হেফাজতের কারণে সারা দেশে পুলিশের নিরাপত্তা জোরদার | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 09.04.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

হেফাজতের কারণে সারা দেশে পুলিশের নিরাপত্তা জোরদার

দেশের অন্তত তিনটি এলাকার থানায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোনো ধরনের আশঙ্কার কথা অস্বীকার করলেও ওইসব জেলার পুলিশ কর্মকর্তারা হেফাজতে ইসলামের হামলার আশঙ্কার কথা বলেছেন৷

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাসুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘‘যাদের নিরাপত্তা বাড়ানো প্রয়োজন, তারাই নিরাপত্তা বাড়াবে। যেখানেই হেফাজতের তৎপরতার কথা শোনা যাচ্ছে, সেখানেই নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে৷''

বৃহস্পতিবার সিলেটে এবং শুক্রবার সকালে ঢাকার অদূরে নারায়ণগঞ্জের থানাগুলোতে হালকা মেশিন গান (এলএমজি)  ও বালুর বস্তার বাঙ্কার বানিয়ে থানাগুলোর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে৷ বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার থানাগুলোরও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়৷ পুলিশ সদর দপ্তরে কয়েকটি জেলা থেকে অপারেশনাল ফোর্স বাড়ানোর তাগিদ দেয়া হয়েছে৷

সিলেট জেলার ১২টি এবং সিলেট মহানগরের ছয়টি- এই ১৮টি থানার নিরপত্তা জোরদার করা হয়েছে৷ জানা গেছে, বুধবার রাতে সিলেট রেঞ্জ, মেট্রোপলিটন ও জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে হামলার আশঙ্কা থেকে ওই থানাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়৷

বৈঠকে সব থানার ওসিরা ছিলেন৷ যেসব থানা এলাকায় কওমি মাদ্রাসা বেশি, সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে৷  এমনিতে পুরো সিলেট এলাকায় কওমি মাদ্রাসার সংখ্যা অনেক বেশি৷

অডিও শুনুন 00:42

‘আমরা নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি’

সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘‘আমরা নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি৷ সাম্প্রতিক সময়ে হেফাজতের যে কর্মকাণ্ড হলো, বেশ কিছু জেলায় এই ঘটনা ঘটলো৷ এই কারণেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে৷ যাতে আরা কোনো ধরনের হামলা বা নাশকতা না হয় তার জন্যই এই ব্যবস্থা৷ মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি৷''

নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. জায়েদুল আলম  বলেন, ‘‘থানার নিরাপত্তা নিয়ে আমরা নিয়মিত কাজ করি৷ আর যাতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয় তার জন্য আমরা নিরাপত্তা মহড়া দিচ্ছি৷’’

নরেন্দ্র মোদীর ঢাকা সফরের বিরোধিতায় এবং হরতালে ওই এলাকায় নাশকতা হয়েছে৷ তারপর এক রিসোর্টে মামুনুল হককে ঘেরাওয়ের ঘটনায় ব্যাপক ভাঙচুর হয়েছে৷ পুলিশ সুপার জানান, ওই সব ঘটনায় তারা এ পর্যন্ত ৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছেন৷ আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান এখনো অব্যাহত আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি৷

অডিও শুনুন 01:09

‘সরকার এখন আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য এসব করছে’

নারায়ণগঞ্জের মোট ছয়টি থানা ছাড়াও পুলিশের সব ধরনের স্থাপনার নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে৷ ওই এলাকায় অনেক কওমি মাদ্রাসা আছে৷ তাই হেফাজত সেখানে বেশ শক্তিশালী৷

এদিকে দেশের মাদ্রাসাগুলো করোনার সময়ে চালু হলেও এখন বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে৷ কওমি মাদ্রাসাগুলো বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে৷ আলিয়া মাদ্রাসাগুলো এরই মধ্যে বন্ধ হলেও সব কওমি মাদ্রাসা বন্ধ হয়নি৷ আপাতত মসজিদের সামনে কোনো সমাবেশ ও করা যাবে না৷

তবে হেফাজতের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং মুখপাত্র মাওলানা আজিজুল ইসলাম ইসলামাবাদী দাবি করেন, ‘‘হেফাজত কোথাও কোনো হামলা করেনি৷ হেফাজতের দিক থেকে কোনো হামলার আশঙ্কাও নেই৷ সরকার এখন আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য এসব করছে৷''

তিনি থানায় হামলা, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় হেফাজতের হামলার কথাও অস্বীকার করেন তিনি৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়