হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে যেই জয়ী হোক-তাদের নীতি এক, দেশপ্রেম সমান | পাঠক ভাবনা | DW | 04.11.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পাঠক ভাবনা

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে যেই জয়ী হোক-তাদের নীতি এক, দেশপ্রেম সমান

ক্ষমতায় যেই আসুক না কেন, পররাষ্ট্রনীতি মোটাদাগে অপরিবর্তিত থাকবে৷ মার্কিন নির্বাচন নিয়ে ডয়চে ভেলের লাইভ আলোচনায় মন্তব্যটি করেছেন এক পাঠক৷ অনেক পাঠকই চাইছেন নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মানবতার জয় হোক৷

‘আশা নিরাশা শেষ হতে চলেছে, যেই নির্বাচিত হোক, জয় হোক গণতন্ত্রের, বিশ্বে শান্তি ফিরে আসুক ৷ যুদ্ধ করে আমেরিকার অর্থনীতি চাঙ্গা চাই না, শান্তি চাই, দেশে দেশে শান্তি বিরাজ করুক ৷ জয় হোক মানবতার৷' এমনটাই চাইছেন ডয়চে ভেলের পাঠক জিল্লুর রহমান৷

পাঠক রাসেল নাজিব মনে করেন, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে যে নির্বাচিত হোক তাদের পররাষ্ট্র নীতির পরিবর্তন হয় না ৷ তাই প্রেসিডেন্ট হিসেবে যেই নির্বাচিত হোক তাতে বাংলাদেশের তেমন কিছু যায় আসে না ৷ তবে তার মতে মন্দের ভালো ডনাল্ড ট্রাম্প ৷

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে কালোদের ও মুসলিমদের মূল্যায়ন নেই৷ সব ইহুদিবাদী লবিং কারসাজিতে ট্রাম্পের জয় নিশ্চিত বলে মনে করছেন পাঠক তুহিন ৷ তিনি আরো লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সবসময় মুসলিম বিরোধী রাষ্ট্র৷

আর জয়-পরাজয় যাই হোক, আমেরিকার ইউরোপীয় অভিবাসীদের কাছে ট্রাম্প প্রধান পছন্দ ৷ এ কারণেই হিলারি জয় হতে পারেননি, এবার পুনরাবৃত্তি হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই ৷ তবে আমেরিকা-চীন বাণিজ্য যুদ্ধ বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের জন্য সহায়ক ৷ ফেসবুক পাতায় এই মন্তব্য শাহিদুল মান্নাফ কবিরের৷ যেই জয়ী হোক-তাদের নীতি একই এবং দেশপ্রেম সমান-মন্তব্য লিনা জামিলের৷

যদিও পাঠক মো.শাহরিয়ার সজীব চাইছেন ট্রাম্পই জিতে যাক, তার মতে এটাই বিশ্বের জন্য ভালো ৷ সজীবের ঠিক উল্টো মত পোষণ করেন পাঠক শিপন শাহ, তিনি বলছেন বাইডেন জিতলে, জিতে যাবে বিশ্ব ৷

রাসেল নাজিব মনে করেন, ‘আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে যে নির্বাচিত হোক তাদের পররাষ্ট্র নীতির পরিবর্তন হয় না ৷ তাই প্রেসিডেন্ট হিসেবে যেই নির্বাচিত হোক তাতে আমাদের কিছু যায় আসেনা৷ তবে মন্দের ভালো ডনাল্ড ট্রাম্প৷’

লিয়াকত আলির একেবারে সোজা কথা, ‘বাংলাদেশের জন্য সার্বিক উপকার হবে যাকে দিয়ে আমরা তাকেই চাই৷’ আর বিপুল ইসলাম ধারনা করছেন জো বাইডেন জিতলে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করবেন যাতে তারা লাভবান হবেন৷

পাঠক রাজু তার মত প্রকাশ করেছেন এভাবে, ‘স্বপ্নে যুদ্ধবাজ হলেও, কৌশলে এড়িয়ে গেছেন সবক্ষেত্রে আফগানিস্তান এবং ইরাকের ক্ষেত্রে তার ভূমিকা সত্যিই প্রশংসনীয়৷ তিনি একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি ইরাক ও আফগানিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধবাজ নীতিকে অপ্রাসঙ্গিক বা ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে অভিহিত করেছেন৷’ রাজু এবং রুপক দেব, মললিক সোহেল চাইছেন  ট্রাম্প-ই থাকুক অ্যামেরিকার কর্ণধার ৷

ভিন্ন মত সিফাত বিন সিরাজের, তিনি মনে করেন, ডনাল্ড ট্রাম্প জিতলে ইমিগ্রেশন পলিসি আরো কঠিন হবে৷ কিন্তু জো বাইডেন জিতলে পলিসি কিছুটা হলেও নমনীয় হবে৷ তাছাড়া বাইডেনের পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন মশিউল আলম, এসকে শাওন, মিরাজ হালদার রানাসহ কয়েকজন৷

আবুল কালাম আজাদ একটু রসিকতা করে লিখেছেন, ট্রাম্পতো নিজেকে জয়ী ঘোষণা করলেন, ভোট গগণা শেষ না হতেই ৷

নাসের রায়হান নিশ্চিত যে ডনাল্ড ট্রাম্প কোনো না কোনোভাবে এবারের নির্বাচনেও জিতে যাবেন৷ পাঠক আবু সালেহও এমনটাই ভাবছেন ৷ আর খালেদ চৌধুরীর আশঙ্কা ট্রাম্প সাতটি মুসলিম দেশ নিষিদ্ধ করেছিল এবার জিতলে ১৪টি হবে ৷ রিপন সরকার ফেসবুক পাতায় লিখেছেন,  ক্ষমতায় যেই আসুক না কেন, পররাষ্ট্রনীতি মোটাদাগে অপরিবর্তিত থাকবে ৷

‘আমি চাই দুজনের মাঝে তুলনামূলকভাবে জ্ঞানী ব্যাক্তিই যেন ক্ষমতাধর এই দেশের সর্ব্বোচ্চ আসনে আসীন হোক, অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট পরিবর্তন হলেও বিশ্বরাজনীতিতে কোন প্রভাব পড়ে নাকারণ আমেরিকা তাদের নীতিতে তেমন পরিবর্তন করে না ৷ তারা তাদের স্বার্থের বাইরে এক পা যায় না৷’ অ্যামেরিকার নির্বাচন নিয়ে ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় এই মন্তব্য পাঠক মো.সাইদুল বাশারের৷

এদিকে অবশ্য পাঠক আলাউদ্দিন আহমেদ চূড়ান্ত ফলাফলের আগে ভাগে কিছু বলতে চাইছেন না, তিনি অপেক্ষা করছেন৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: খালেদ মুহিউদ্দীন