হেলমেটের বিজ্ঞাপনে স্বল্প বসন নিয়ে বিতর্ক জার্মানিতে | বিশ্ব | DW | 25.03.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

হেলমেটের বিজ্ঞাপনে স্বল্প বসন নিয়ে বিতর্ক জার্মানিতে

যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের একটি বিজ্ঞাপন নিয়ে জার্মানিতে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে৷ বাইক চালকদের হেলমেট ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করার জন্য এই বিজ্ঞাপন তৈরি করা হয়েছে৷ কিন্তু বেশ কয়েকজন রাজনীতিবিদ এর কড়া সমালোচনা করেছেন৷

ছবিটিতে মোট ছয়জন মডেল৷ দুই জন পুরুষ, অন্যরা নারী৷ মোটামুটি সবারই গায়ে পোশাক অতি অল্প৷ কিন্তু মাথায় আছে হেলমেট৷ ইংরেজিতে লেখা স্লোগানটির বাংলা অনেকটা এরকম, ‘‘দেখতে বাজে লাগলেও, জীবন বাঁচায়৷'' সচেতনতা কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিজ্ঞাপনটি দিয়েছে জার্মান যোগাযোগ মন্ত্রণালয়৷ কিন্তু এটি নিয়ে দেশটির রাজনীতিবিদদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক৷

‘‘ নগ্ন দেহ ব্যবহারকরে যোগাযোগমন্ত্রী তাঁর নীতি বাস্তবায়ন করছেন৷ এটা বিব্রতকর, কাণ্ডজ্ঞানহীন, আর যৌন সংবেদনশীল ব্যাপার,'' এমন মন্তব্য করেছেন ‘ওয়ার্কিং গ্রুপ অফ সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক উইমেন' এর চেয়ারপার্সন মারিয়া নোয়খল৷ জার্মানির জনপ্রিয় ‘বিল্ড আম জনটাগ' পত্রিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘বিজ্ঞাপনটি অবশ্যই তুলে নিতে হবে৷''

অবশ্য এ নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে মন্ত্রণালয়ও৷ তারা বলছে, ‘‘অনেক তরুণ নান্দনিক কারণে হেলমেট ছাড়াই বের হয়৷ এই মনোভাব পরিবর্তনই প্রচারের লক্ষ্য৷''

করদাতাদের অর্থে

সামাজিক গণতন্ত্রী দল এসপিডির নারী বিষয়ক সংসদীয় গ্রুপের উপ-প্রধান কাটিয়া মাস্টও বিজ্ঞাপনটিকে ‘‘লজ্জাকর, পুরাতন ধ্যান ধারণার ও যৌন সংবেদনশীল'' হিসেবে উল্লেখ করেছেন৷ একটি সংবাদপত্রকে শনিবার তিনি বলেন, ‘‘করদাতাদের অর্থ অর্ধনগ্ন নারী ও পুরুষের পোস্টারের পেছনে খরচ করা উচিত নয়৷''

এসপিডির নারী বিষয়ক সংসদীয় গ্রুপের আরেক সদস্য ইয়োসেফিন অর্টলেব বলেছেন, ‘‘নারী, নগ্ন দেহ, কিংবা যৌনতা কোনোটাই তরুণদের সাইক্লিংয়ের নিরাপত্তায় সচেতন করার জন্য নয়৷'' তিনি জেন্ডার বা নারী-পুরুষ সমতার ক্ষেত্রে সরকারকে দ্রুত একটি কৌশল প্রণয়নের তাগিদও দেন৷

এদিকে, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেছেন, ১৭-৩০ বছর বয়সি বাইক চালকদের মাত্র ৮ ভাগ হেলমেট ব্যবহার করে৷ বিজ্ঞাপনটির মূল লক্ষ্য এসব তরুণরা, যাঁরা হেলমেট পরতে আগ্রহী নন৷ বিজ্ঞাপনটির মাধ্যমে তাঁদের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে বলে প্রাথমিক মূল্যায়নে উঠে এসেছে, বার্তা সংস্থা ইপিডির কাছে এমনটা দাবি করেছেন এই কর্মকর্তা৷

এফএস/জেডএইচ  

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন