‘২৬শে মার্চের মধ্যে জামায়াত শিবির নিষিদ্ধ করতে হবে′ | বিশ্ব | DW | 22.02.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

‘২৬শে মার্চের মধ্যে জামায়াত শিবির নিষিদ্ধ করতে হবে'

শাহবাগের গণজাগরণ ছড়িয়ে পড়বে সারা দেশে৷ তরুণরা ছড়িয়ে পড়বেন সবখানে৷ বিভাগ, জেলা উপজেলা থেকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে৷ করবেন সমাবেশ ও গণস্বাক্ষর সংগ্রহ৷

শাহবাগের প্রজন্ম চত্বর বৃহস্পতিবার ১৭ তম দিনে মহাসমাবেশের মাধ্যমে আবারো দৃঢ় প্রত্যয়ে জানালো, যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি ছাড়া তাঁরা ঘরে ফিরবেন না৷ জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে৷ তাদের সব ব্যবসা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান সরকারের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে হবে৷

বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া এই মহাসমাবেশ শাহবাগকে কেন্দ্র করে কয়েক বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে৷ এই সমাবেশে অংশ নেয়া সব শ্রেণির মানুষ জানালেন, তরুণরা তাদের প্রাণের দাবিই তুলে ধরেছে৷ তারা জাতিকে জাগিয়ে তুলেছে৷ মুক্তিযোদ্ধারা বললেন, তাদের স্বপ্ন এই তরুণরাই বাস্তবায়ন করবে৷

Shahbag Demonstration in Bonn

সবার এক দাবি- যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি

তরুণরা জানালেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা থামবেন না৷ ঘরে ফিরবেন না৷ তাঁরা সবাইকে ধর্মব্যবসায়ীদের অপপ্রচার সম্পর্কে সজাগ থাকার আহ্বান জানান৷

সমাবেশে বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক, সুশীল সমাজ, রজনীতিবিদসহ বিভিন্ন শ্রেণি এবং পেশার মানুষ একাত্ম হন৷ বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা৷ তাঁরা বলেন, তাদের এই অহিংস আন্দোলনকে যৌক্তিক পরিণতিতে নিতে সবাইকে সতর্কতা থাকতে হবে, ধৈর্য ধরতে হবে৷

সমাবেশে ব্লগার ইমরান এইচ সরকার পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করেন৷ ব্লগার রাজীবসহ এই আন্দোলনের যারা নিহত হয়েছেন তাঁদের হত্যাকারীদের ৭ দিনের মধ্যে গ্রেফতারের আল্টিমেটাম দেয়া হয়েছে৷ জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করার কাজ শেষ করতে হবে ২৬শে মার্চের মধ্যে৷ যুদ্ধাপরাধ মামলার প্রতিটি রায়ের আগের দিন বিকেল থেকে শাহবাগসহ সারা দেশে হবে গণ জমায়েত৷ প্রতি শুক্রবার হবে প্রতিবাদী সমাবেশ৷

শুক্রবার সারা দেশের মসজিদে জুম্মার নামাজের পর দেশের সব মসজিদে আন্দোলনে শহীদদের জন্য দোয়া করা হবে৷ মন্দিরসহ অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয়ে হবে প্রার্থনা৷ ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে সারা দেশে সমাবেশ, প্রতিবাদী সমাবেশে , মহাসমাবেশ এবং যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে গণস্বাক্ষর সংগ্রহের কর্মসূচি দেয়া হয়েছে৷ বৃহস্পতিবারের মহাসমাবেশ শুরু হয় পবিত্র কোরান তেলাওয়াত, সব ধর্মগ্রন্থ পাঠ ও জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়