1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

নবায়নযোগ্য জ্বালানি

১৯ এপ্রিল ২০১৩

জ্বালানি সংকট নতুন কিছু নয়, নতুন নয় বিকল্প জ্বালানি শক্তির ব্যবহারও৷ কিন্তু কস্টারিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয় এবার ক্যাম্পাসের মধ্যেই নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব হওয়ার ক্ষেত্রে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেছে৷

https://p.dw.com/p/18Jfw
ছবি: DW

পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে দক্ষিণ অ্যামেরিকার দেশ কস্টারিকা৷ ২০২১ সাল নাগাদ বাতাসে কার্বনডাইঅক্সাইডের পরিমাণ কমিয়ে আনতে চায় দেশটি৷ ‘আর্থ' ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে৷ ছাত্ররা পরিবেশবান্ধব জ্বালানি, কৃষি ও আবর্জনা নিয়ে ব্যাপারে গবেষণা করছেন৷

রাজধানী সান হোসে থেকে গাড়িতে ঘণ্টা দুয়েক লাগে আর্থ ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে যেতে৷ এখানে কৃষি ও পরিবেশ বিজ্ঞান পড়ানো হয়৷ কাজ শেখানো হয় হাতে কলমে৷ ব্যার্ট কোলমান বিকল্প জ্বালানি শক্তি কেন্দ্রটি পরিচালনা করছেন৷ ১০ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এখান থেকে সারা দেশের জ্বালানির চাহিদা পুরোপুরি মেটানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে৷

26.11.2012 DW Global 3000 Costa Rica2
ক্যাম্পাসের কাছাকাছি রয়েছে কলা চাষের প্লান্টেশনছবি: DW

কস্টারিকায় বিকল্প জ্বালানি শক্তি উৎপাদনের সব ধরনের সুবিধাই রয়েছে৷ এখানে সৌরশক্তি, ভূগর্ভের উত্তাপ, জৈব, পানি ও বায়ুশক্তি – সব আছে৷ এই সব কিছুই জ্বালানি উত্পাদনে ব্যবহার করা যায়৷

ক্লাস চলে ইংরেজি ভাষায়৷ প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই ছাত্রছাত্রী আসেন বিদেশ থেকে৷ যেখানে প্রযুক্তির ব্যবহার, সেখানেই ক্লাস চলতে পারে৷ সেটা বাড়ির ছাদেও হতে পারে৷ এখানে সৌরবিদ্যুৎ চালিত একটি থারমাল প্ল্যান্ট থেকে পানি গরম করা হয়৷

নতুন ছাত্র বা শিক্ষক, এখানে এলেই প্রথমে আবর্জনা বাছাই-এর কাজটা করতে হয় তাদের৷ প্লাস্টিকের বোতল, টিন এসব রিসাইকেল করা হয়৷ পরিবেশ রক্ষার জন্য এটা খুবই জরুরি৷ কেননা এগুলো পোড়ানো হলে ক্ষতিকর কার্বনডাইঅক্সাইড নির্গত হতো৷ আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো জৈব বর্জ্যের ব্যবহার৷ এগুলি সার হিসাবে জমিতে ঢুকে গেলে আর কার্বনডাইঅক্সাইড বের হবে না৷

ক্যাম্পাসের কাছাকাছি রয়েছে কলা চাষের প্লান্টেশন৷ এখানে পরিবেশের ক্ষতি না করেই চাষ হয়৷ দেশের বড় বড় বাণিজ্যিক প্লান্টেশনের জন্য আদর্শ হতে পারে এটি৷

মাটির মধ্যে কেঁচোর মতো এই সব ছোট প্রাণীগুলির বড় ভূমিকা রয়েছে৷ মাটিতে ফুটো করে বাতাস ঢোকার ব্যবস্থা করে এরা৷ পোকামাকড় মারতে বেশিরভাগ বাণিজ্যিক ফার্ম কীটনাশক ব্যবহার করে৷ এই প্রকল্পে তার বদলে শুধু মরিচ ও গোল মরিচ ব্যবহার করা হয়৷

কলা বিক্রির টাকা থেকে শ্রমিকদেরও লাভ হয়৷ তারা মাসে যা রোজগার করেন, তা দেশের  ন্যূনতম মজুরি – অর্থাৎ প্রায় ৪০০ ইউরোর চেয়েও বেশি৷ এছাড়া ২০ জন ছাত্রছাত্রীর জন্য বৃত্তিও দেয়া হয় কলা রপ্তানির টাকা থেকে৷

এসবি/ডিজি