১২ বছরের জার্মান ছেলের সন্ত্রাসী হামলার চেষ্টা! | বিশ্ব | DW | 08.01.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অস্ট্রিয়া

১২ বছরের জার্মান ছেলের সন্ত্রাসী হামলার চেষ্টা!

২০১৬ সালে জার্মানির এক শহরের বড়দিনের বাজারে হাতে তৈরি বোমা দিয়ে হামলার চেষ্টা করেছিল সে৷ কিন্তু বোমাটি ফাটেনি৷ তাকে এই হামলায় উৎসাহিত করায় অস্ট্রিয়ার এক তরুণের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ আনা হয়েছে৷

অস্ট্রিয়ার বার্তা সংস্থা এপিএ রবিবার জানায়, ভিয়েনার এক আদালত লরেন্স কে. নামের ঐ তরুণের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উসকানি, বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহারের চেষ্টা ও একটি সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্য হওয়ার অভিযোগ এনেছে৷ গত বছরের জানুয়ারিতে লরেন্সকে গ্রেপ্তার করা হয়৷ এখন তার বয়স ১৮৷ জার্মানির লুডভিগসহাফেন শহরের বড়দিনের বাজারে আত্মঘাতী হামলা চালাতে ১২ বছরের এক জার্মান-ইরাকি ছেলেকে উৎসাহ ও নির্দেশনা দিয়েছিল সে৷ প্রসিকিউটররা বলছেন, অস্ট্রিয়ার ঐ তরুণ হোয়াটসঅ্যাপে জার্মান ঐ ছেলেকে বোমা তৈরির ম্যানুয়েল পাঠিয়েছিল৷

সেই নির্দেশনা দেখে ছেলেটি একটি বোমা বানিয়ে ক্রিসমাস মার্কেটে নিয়ে গিয়েছিল৷ কিন্তু সেটি বিস্ফোরিত হয়নি৷ ২০১৬ সালের ডিসেম্বরের ঘটনা এটি৷ ঐ ঘটনার পর জার্মান ছেলেটিকে আটক করা হয়৷ উল্লেখ্য, ওই ঘটনার কিছুদিন পর বার্লিনে এক বড়দিনের বাজারে ট্রাক হামলায় ১২ জন নিহত হন৷

অস্ট্রীয় তরুণ লরেন্সের বাবা আলবেনিয়া থেকে এসেছেন৷ তিনি নাস্তিক বলে জানিয়েছে জার্মান বার্তা সংস্থা ডিপিএ৷ ১৬ বছর বয়সে ডাকাতির অপরাধে লরেন্সের কারাদণ্ড হয়েছিল৷ সেখানেই সে জঙ্গিবাদের প্রাথমিক শিক্ষা পেয়েছিল বলে জানা যায়৷ এরপর মুক্তি পেয়ে বিভিন্ন মসজিদে গিয়ে সে আরও জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ে৷ একসময় সে তথাকথিত ইসলামিক স্টেট বা আইএস- এর প্রতি তার আনুগত্য প্রকাশ করে৷

ডর্টমুন্ডের বাসে হামলার দায় স্বীকার

রুশ-জার্মান নাগরিক সের্গেই ডাব্লিউ. সোমবার আদালতে বোরুসিয়া ডর্টমুন্ডের বাসে বোমা হামলার কথা স্বীকার করেছেন৷ গত বছরের এপ্রিলে এই হামলা হয়েছিল৷ সেই সময় ডর্টমুন্ডের খেলোয়াড়রা চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচ খেলতে বাসে করে হোটেল থেকে স্টেডিয়ামে যাচ্ছিলেন৷ হামলায় ডর্টমুন্ডের ফুটবলার মার্ক বাট্রা ও একজন পুলিশ অফিসার আহত হন৷

দশদিন পর দক্ষিণ জার্মানির ট্যুবিংগেন শহর থেকে সের্গেই ডাব্লিউকে গ্রেপ্তার করা হয়৷ হামলার মাধ্যমে তিনি শেয়ার ব্যবসায় লাভ করতে চেয়েছিলেন বলে প্রোসিকিউটররা জানিয়েছেন৷ জার্মানির একমাত্র ফুটবল ক্লাব হিসেবে ডর্টমুন্ড শেয়ারবাজারে নিবন্ধিত৷ সের্গেই আশা করেছিলেন, হামলার কারণে ডর্টমুন্ডের শেয়ার দরের পতন হলে তিনি হয়ত পাঁচ লক্ষ ইউরো পর্যন্ত লাভ করতে পারেন৷ অবশ্য হামলার কয়েকদিন পর শেয়ার বিক্রি করে তাঁর লাভ হয় মাত্র পাঁচ হাজার নয়শো ইউরো৷

অভিযোগ প্রমাণিত হলে সের্গেইয়ের আমৃত্যু কারাদণ্ড হতে পারে৷ যদিও জার্মানিতে সাধারণত ১৫ বছর পর প্যারোলে মুক্তি দেয়া হয়৷

জেডএইচ/এসিবি (ডিডাব্লিউ, ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন