১২ থেকে ৩০ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ওমিক্রন | বিশ্ব | DW | 03.12.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

করোনা ভাইরাস

১২ থেকে ৩০ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ওমিক্রন

দ্রুত ছড়াচ্ছে ওমিক্রন। মাত্র ১০ দিনে ৩০ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনার নতুন প্রজাতি। চিন্তায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

গত ২৪ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম নতুন প্রজাতির ভাইরাস নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে রিপোর্ট করেছিল। ‘ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল' (ইসিডিসি) বৃহস্পতিবার যে তালিকা প্রকাশ করেছে, সেখানে দেখা গেছে মাত্র দশ দিনে ১২ থেকে ৩০ টি দেশে সংক্রমিত হয়েছে ওমিক্রন প্রজাতির করোনা। ডেল্টার থেকেও দ্রুত গতিতে এই প্রজাতি সংক্রমিত হচ্ছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। তবে নতুন প্রজাতির সমস্ত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করছেন। এই প্রজাতি কতটা ভয়ংকর তাও এখনো স্পষ্ট নয়।

তবে ইসিডিসি বৃহস্পতিবার যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তাতে বলা হয়েছে, আগামী কিছুদিনের মধ্যে ওমিক্রন মূল সংক্রমক স্ট্রেন বা ডমিন্যান্ট স্ট্রেনে পরিণত হতে পারে। এখন করোনার মূল সংক্রমক স্ট্রেন ডেল্টা। ওমিক্রন তার জায়গা নিয়ে নিতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। বস্তুত, ইউরোপে নতুন করে করোনা ছড়াচ্ছে শুরু করেছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, আগামী কিছুদিনের মধ্যে ইউরোপে যত করোনা ধরা পড়বে তার অর্ধেকই হবে ওমিক্রন।

ইসিডিসি এদিন দাবি করেছে, আফ্রিকার বোতসোয়ানায় ১১ নভেম্বর প্রথম ওমিক্রন পাওয়া গেছিল। এরপর তা দক্ষিণ আফ্রিকায় ছড়ায়। দক্ষিণ আফ্রিকার চিকিৎসকরা অবশ্য এখনো বলতে পারেননি, কবে সেখানে প্রথম ওমিক্রন পাওয়া যায়। তবে গত বেশ কিছুদিন ধরেই যে সেখানে করোনার নতুন উপসর্গ দেখা যাচ্ছিল, তা জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তারই উপর ভিত্তি করে ২৪ নভেম্বর প্রথম তারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে এ বিষয়ে জানায়। ইসিডিসির ধারণা তার বেশ কিছুদিন আগে থেকেই ওমিক্রন আফ্রিকা মহাদেশের বেশ কিছু দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল।

ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়ার পরেই ইউরোপ এবং অ্যামেরিকা নতুন করে যাতায়াতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে সমস্ত বিমান বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরেও ওমিক্রনের সংক্রমণ আটকানো যায়নি। মাত্র ১০ দিনে ৩০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে নতুন প্রজাতির ভাইরাসটি। ভারতেও ওমিক্রন ধরা পড়েছে। বেঙ্গালুরুর এক চিকিৎসকের শরীরে ওমিক্রন ভাইরাস মিলেছে। তাকে আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি তার সঙ্গে দেখা হয়েছিল এমন পাঁচজনের করোনা ধরা পড়েছে। তাদের নমুনাও জিনোম পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। 

তবে ওমিক্রনের জন্য ফের কড়াকড়ি শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইসিডিসির ডিরেক্টর অ্যান্ড্রিয়া অ্যামন। বৃহস্পতিবার তিনি জানিয়েছেন, সংক্রমণ রোধে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। টিকাকরণ, বুস্টার ডোজের কথা বলা হচ্ছে বিভিন্ন দেশকে। তবে একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ দূর্তববিধি মেনে চলতে হবে। মাস্ক পরতে হবে। এদিন ফের হোম অফিসের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, বিবিসি)

সংশ্লিষ্ট বিষয়