হাসপাতাল বন্ধ হলে পশ্চিমবঙ্গে চিকিৎসা সংকটের সম্ভাবনা | বিশ্ব | DW | 14.12.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

হাসপাতাল বন্ধ হলে পশ্চিমবঙ্গে চিকিৎসা সংকটের সম্ভাবনা

আমরি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের পর বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে রাজ্য সরকার৷ কিন্তু এর ফলে পশ্চিমবঙ্গে এক চিকিৎসা সংকটের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে৷

যাঁরা বেঁচে আছেন, তাঁদের চিকিৎসা চলছে এখনও

যাঁরা বেঁচে আছেন, তাঁদের চিকিৎসা চলছে এখনও

আমরি হাসপাতালের অগ্নিকাণ্ড প্রশাসনের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে যে অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থার প্রশ্নে রাজ্যের নামি হাসপাতালগুলো কতটা দায়িত্বজ্ঞানহীন৷ ফলে তৎপর হয়েছে দমকল বিভাগ এবং বেসরকারি হাসপাতাল, নার্সিংহোমে পরিদর্শন শুরু হয়েছে৷ নিয়ম না মানায় বেশ কিছু চিকিৎসাকেন্দ্র বন্ধও করে দেওয়া হয়েছে৷ কিন্তু এই একতরফা শাস্তি কতটা যুক্তিযুক্ত, এই প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ৷ শহরের বিভিন্ন নার্সিংহোমের সঙ্গে যুক্ত আছেন যে সব চিকিৎসক, তাঁরা কিন্তু মনে করছেন নাগরিক ক্ষোভ প্রশমন করতে সরকারের কঠোর হওয়া দরকার ছিল৷ কিন্তু তাঁরা এটাও মনে করছেন যে, দুর্ঘটনার দায় একা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উপর চাপিয়ে দেওয়াটা ঠিক নয়৷ যে দমকল বিভাগ সাময়িক ছাড়পত্র দিয়ে ওই হাসপাতালগুলিকে ব্যবসা চালাতে দিয়েছিল, তারাও সমান দায়ী৷

এমনটাই বলছিলেন শহরের নামী অ্যানাস্থেটিস্ট, ডাঃ নির্মল হালদার৷ তাঁর পেশাগত দক্ষতা এমন এক বিষয়ে, যেটা কাজে লাগাতে গেলে কোনও হাসপাতাল বা নার্সিংহোমের সঙ্গে তাঁকে যুক্ত থাকতে হবেই৷ সেক্ষেত্রে দমকল বিধি না মানার কারণে যদি এভাবে একের পর এক বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র বন্ধ হতে থাকে, তাহলে শুধু এরকম চিকিৎসকরাই নন, স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত অনেক পেশাদারেরই জীবিকা বিপন্ন হবে৷ তা ছাড়া এর ফলে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সংকটে পড়ারও একটা আশংকা রয়েছে, বললেন ডাঃ হালদার৷

কাজেই এই প্রশ্নটা এখন অনেক সাধারণ মানুষেরও যে, হঠাৎ চিকিৎসার প্রয়োজন হলে তাঁরা এবার কার দ্বারস্থ হবেন৷ সরকারই সেই সমাধানসূত্র বাতলে দিক, এটাই এখন তাঁদের একমাত্র প্রত্যাশা৷

প্রতিবেদন: শীর্ষ বন্দ্যোপাধ্যায়

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন