২০২০: হামলায় নিহত পঞ্চাশের বেশি সাংবাদিক | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 29.12.2020

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

২০২০: হামলায় নিহত পঞ্চাশের বেশি সাংবাদিক

সাংবাদিকদের জন্য আরেকটি আতঙ্কের বছর ২০২০৷ রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী এ বছর সারা বিশ্বে হামলার শিকার হয়ে মারা গেছেন অন্তত ৫০ জন সংবাদকর্মী৷

সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক পাঁচটি দেশের তালিকায় সবার ওপরে আছে মেক্সিকো৷ এ বছর সে দেশে কমপক্ষে আটজন সাংবাদিক হামলায় মারা গেছেন৷ প্রত্যেকেই অপরাধ এবং দুর্নীতি বিষয়ক প্রতিবেদন নিয়ে কাজ করছিলেন৷

আফগানিস্তানে গত ছয় সপ্তাহে অন্তত চারজন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে৷ এ প্রসঙ্গে আফগানিস্তান জার্নালিস্টস সেফটি কমিটির প্রধান নাজিব শরিফি ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আজকাল মনে হয় সব সাংবাদিকই জীবনের হুমকিতে রয়েছেন৷ এখনকার মতো এত খারাপ পরিস্থিতি আগে কখনো ছিল বলে আমার মনে হয় না৷’’

সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক পাঁচটি দেশের তালিকায় ভারতও রয়েছে৷ এ বছর অন্তত পাঁচজন সাংবাদিক-হত্যার ঘটনা ঘটেছে সেখানে৷

এছাড়া সাংবাদিকদের জন্য আরেক বিপজ্জনক দেশ ইরাকে এ বছর শুধু সরকারবিরোধী বিক্ষোভ কাভার করতে গিয়েই প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে তিনজন সাংবাদিক৷

ইরাকের প্রতিবেশী ইরান এ বছর সাংবাদিক রুহোল্লাহ জামকে ফাঁসি দিয়েছে৷ প্যারিস প্রবাসী এ সাংবাদিক ইরাকে গিয়েছিলেন৷ সেখান থেকে তাকে অপহরণ করা হয়৷ পরে তার বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী আন্দোলনে মদত দেয়ার অভিযোগ তোলে ইরান সরকার৷ সেই অভিযোগেই ফাঁসি দেয়া হয় তাকে৷

পাকিস্তানে সাংবাদিকদের দুরবস্থা নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আরএসএফ৷ গত মে মাসে সাংবাদিক জুলফিকার মান্দ্রানির মৃতদেহ তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়৷ জুলফিকারের দেহে নির্যাতনের চিহ্ন দেখা গেছে৷ নিহত সাংবাদিকের স্বজনেরা মনে করেন, পুলিশ বিভাগের দুর্নীতি নিয়ে যে তদন্ত করছিলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পর্ক থাকতে পারে৷

এ বছর করোনা-সংক্রমণেও মারা গেছেন অনেকে৷ তাদের কেউ কেউ পুলিশ হেফাজতে বিনা চিকিৎসায় মারা যান৷ রাশিয়া, মিশর এবং সৌদি আরবের এমন তিন সাংবাদিকের উল্লেখ রয়েছে প্রতিবেদনে৷ ওই তিনজন পেশা সংশ্লিষ্ট কারণে গ্রেপ্তার হওয়ার পর চিকিৎসার সুযোগ চেয়েও পাননি৷ তিনজনই পরে করোনার শিকার হয়ে মারা যান৷

স্টেলা ওনেকো/এসিবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়