ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু: দোষীদের শাস্তি দাবি বিএনপি নেতার
২২ জুন ২০২৬
পরে জানাজায় অংশ নিয়ে উপজেলা বিএনপির তিন নেতা ঘটনাটিকে ‘হত্যাকাণ্ড' হিসেবে আখ্যায়িত করে দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।
ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার প্রথম আলোর খবর অনুযায়ী, আজ সোমবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে ফরিদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালের হিমঘর থেকে মৃত ছাত্রলীগের কর্মী মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ ওরফে প্রান্তর (২৭) মৃতদেহ মধুখালীর পেঁয়াজবাজার সংলগ্ন পশ্চিম গোন্দারদিয়া মহল্লার বাড়িতে আনা হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পেঁয়াজবাজার এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, অবরোধকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নারী ছিলেন। অবরোধ চলাচালে লোকজন মহাসড়কের ওপর বসে ও শুয়ে পড়েন। এ সময় পুলিশ প্রথমে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে, তবে জনতার প্রতিরোধের মুখে তারা সামনে এগোতে পারেনি। ১১টা থেকে ১১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধকালে সড়কের দুই পাশে শত শত দূরপাল্লার যানবাহন আটকে পড়ে। এতে যাত্রীদের সীমাহীন দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়।
যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে মৃত মির্জা ইশতিয়াক আহমেদের পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে অবরোধকারীরা মহাসড়ক থেকে সরে যান।
জোহরের নামাজের পর বেলা দুইটার দিকে মধুখালী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শুরু হয়।
জানাজা শুরু হওয়ার আগে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলিম ও মধুখালী পৌর বিএনপির সভাপতি হায়দার আলী মোল্লা বক্তব্য দেন। তারা তিনজন ঘটনাটিকে ‘হত্যাকাণ্ড' আখ্যায়িত করেন এবং এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
এসিবি/ এসএস (প্রথম আলো)