমাণ ইহুদি বসবাস করেন। তারাই এই কুচকাওয়াজের ব্যবস্থা করেন। পরিসংখ্যান বলছে, নিউ ইয়র্কে প্রায় ১০ লাখ ইহুদি এখন থাকেন। তাদের ভোট মেয়রের জন্য় গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মামদানি ইসরায়েল দিবসের কুচকাওয়াজ এড়িয়ে গেলেন। 

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি)

https://p.dw.com/p/5EdFp
স্কিপ নেক্সট সেকশন অ্যামেরিকার নেওয়ার্কে কারফিউ ঘোষণা করেছেন মেয়র
১ জুন ২০২৬

অ্যামেরিকার নেওয়ার্কে কারফিউ ঘোষণা করেছেন মেয়র

নেওয়ার্কে কারফিউ ঘোষণা করেছেন মেয়র
নেওয়ার্কে কারফিউ ঘোষণা করেছেন মেয়রছবি: Adam Gray/AP Photo/picture alliance

নিউ জার্সিতে ডেলানি হল ডিটেনশন সেন্টারের সামনে গত কয়েকদিন ধরে লাগাতার প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছেন বিক্ষোভকারীরা। অভিযোগ, আটক করা অভিবাসী প্রত্যাশীদের খারাপ খাবার দেওয়া হচ্ছে। তাদের চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। 

বস্তুত, ডিটেনশন সেন্টারের ভিতর গত কয়েকদিন ধরে এই অভিযোগগুলির ভিত্তিতে অনশন শুরু করেছেন অভিবাসনপ্রত্যাশীরা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নেওয়ার্কের মেয়র ওই ডিটেনশন সেন্টার সংলগ্ন অঞ্চলে কারফিউ ঘোষণা করেছেন। প্রতিবাদীদের অবস্থান কর্মসূচি তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি)

https://p.dw.com/p/5EdFl
আরো পোস্ট দেখান