১৫ লক্ষ শরণার্থীর পুনর্বাসনের আহ্বান | বিষয় | DW | 02.07.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

শরণার্থী

১৫ লক্ষ শরণার্থীর পুনর্বাসনের আহ্বান

এশিয়া, আফ্রিকা এবং ইউরোপের অনেক দেশেই রয়েছে বহু শরণার্থী৷ তাদের কিছু দেশের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ৷

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর সোমবার জানিয়েছে, আগামী বছরের মধ্যে ৬০টি দেশে বসবাসরত প্রায় ১৫ লক্ষ শরণার্থীদের পুনর্বাসনের প্রয়োজন পড়বে৷

বর্তমান অবস্থায় এই শরণার্থীদের বেশির ভাগ বাস করছেন হাতে গোনা কিছু দেশেই৷ইউএনএইচসিআর-এর প্রধান ফিলিপো গ্রান্দি বলেছেন, আর্থিক ও সামাজিক দিক থেকে এই দায়ভার এই দেশগুলি থেকে কমাতে অন্যান্য দেশের উচিত তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসা৷

জরুরি ভিত্তিতে সাহায্য প্রয়োজন আফ্রিকা অঞ্চলের দেশগুলোর, কারণ সেখানে বাস করেন প্রায় সাড়ে চার লক্ষের কাছাকাছি শরণার্থী, যা তাদের সামর্থ্যের তুলনায় অনেকটাই বেশি৷ তুরস্কে বাস করছেন প্রায় ৪২০,০০০ শরণার্থী এবং মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় ২৫০,০০০জন৷ আগামী বছরের মধ্যে এই অঞ্চলগুলির চাপ কমাতে অন্যান্য দেশের উচিত এগিয়ে আসা, জানালেন ফিলিপো৷

অসম শরণার্থী বন্টনের যে সমস্যা

‘‘আমরা ইতিহাসে দেখেছি কীভাবে শরণার্থী ও অভিবাসনজনিত সমস্যাকে মোকাবিলা করতে সব দেশের মিলিত উদ্যোগের দরকার হয়৷ এর মাধ্যমেই যুদ্ধ বা অন্য কোনো বিপর্যয় থেকে পালানো মানুষদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়া যায়'', বলেন ফিলিপো গ্রান্দি৷

শুধু মধ্যপ্রাচ্য বা আফ্রিকা নয়, ২০১৫ সালে শরণার্থী সঙ্কটের প্রভাব পড়েছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নেও৷ ডানপন্থি চিন্তার বিকাশের ফলে সেখানেও দাবি উঠেছে মোট শরণার্থী সংখ্যার আংশিক পুনর্বাসনের৷

কিন্তু গ্রান্দির মতে, বর্তমান অবস্থায় ইউরোপের চেয়ে আফ্রিকা বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে বেশি প্রয়োজন পুনর্বাসন নীতি৷ এর কারণ হিসেবে তিনি দেখান এই অঞ্চলের দারিদ্র্য, খরা ও সার্বিক অনুন্নতিকে৷

গ্রান্দি আরো বলেন, ‘‘বিশ্বের যে অঞ্চলগুলি অভ্যন্তরীণ আর্থিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সমস্যায় জর্জরিত, সেই অঞ্চলগুলিতেই বাস করেন বিশ্বের মোট শরণার্থীর ৮৪ শতাংশ৷ এই অসাম্যজনিত সমস্যা ঠেকাতে অবিলম্বে প্রয়োজন পুনর্বাসন নীতি, যা এই অসম শরণার্থী বন্টনের চাপ থেকে মুক্ত করবে আফ্রিকা বা তুরস্কের মতো অঞ্চলকে৷''

এসএস/এসিবি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়