হামলার পর রাশিয়ার পাশে ট্রাম্প প্রশাসন | বিশ্ব | DW | 04.04.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

রাশিয়া

হামলার পর রাশিয়ার পাশে ট্রাম্প প্রশাসন

রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে পাতাল রেলে বোমা বিস্ফোরণকে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে গণ্য করছে রুশ কর্তৃপক্ষ৷ এই হামলায় দুই ব্যক্তি জড়িত ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে৷

সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটের পর সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে দুই স্টেশনের মাঝে মেট্রো রেলে এক বিস্ফোরণ ঘটে৷ এখনো পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ১১, আহতদের সংখ্যা প্রায় ৫১৷ এখনো পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার না করলেও সিরিয়ায় রাশিয়ার সামরিক হস্তক্ষেপের প্রেক্ষাপটে তথাকথিত ইসলামিক স্টেট রাশিয়ায় হামলা চালানোর ডাক দিয়েছিল৷

রুশ কর্তৃপক্ষের ধারণা, একজন হামলাকারী সেই ট্রেনের আসনের নীচে বোমাটি রেখেছিল৷ দ্বিতীয় ব্যক্তি আরেকটি বোমা প্রস্তুত রাখলেও সৌভাগ্যবশত সেটি বিস্ফোরণ ঘটাতে পারেনি৷ কাছের একটি স্টেশনে সেটি নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়৷ সংবাদ সংস্থা ‘টাস' জানিয়েছে, মধ্য এশিয়ার ২৩ বছর বয়স্ক এক পুরুষ ও এক যুবতী এই হামলার জন্য দায়ী বলে সন্দেহ করা হচ্ছে৷ সেই পুরুষ সম্ভবত উগ্র ইসলামপন্থি ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ৷ একটি সূত্র অনুযায়ী কিরগিজিস্তানে জন্ম হলেও সেই ব্যক্তি রুশ নাগরিক৷

এক স্টেশনের ক্যামেরায় তার ছবি ধরা পড়েছে৷ তাতে দেখা যাচ্ছে, লম্বা দাড়িসহ সন্দেহভাজন ব্যক্তিটি কালো পোশাক পরে আছে৷ এটি আত্মঘাতী হামলা ছিল কিনা, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে৷

সোমবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন ঘটনাচক্রে সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরেই ছিলেন৷ তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহতদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন৷ জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল সহ একাধিক বিশ্বনেতা এই হামলার কড়া নিন্দা করেছেন৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়াকে মার্কিন প্রশাসনের সব রকম সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন৷

উল্লেখ্য, রাশিয়ায় এর আগেও ট্রেনের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে৷ ২০১০ সালে এক দম্পতি মস্কোর মেট্রো রেলে আত্মঘাতী হামলা চালালে কমপক্ষে ৪০ জন নিহত হয়৷ ককেশাস আমিরাত নামের এক ইসলামপন্থি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সেই হামলার দায় স্বীকার করে৷ তার ঠিক এক বছর আগে মস্কো থেকে সেন্ট পিটার্সবার্গ-এর পথে এক দ্রুতগামী ট্রেনের উপর হামলার দায়ও স্বীকার করে সেই গোষ্ঠী৷ 

এসবি/ডিজি (ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়