হারের মধ্যে প্রাপ্তি কেবল সাকিবের বিশ্বরেকর্ড | বিশ্ব | DW | 18.10.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

হারের মধ্যে প্রাপ্তি কেবল সাকিবের বিশ্বরেকর্ড

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুটা ভালো হলো না বাংলাদেশের। স্কটল্যান্ডের কাছে হারতে হলো। তবে সাকিব দুই উইকেট পেয়ে মালিঙ্গাকে টপকে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেটপ্রাপক হলেন।

ফাইল ছবি।

ফাইল ছবি।

বিশ্বক্রিকেটে স্কটল্যান্ড খুব বড় কোনো শক্তি নয়। তা সত্ত্বেও প্রথম ম্যাচে তাদের কাছে হেরে গেল বাংলাদেশ। মাত্র ছয় রানে। বাংলাদেশকে ডুবিয়েছেন ব্যাটসম্যানরা। বোলাররা প্রথম দিকে খুব ভালো বল করলেও, শেষের দিকে ক্রিস গ্রিভসকে থামাতে পারেননি। লেগ স্পিনার গ্রিভস ২৮ বলে করেন ৪৫ রান। তার সৌজন্যে স্কটল্যান্ড ২০ ওভারে নয় উইকেটে ১৪০ রান তুলে নেয়।

হেরে যাওয়া ম্যাচে বাংলাদেশের প্রাপ্তি হলো সাকিবের বিশ্ব রেকর্ড। এই ম্যচে দুই উইকেট নেন সাকিব। ফলে টি-টোয়েন্টিতে তিনি সব চেয়ে বেশি উইকেট নেয়ার বিশ্বরেকর্ড করলেন। মালিঙ্গাকে টপকে টি-টোয়েন্টিতে ১০৮টি উইকেট নিয়ে এই রেকর্ড করলেন সাকিব। মোট ৮৯টি ম্যাচে সাকিবের ১০৮টি উইকেট হলো।

আইপিএলের সময় দেখা গিয়েছে, আমিরাতের বিভিন্ন স্টেডিয়ামের উইকেট কিছুটা স্লো। ফলে বড় রানের স্কোর করতে হিমশিম খেয়েছে টিমগুলি। বাংলাদেশ বনাম স্কটল্যান্ডের খেলা ছিল ওমানের আল আমেরাত স্টেডিয়ামে। সেখানেও উইকেট স্লো ছিল।

বাংলাদেশের বোলাররা শুরুটা ভালো করেছিলেন। সব চেয়ে সফল বোলার হলেন অফ স্পিনার মেহেদি হাসান। তিনি ১৯ রানে নিয়েছেন তিন উইকেট। এই প্রথম তিনি তিন উইকেট পেলেন। টি-টোয়েন্টিতে তার আগের সেরা বোলিং ছিল ২৪ রানে ২ উইকেট। ভালো বল করেছেন মুস্তফিজ ও সাকিব। তারা দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন।

খুব একটা বড় রানের লক্ষ্য ছিল না। তাও বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা পারলেন না। শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়। সৌম্য সরকার মাত্র পাঁচ রানে আউট হন। লিটন দাসও পাঁচ রান করে আউট হন। ভরসা ছিলেন সাকিব আল হাসান। তিনি আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে ভালো খেলেছেন। ম্যাচ প্র্যাকটিসের মধ্যেও ছিলেন। ফলে তার উপর দলের অনেকখানি ভরসা ছিল। কিন্তু সাকিবও ব্যর্থ হন। পাওয়ার-প্লে-র প্রথম ছয় ওভারে বাংলাদেশ করে মাত্র ২৫ রান। শেষ পর্যন্ত ক্রিস গ্রিভসকে ছয় মারতে গিয়ে আউট হন সাকিব।

একটা সময় বংলাদেশকে ভরসা দিচ্ছিলেন মুশফিক। তিনি দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন। ৩৮ রানের মাথায় তিনি আউট হয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশের আশাও শেষ হয়ে যায়। শেষ ১০ বলে ৩১ রান করতে পারলে জিততে পারত বাংলাদেশ। কিন্তু তারা পারেনি। ছয় রানে হেরে যেতে হয় সাকিবদের। তবে টুর্নামেন্টের সবে শুরু। ভুল শুধরে আবার ফিরে আসার সুযোগ থাকছে তাদের সামনে।

জিএইচ/এসজি (রয়টার্স, বিডিনিউজ২৪ডটকম)