২০২০ সালে মুক্তি পাবে মুক্তিযুদ্ধের অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র | বিশ্ব | DW | 17.04.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সাক্ষাতকার

২০২০ সালে মুক্তি পাবে মুক্তিযুদ্ধের অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র

ছবিতে দেখা যাবে ধ্রুব ও আক্কু নামে দুই বন্ধুর গল্প, যারা একসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের সময় অনেক রোমহর্ষক ঘটনার পর প্রাণে বেঁচে যায় এবং যোগ দেয় যুদ্ধে৷

বাংলাদেশের ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে চলেছেন নির্মাতা ওয়াহিদ ইবনে রেজা৷ নাম ‘সার্ভাইভিং সেভেন্টি ওয়ান– অ্যান আনটোল্ড স্টোরি অব অ্যান আননোন ওয়ার'৷

Wahid Ibn Reza Filmemacher aus Bangladesch (Wahid Ibn Reza)

নির্মাতা ওয়াহিদ ইবনে রেজা

২০১৭ সালের ডিসেম্বরে তিনি ডয়চে ভেলেকে জানিয়েছিলেন, ২০১৮ সালের শেষ নাগাদ এই গল্প নিয়ে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি নির্মাণ করবেন৷ সেটা সম্ভব হয়নি৷ তবে চলতি বছরের ২৬ মার্চ এই অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রের টিজার আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পেয়েছে এবং তা বেশ প্রশংসিত হয়েছে৷ এ বিষয়ে ডয়চে ভেলেকে বিস্তারিত জানালেন তিনি৷

ডয়চে ভেলে: ‘সার্ভাইভিং সেভেন্টি ওয়ান-অ্যান আনটোল্ড স্টোরি অব অ্যান আননোন ওয়ার' ছবির ভাবনাটা যদি একটু আমাদের বলেন৷

ওয়াহিদ ইবনে রেজা: ছবিটি বাস্তব কাহিনি অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে৷ এর কাহিনি আমার বাবার জীবনের গল্প থেকে নেয়া, তাই ব্যক্তিগতভাবে এই ছবি আমার জন্য দারুণ গুরুত্ব বহন করে৷ ছবিতে দেখা যাবে ধ্রুব ও আক্কু নামের দুই বন্ধুর গল্প, যারা একসঙ্গে  মুক্তিযুদ্ধের সময়  অনেক রোমহর্ষক ঘটনার পর প্রাণে বেঁচে যায় এবং যোগ দেয় যুদ্ধে৷

চলচ্চিত্রের টিজার মুক্তি পাওয়ার পর কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

আমরা বেশ ভালোই সাড়া পেয়েছি৷ অনেকেই খুব অবাক হয়েছেন৷ আগ্রহ নিয়ে এখন সবাই অপেক্ষা করছেন কাজটা দেখার জন্য৷

 ইউটিউব লিংক:

এর আগে আমরা আপনার একটি সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম, যেখানে আপনি বলেছিলেন এর নির্মাণ ব্যয়বহুল হবে৷ এটি নির্মাণে অর্থের সংস্থান কীভাবে করছেন?

বেশ কিছু বাংলাদেশি কোম্পানি স্পন্সর করার জন্য আগ্রহ দেখিয়েছে৷ আমরা তাদের সাথে কথা বলছি৷ শীঘ্রই আমরা জানাতে পারবো বিস্তারিত৷ আশা করছি, ফান্ডিং পেতে সমস্যা হবে না৷

যে দলটিকে মাথায় রেখে চলচ্চিত্র নিমার্ণের পরিকল্পনা ছিল, তারাই কি কাজ করছেন?

আপনারা যদি আমাদের ওয়েব সাইটের ক্রু ট্যাব-এ ক্লিক করেন তাহলেই জেনে যাবেন কে কে কাজ করছে৷ মূলত অ্যানিমেশনের জন্য ক্যানাডিয়ান একটা স্টুডিও আমাদের সাথে যুক্ত হয়েছে৷ আর যাঁদের নিয়ে কাজটা করার পরিকল্পনা ছিল, তাঁরাই আছেন৷ পরিচালনা এবং চিত্রনাট্য তৈরির কাজটি আমার, প্রোডাকশন ডিজাইনার হিসেবে আছেন কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কার জেতা প্রথম বাংলাদেশি প্রোডাক্ট ডিজাইনার শরিফুল ইসলাম, সংগীত পরিচালনায় আছেন রাশেদ শরিফ শোয়েব, সাউন্ড ডিজাইন করছেন রাজেশ সাহা আর আছেন নাভিদ এফ রহমান, তিনি ডিজাইনার হিসেবে কাজ করছেন৷

ছবিটিতে কে কে কণ্ঠ দিচ্ছেন?

এতে কন্ঠ দেবেন প্রখ্যাত অভিনেত্রী জয়া আহসান, মেহের আফরোজ শাওন, জনপ্রিয় ব্যান্ড শিল্পী তানজির তুহিন, প্রযোজক ও অভিনেতা গাউসুল আলম শাওন, অনিক খান, সামির আহসান এবং আমি৷

শর্ট ফিল্মটি নির্মাণে ঠিক কত সময় লাগতে পারে?

১৫ মিনিটের যেই শর্ট ফিল্মটা আমরা বানাচ্ছি, আশা করছি ২০২০-এর মার্চে আমরা রিলিজ করতে পারবো৷

এই চলচ্চিত্রে আপনার বাবা'র কাহিনি যেহেতু উপস্থাপন করেছেন, টিজার দেখে তাঁর অনুভূতি কী?

আমার বাবা সাধারণত আমার কোনো কাজে খুব উৎসাহ পান না. তবে এটা বেশ পছন্দ করেছেন৷ প্রায়ই খোঁজ-খবর নেন৷ আমাকে বলেছেন আরো অনেক গল্প শেয়ার করবেন, যা শুনলে আমরা অনেক রকম আইডিয়া পাবো৷

সাক্ষাৎকার: অমৃতা পারভেজ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন