হাজার কিলোমিটার পাড়ি দেয়া হাতিটিকে উদ্ধার | বিশ্ব | DW | 12.08.2016
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

হাজার কিলোমিটার পাড়ি দেয়া হাতিটিকে উদ্ধার

বন্যার কবলে পড়ে এক হাজার কিলোমিটারের মতো পথ পাড়ি দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে পৌঁছানো হাতিটিকে অবশেষে উদ্ধার করা হয়েছে৷ তবে উদ্ধার কাজ চলাকালে প্রায় মরতে বসেছিল হাতিটা৷

বাংলাদেশ এবং ভারতের উদ্ধারকারী দল বেশ কয়েকদিনে চেষ্টা করেও বুনো হাতিটিকে নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হয়েছিল৷ এমনকি তাকে আশ্বস্ত করতে আরো একটি হাতিও আনা হয়৷ কিন্তু মাদী হাতিটি কোনোভাবেই বশ মানছিল না৷ বরং জামালপুরে বন্যার পানির মধ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছিল৷ শেষমেষ হাল ছেড়ে দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন ভারতীয় উদ্ধারকর্মীরা৷

তবে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশি উদ্ধারকারীদের একটি চেষ্টাও সফল হয়েছে৷ মাদী হাতিটির শরীরে দূর থেকে চেতননাশক ঔষুধ প্রবেশ করাতে সক্ষম হন তাঁরা৷ কিন্তু বিপত্তি বাঁধে যখন হাতিটি একটি জলাশয়ে পড়ে যায় এবং ক্রমশ ডুবে যেতে থাকে৷ অসহায় উদ্ধারকারীদের তখন সহায়তায় এগিয়ে আসে কয়েকশত স্থানীয় জনতা৷ তাঁরা জলাশয়ে ডুব দিয়ে হাতিটিকে বেঁধে ফেলে এবং সবাই মিলে টেনে ডাঙ্গায় তোলে৷ হাতিটি তখন পুরোপুরি অচেতন ছিল৷

পরিবেশ সংরক্ষণবাদী অশিত রঞ্জন পাল জানিয়েছে, হাতিটি সম্ভবত বাংলাদেশে পৌঁছানোর আগেই ভারতের মধ্যে একহাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছিল৷ বাংলাদেশের জনপ্রিয় দৈনিক ‘প্রথম আলো' লিখেছে, ‘‘গত ২৮ জুন ভারতের আসাম রাজ্য থেকে বন্যার পানিতে ব্রহ্মপুত্র নদ বেয়ে কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে হাতিটি৷''

এদিকে, শুক্রবার হাতিটির জ্ঞান ফিরেছে৷ তবে তাকে এখনই ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন, বন কর্মকর্তার৷ হাতি উদ্ধারে তৈরি দলের সমস্যা তপন কুমার দে জানিয়েছেন, হাতিটিকে যেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে সেখানে কোনো পাকা রাস্তা নেই৷ তাই আপাতত হাতিটিকে সুস্থ করতে কিছুদিন সেখানে রেখে খাবার ও ঔষুধ দেয়া হবে৷

তিনি বলেন, ‘‘হাতিটি সুস্থ হয়ে গেলে একজন মহুত এবং অন্য একটি পোষা হাতির সহায়তায় তাকে একটি পাকা রাস্তার কাছে নেয়া হবে৷''

সুস্থ হয়ে উঠলে হাতিটির পরবর্তী গন্তব্য হবে গাজীপুর সাফারি পার্ক বলেও জানিয়েছেন বন কর্মকর্তারা৷ ভবিষ্যতে তাকে ভারতে ফিরেয়ে দেয়ার কোনো নতুন উদ্যোগ নেয়া হবে কিনা, তা অবশ্য এখনো জানা যায়নি৷

এআই/ডিজি (এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন