হেফাজতের বিলুপ্তির পরপরই নতুন আহ্বায়ক কমিটির ঘোষণা | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 26.04.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

হেফাজতের বিলুপ্তির পরপরই নতুন আহ্বায়ক কমিটির ঘোষণা

ভোররাতে হেফাজতে ইসলামের পুরনো সদস্যদের নিয়েই নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই৷

রোববার রাত পৌনে ৩টার দিকে ফেইসবুকে দেওয়া ও গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিন সদস্যের কমিটি ঘোষণার এক ঘণ্টার মধ্যে তাতে আরও দুজনকে সংযুক্ত করার কথা জানানো হয় ৷

প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- চলমান ‘অস্থির ও নাজুক পরিস্থিতি' বিবেচনায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ও মহানগর কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা পরবর্তী ‘উপদেষ্টা কমিটির পরামর্শেক্রমে' তিন সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হল৷

হেফাজতের বিলুপ্ত কমিটির উপদেষ্টা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটিতে আমির জুনাইদ বাবুনগরী ও মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদীকে রাখা হয় ৷ মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী সম্পর্কে জুনাইদ বাবুনগরীর মামা৷ বিজ্ঞপ্তি পাঠানোর পর  সদস্য হিসেবে সালাহ উদ্দিন নানুপুরী ও মিজানুর রহমান চৌধুরীকে যুক্ত করে কমিটির সদস্য সংখ্যা পাঁচ করা হয় ৷

আহ্বায়ক কমিটি ‘অতি দ্রুত' হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হলেও চলমান ‘অস্থির ও নাজুক' পরিস্থিতি নিয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি৷ ফেইসবুক পাতায় ভিডিও বার্তায় বাবুনগরীর পড়া বিবৃতিতেও কোনো ব্যাখ্যা ছিল না৷

কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের আমির চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক শাহ আহমদ শফী গত বছর মারা যাওয়ার পর গত ১৫ নভেম্বর সম্মেলনে বাবুনগরীকে আমির করে হেফাজতের ১৫১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছিল৷

নতুন কমিটি গঠনের ছয় মাস না যেতেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরকেন্দ্রিক বিক্ষোভ থেকে সহিংসতার ঘটনার পর পুলিশি অভিযানে চাপে থাকার মধ্যে রোববার মধ্যরাতে এক বার্তায় কমিটি বিলুপ্তির ঘোষণা দেন জুনাইদ বাবুনগরী৷

দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকা হেফাজতের নেতারা গত বছরের শেষ দিকে ঢাকায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতায় করে আবার আলোচনায় আসে৷ সংগঠনের নেতা মামুনুল হক ভাস্কর্য ভেঙে ফেলার হুমকি দেন এবং  পরে তিনি হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব হওয়ার  পাওয়ার পাশাপাশি ঢাকা কমিটির সাধারণ সম্পাদকও হন৷   

সংগঠনটির বিক্ষোভ ও হরতালে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রামে সহিংসতায় বেশ কয়েকজন নিহত হয়৷ এরপর অর্ধশত মামলার পর মামুনুলসহ হেফাজতের ডজন খানেক কেন্দ্রীয় নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷

হেফাজত নেতারা রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের চূড়ান্ত লক্ষ্যে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছিলেন বলে পুলিশের দাবি৷

এনএস/কেএম (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়