‘হারবাল ওষুধের বিকল্প নেই’ | পাঠক ভাবনা | DW | 09.04.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পাঠক ভাবনা

‘হারবাল ওষুধের বিকল্প নেই’

হারবালকে ‘বিকল্প ওষুধ’ বলবেন না!’ প্রতিবেদনটি মনোযোগ দিয়ে পড়লাম৷ লিভ ৫২ দীর্ঘদিন ধরেই ভারতে প্রচলিত রয়েছে৷ এটি আয়ুর্বেদিক তথা হার্বাল ঔষধ হলেও অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসকেরা ব্যাপকভাবে এটি প্রেস্ক্রাইব করে থাকেন৷

ভারতবর্ষে আবহমান কাল থেকে প্রচলিত আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে হার্বাল ঔষধের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে৷ তাই হার্বাল ঔষধকে বিকল্প ঔষধ না বলে অ্যালোপ্যাথিক পদ্ধতিকেই বরং ভারতের ক্ষেত্রে বিকল্প পদ্ধতি বলা উচিত৷ তবে, অ্যালোপ্যাথি ঔষধের ক্ষেত্রে যেমন প্রথমে মনুষ্যত্বের প্রাণীর উপর এবং পরে মানুষের উপর ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের মাধ্যমে তার কার্যকারিতা ও সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রমাণিত হওয়ার পরই তা ব্যবহৃত হয়, আয়ুর্বেদিক ঔষধের ক্ষেত্রে তা হয়না৷ এক্ষেত্রে যুগ যুগ ধরে চলে আসা ধারণার উপর ভিত্তি করেই হার্বাল ঔষধগুলির প্রয়োগ হয়৷ দ্বিতীয়ত আয়ুর্বেদিক ঔষধের প্রয়োগের ফল অ্যালোপ্যাথিক ঔষধের মতো তৎক্ষণাৎ পাওয়া যায় না৷ একটা ৫০০মিলিগ্রাম প্যারাসিটামল আধ ঘন্টার মধ্যে জ্বর কমিয়ে দিতে পারে, যেটা কোন হার্বাল ঔষধের দ্বারা সম্ভব হয় বলে শুনিনি৷ তাই একসময় ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যাপকভাবে প্রচলিত হার্বাল ঔষধ-নির্ভর আয়ুর্বেদিক পদ্ধতি অ্যালোপ্যাথিকে জায়গা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে৷

তবে বর্তমানে বাবা রামদেব, শ্রীশ্রী রবিশঙ্কর প্রমুখের প্রভাবে এই পদ্ধতি আবার ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে৷ এছাড়া ‘হিমালয়া', ‘ডাবর', ‘বৈদ্যনাথে'র মতো নামী প্রতিষ্ঠানে প্রচুর জনপ্রিয় ভেষজ ঔষধ তৈরি হয়৷ বাবা রামদেবের প্রতিষ্ঠানে তো অ্যালোপ্যাথিক ঔষধের মতো হারবাল ঔষধগুলিরও ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হয় বলে শুনেছি৷ যাই হোক আপনাদের প্রতিবেদনটি খুব ভালো৷

ওয়েবসাইটে হল্যান্ডে টিউলিপ ফুলের উপর ‘ছবিঘর'টি সুন্দর লেগেছে, অসাধারণ সুন্দর!

আপনারা আমার অনেক অনেক প্রীতি ও শুভেচ্ছা নেবেন৷ এভাবেই লিখেছেন সুখময় মাজী, গ্রাম ও ডাক – গঙ্গাজলঘাটী, জেলা – বাঁকুড়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত থেকে৷

‘নাটকের নাম ‘বহিষ্কারের অভিনেতা-অভিনেত্রী' নিবন্ধটি পড়ে বিয়র্ন বিকারের নাটক ‘ডিপোরেটেশন কাস্ট' সম্বন্ধে জেনে এলভিরার মতো মেয়েদের জন্য বেশ কষ্ট হচ্ছে৷ রোমা উপজাতির এই প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের যন্ত্রণাটা হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে পারছি৷ তারা আজ নিজ বাসভূমেই পরবাসী৷ তাছাড়াও জার্মানিতে জন্মে সেখানেই বড় হওয়ায় আজ তাদের কাছে জার্মানিই মাতৃভূমি৷ তথাকথিত স্বদেশে ফিরে যাওয়া তাদের কাছে নির্বাসনেরই সামিল৷ জার্মান ও কসোভো সরকারের এদের বিষয়টি রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে নয়, বরং মানবিক দৃষ্টিতে দেখা উচিত৷

নাট্যকার এই সমস্যা সবার সামনে তুলে ধরে এক মহান সামাজিক কর্তব্য পালন করেছেন, আর ডয়চে ভেলে তাকে আরও বৃহত্তর ক্ষেত্রে নিয়ে এল তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে৷ এলভিরাদের প্রতি সহানুভূতি রইল, আর অজস্র ধন্যবাদ রইল ডয়েচে ভেলের জন্য৷ সবাই ভালো থাকবেন৷ নমস্কার নেবেন৷ কেকা প্রধান, বিপিএইচএ, পাথরডিহি বিপিএইচসি, পাথরডিহি, বাগমুন্ডী, পুরুলিয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত থেকে৷

-প্রিয় বন্ধু কেকা, গতকাল আপনার পাঠানো মতামতের নিচে নামটি প্রকাশ না হওয়ায় আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত৷

শান্তনু ঘোষ, কলকাতা, ভারত থেকে লিখেছেন, ডিডাব্লিউ থেকে সব সময় অনেক কিছু জানতে পারি৷ এখানে দেখলাম যে, ব্লগারদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে ও মৌলবাদীদের প্রশ্রয় দেয়ার অভিযোগে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে ‘ব্ল্যাকআউট' কর্মসূচি পালন করেছে কয়েকটি বাংলা ব্লগ সাইট৷

আমি ভারতের নাগরিক, কিন্তু এই প্রতিবাদে আমার নৈতিক সমর্থন আছে৷ এটা বুঝতে কারও অসুবিধা হয় না যে, মৌলবাদীরা সারা পৃথিবীতেই শুধু ভয় দেখিয়ে নিজেদের অধিকার কায়েম করতে চায়, কারণ এছাড়া ওদের আর কোন কাজ নেই, ওটাই ওদের রুজি-রুটি৷ ওরা তো আর ভালো ছেলের মতো লেখাপড়া করে না বা ভালো কোন চাকুরিও করে না৷

-প্রিয় বন্ধুরা, আপনাদের লেখা দীর্ঘ ই-মেলগুলোর পুরোটা আমাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া সম্ভব হয়না বলে আমরা দুঃখিত৷ তাই আপনাদের কাছে আমাদের বিশেষ অনুরোধ,আগামীতে ই-মেলের আকার একটু ছোট করলে ভালো হয়৷ ধন্যবাদ সবাইকে৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার
সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন