‘হয়রানি আর নাজেহাল, আহারে, সরকারি হাসপাতাল′ | পাঠক ভাবনা | DW | 30.04.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পাঠক ভাবনা

‘হয়রানি আর নাজেহাল, আহারে, সরকারি হাসপাতাল'

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক না থাকলে রোগীরা যে ধরনের কষ্ট আর ভোগান্তির শিকার হন, অনেক পাঠক সেসব অভিজ্ঞতার কথাই তুলে ধরেছেন ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায়৷

‘‘বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতালের অভিজ্ঞতা ভয়াবহ খারাপ, লেখা শুরু করলে রচনা হয়ে যাবে,''এই মন্তব্য পাঠক শেখ ইমরানের৷

‘‘বাংলাদেশে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা পাওয়া খুব কঠিন৷ বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতালের সেবা নিয়ে কথা বলতে সত্যিই মন খারাপ লাগে,'' জানান পাঠক ওমর ফারুক৷

আর সরকারি হাসপাতালের ডাক্তারদের লক্ষ্য করে আবদুল্লাহ আল মাহমুদ শিশির লিখেছেন, ‘‘জনগণের টাকায় আপনাদের বেতন হয়৷ আমরা যারা বেসরকারি চাকরিজীবী, তারা জানি মালিকের চাপ কেমন৷ আপনারা মালিকপক্ষ থেকে কোনো চাপ পান না বলেই রোগীদের সাথে এরকম আচরণ করেন৷ ''

পাঠক রাজিয়া সুলতানা সরকারি হাসপাতালে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে লিখেছেন, ‘‘ঝিকরগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, যশোর একদিন আমার মা-কে নিয়ে গিয়েছিলাম৷ পরীক্ষার পর গাইনির মহিলা ডাক্তার জানালেন, আমার মায়ের কিডনির সমস্যা, কিন্তু উনি চিকিৎসার জন্য তাঁর বাসায় নিয়ে যেতে বললেন৷ পরে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মায়ের দ্বিতীয়বার পরীক্ষার পর জানতে পারি, তাঁর জরায়ুতে ইনফেকশন হয়েছে৷'' 

মুন্সীগঞ্জের পাঠক সোমা ইসলাম মারিয়া জানিয়েছেন, মুন্সীগঞ্জের সরকারি হাসপাতালে বহুদিন ধরেই চোখের কোনো ডাক্তারই নেই৷

‘‘হয়রানি আর নাজেহাল, আহারে, সরকারি হাসপাতাল! '' ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় এই মন্তব্য পাঠক হারুন রশিদের৷

পাঠক মাসুদ খুবই দুঃখ করে তাঁর মতামত তুলে ধরেছেন এভাবে, ‘‘অ্যাডমিন, আপনাকে বলে বুঝানো যাবে না, অনেকদিন আগে আমি ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম চিকিৎসার জন্য৷ কিন্তু ডাক্তার সাহেব সরকারি মেডিকেলে না থেকে সরকারি কোয়ার্টারে বসে রোগীদের প্রাইভেট চিকিৎসা করছিলেন৷''

‘‘ডাক্তার আর নার্সদের দাপটে রোগীদের অসহায় হয়ে থাকতে হয় ,কোনো কথা বলা যায় না! আর কী বলব ভাই, এদের  কুকর্ম আর অনিয়মের কথা লিখতে গেলে যদি সাগরের সব পানি কালি করে আর পৃথিবীর সব গাছ কলম বানিয়েও লেখা হয়, তা-ও লেখা শেষ হবে না৷''এই মন্তব্য পাঠক জাহাঙ্গীর আলমের৷

মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা জানিয়েছেন, ‘‘আমার এক রিলেটিভ ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন, শুধুমাত্র হাসপাতালে ডাক্তার না থাকার কারণে৷''

শাহীনুর রহমানের অভিজ্ঞতা এরকম, ‘‘খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে পড়লাম দালালের খপ্পরে৷  সেখানে যে অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলাম, তাতে চিকিৎসা নেওয়ার সাধ মিটে গেল৷ এভাবেই রোগীদের নানা রকমের ধোকাঁ দিয়ে চলেছে বিভিন্ন এজেন্ট, কিন্তু সেদিকে প্রশাসনের কোনো নজর নেই৷''

রেজওয়ান করিম, বিনয় রায়, মিজান রহমান, সামিউল আলমসহ আরো অনেক পাঠকই সরকারি হাসপাতাল সম্পর্কে নিজেদের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা ডয়চে ভেলেকে লিখে জানিয়েছেন৷ তাঁদের মতে, সরকারি হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা ও  নানা ধরনের অনিয়ম প্রায় স্বাভাবিক ব্যাপার৷ 

সংকলন: নুরননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: আশীষ চক্রবর্ত্তী

নির্বাচিত প্রতিবেদন