1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

আফগানিস্তান থেকে জার্মানদের দেশে ফেরানোর কাজ শেষ

২৭ আগস্ট ২০২১

নির্দিষ্ট সময়সীমার পাঁচদিন আগেই জার্মানির নাগরিক ও আফগানদের নিয়ে শেষ সামরিক পরিবহন বিমান কাবুল ছাড়ল। 

https://p.dw.com/p/3zY0g
আফগানিস্তান থেকে জার্মানদের ফেরানোর কাজ কার্যত শেষ। ছবি: Marc Tessensohn/Bundeswehr/dpa/picture alliance

তালেবান নিয়ন্ত্রিত আফগানিস্তান ছেড়ে চলে আসার সময়সীমা হলো ৩১ অগাস্ট। তার পাঁচদিন আগেই জার্মান সেনাবাহিনী বিমানে করে তাদের দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার কাজ শেষ করলো। বৃহস্পতিবার কাবুল বিমানবন্দর থেকে এ৪০০এম সামরিক পরিবহন বিমান কাবুল বিমানবন্দর ছাড়ে।

সবমিলিয়ে পাঁচ হাজার একশর বেশি মানুষকে আফগানিস্তান থেকে জার্মানিতে নিয়ে আসা হয়েছে। তার মধ্যে তিন হাজার ছয়শ আফগান। এরপর আর কোনো জার্মান নাগরিক আফগানিস্তানে থাকলেন কি না তা স্পষ্ট নয়। জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার জানিয়েছিল, কাবুলে দুইশর মতো জার্মান আছেন। বহু মানুষ এখনো তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। 

স্পনসরশিপ নেটওয়ার্ক ফর জার্মান আফগান এমপ্লয়িজের কর্মকর্তা লুকাস ওয়েহনার ডিডাব্লিউকে বলেছেন, ইতিহাস সাক্ষী, জার্মানি উদ্ধারকাজ দেরিতে শুরু করেছে এবং দ্রুত শেষ করতে পেরেছে।

Deutschland | Afghanische Flüchtlinge landen mit dem letzten Flugzeug über Taschkent aus Kabul am Frankfurter Flughafen
জার্মানিতে পৌঁছনোর পর নথিপত্র পরীক্ষা করার লাইন। ছবি: Kai Pfafenbach/REUTERS

বাকি পশ্চিমা দেশের অবস্থা

ফ্রান্স জানিয়েছে, তারা শুক্রবার তাদের সব নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। যুক্তরাজ্য বলেছে, তারা ৩১ অগাস্টের মধ্যে তাদের দেশের নাগরিকদের দেশে ফেরানোর কাজ শেষ করবে। ডেনমার্ক বলেছে, তাদের নাগরিকদের দেশে ফেরানোর কাজ শেষ। পোল্যান্ড ও বেলজিয়াম তাদের দেশের সব নাগরিক ও সেনাকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে। হাঙ্গেরি জানিয়েছে, তাদের আর কেউ আফগানিস্তানে নেই।

অনড় তালেবান

তালেবান কোনোভাবেই ৩১ অগাস্টের চরমসীমা বাড়াতে রাজি নয়। সিআইএ প্রধান বার্নসের সঙ্গে আলোচনার সময়েই তালেবান জানিয়ে দিয়েছে, ৩১ অগাস্টের পর কোনো বিদেশি সেনা আফগানিস্তানে থাকতে পারবে না। তারা কিছুতেই সিদ্ধান্ত বদল করবে না।

বৃহস্পতিবার কাবুল বিমানবন্দরে আত্মঘাতী হামলার পরেও মনোভাব বদল করেনি তালেবান। তারা ৩১ অগাস্টের পর বিদেশিদের সেখানে থাকতে দিতে রাজি নয়।

জিএইচ/এসজি(এপি, ডিপিএ)