1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

ইরাকে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত অনেক

৩ অক্টোবর ২০১৯

ইরাকে টানা তৃতীয়দিনের মতো জনঅসন্তোষ চলছে৷ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বড় আকারের অভিযান সত্ত্বেও দেশটির প্রধানমন্ত্রী আদেল আব্দুল-মাহদির বিরুদ্ধে জনগণের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে৷

https://p.dw.com/p/3Qgaz
ছবি: Getty Images/AFP/A. Al-Rubaye

চাকুরি বাড়ানো, জনসেবার মানোন্নয়ন আর সীমাহীন দুর্নীতি রোধের দাবিতে আন্দোলনরত ইরাকিদের উপর বুধবার দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী গুলিবর্ষণ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করলে অন্তত সাত ইরাকি নিহত ও সাতশ'রও বেশি আহত হন৷ বৃহস্পতিবার শেষ খবর পাওয়া অবধি প্রতিবাদে অংশ নেয়া দুই ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন৷ গত এক বছরের বেশি সময়ের মধ্যে বাগদাদে সংঘটিত সবচেয়ে বড় জনবিদ্রোহ এটি৷ প্রধানমন্ত্রী আদেল আব্দুল-মাহদি পরিস্থিতি শান্ত করতে বিক্ষোভকারীদের কোনো দাবি মেনে নেয়ার কোন ইঙ্গিত দেননি৷ 

ইরাকের ‘দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট হাই কমিশন ফর হিউম্যান রাইটস' দাবি করেছে, সরকারবিরোধী আন্দোলনে ইতোমধ্যে ১৩ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন৷ সংগঠনটির সদস্য আলী আল-বয়াতি জানিয়েছেন যে, নিহতদের মধ্যে এক নিরাপত্তা কর্মীও রয়েছেন৷ আর বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে ১৩২ জনকে আটক করা হলেও তাদের বেশ কয়েকজনকে ছেড়েও দেয়া হয়েছে৷

এদিকে, দেশজুড়ে এই অস্থিরতার মাঝেই অজ্ঞাত পরিচয়ের মুখোশধারীদের গুলিতে অ্যাক্টিভিস্ট এবং কার্টুনিস্ট হুসেইন আদেল মাদানি এবং তাঁর স্ত্রী সারা মাদানি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী৷ তবে তাঁদের দুই বছর বয়সি কন্যা সন্তান অক্ষত রয়েছে৷ কোনোপক্ষ এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেনি

ইরাক সরকার অবশ্য বিক্ষোভকারীদের দাবি না মেনে তাদের দমনে কড়া অবস্থান নিয়েছে৷ দেশটির রাজধানীর রাস্তায় ভারী অস্ত্রশস্ত্রসহ দাঙ্গা পুলিশ দেখা গেছে৷ বাগদাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় চত্বরমুখী সব রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে৷ এমনকি কর্তৃপক্ষ ফেসবুক, টুইটার এবং হোয়াটসঅ্যাপের মতো সামাজিক যোগাযোগ অ্যাপও বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন শহরটির বাসিন্দারা৷

পাশাপাশি, নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে যে, বাগদাদ এবং দক্ষিণ ইরাকের বেশ কয়েকটি শহরে অশান্তিরোধে কারফিউ জারি করা হয়েছে৷

এআই/এসিবি (ডিপিএ, রয়টার্স, এপি)