হাসিনার পদত্যাগ বনাম খালেদার গ্রেপ্তারের দাবি | বিশ্ব | DW | 04.02.2015
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

হাসিনার পদত্যাগ বনাম খালেদার গ্রেপ্তারের দাবি

বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার রেশ ভালোভাবেই পড়েছে টুইটারে৷ সরকার এবং বিরোধীপক্ষের সমর্থকরা বিভিন্ন হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে লড়ছেন একে অন্যের বিপক্ষে৷ এরকম দু’টো হ্যাশট্যাগ #স্টেপডাউনহাসিনা এবং #অ্যারেস্টখালেদাজিয়া৷

ইংরেজি হ্যাশট্যাগ #স্টেপডাউনহাসিনা গত কয়েকসপ্তাহ ধরেই চলে আসছে৷ বিশেষ করে বিএনপি জোটের সমর্থকরা এই হ্যাশট্যাগটি বেশি ব্যবহার করেন৷ এমনকি কয়েকটি টুইটার প্রোফাইলের শিরোনামও তারা ব্যবহার করেছেন হ্যাশট্যাগটি৷ নিরাপত্তা বাহিনীর কথিত ‘ক্রসফায়ারে' নিহত মানুষের অসম্পাদিত এবং রক্তাক্ত ছবি ও জামায়াত, শিবিরের আন্দোলনের তথ্যের সঙ্গেও #স্টেপডাউনহাসিনা দেখা যায়৷

অন্যদিকে, #অ্যারেস্টখালেদাজিয়া হ্যাশট্যাগটি অপেক্ষাকৃত নতুন৷ কুমিল্লায় বাসে পেট্রল বোমায় সাত ব্যক্তি নিহত হওয়ার পর থেকে হ্যাশট্যাগটি বাংলাদেশে ট্রেন্ড করছে৷ মূলত আওয়ামী লীগের সমর্থকরা এটি ব্যবহার করছেন৷ পেট্রল বোমায় ঝলসে যাওয়া, পুড়ে যাওয়া মানুষের অসম্পাদিত ছবিও রয়েছে এই হ্যাশট্যাগে৷

প্রসঙ্গত, অনলাইনে দুই পক্ষের প্রকাশিত ছবি, ভিডিও এবং তথ্য থেকে এটা পরিষ্কার যে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা ক্রমশ জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে৷ আর এর বলি হচ্ছে মূলত সাধারণ মানুষ এবং বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীরা৷ ইংরেজিতে প্রকাশিত এ সব টুইটে অ্যামনেস্টি, হিউম্যানরাইটসের মতো মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পাশাপামি বিবিসি, আল-জাজিরা এবং ডয়চে ভেলেকেও ট্যাগ করা হচ্ছে৷ ফলে বাংলাদেশের বর্তমান সহিংস পরিস্থিতি সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সমাজও জানতে পারছে৷

আলোচিত দু'টি হ্যাশট্যাগ ছাড়াও #সেভবাংলাদেশ নামক একটি হ্যাশট্যাগ গত কয়েকদিন ধরে নিয়মিত ট্রেন্ড করছে বাংলাদেশে৷ সরকারি এবং বিরোধী পক্ষ উভয়েই ব্যবহার করছে এই হ্যাশট্যাগটি৷ কিছু দৃশ্যত নিরপেক্ষ মন্তব্যও রয়েছে৷ সত্যিকার অর্থে সাধারণ মানুষের মতামত অবশ্য টুইটারে তেমন একটা দেখা যাচ্ছে না৷ তবে সরকারি এবং বিরোধী জোট – উভয় পক্ষই দাবি করছে, জনগণের জন্য কাজ করছেন তাঁরা৷ প্রশ্ন হচ্ছে, পুড়িয়ে, গুলি করে মানুষ মেরে কোন জনগণের জন্য কাজ করছেন তাঁরা?

সংকলন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন