হাক্কানি নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাতা মারা গেছেন: তালেবান | বিশ্ব | DW | 04.09.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

হাক্কানি নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাতা মারা গেছেন: তালেবান

আফগানিস্তানের জঙ্গি সংগঠন হাক্কানি নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাতা জালালউদ্দিন হাক্কানি মারা গেছেন বলে মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে তাদের সহযোগী সংগঠন আফগান তালেবান৷ তবে তার মৃত্যুর দিনক্ষণ জানানো হয়নি৷

দীর্ঘদিন রোগে ভুগে হাক্কানি মারা গেছেন বলে বিবৃতিতে জানানো হয়৷ এর আগে ২০১৫ সালে গণমাধ্যমে তার মৃত্যু সংবাদ প্রচারিত হয়েছিল৷ তবে তালেবান ও হাক্কানির পরিবারের সদস্যরা সেই সংবাদ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন৷

গত শতকের সত্তরের দশকে হাক্কানি নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জালালউদ্দিন হাক্কানি৷ সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধে তাদের গেরিলা হামলার বিষয়টি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র নজরে পড়েছিল৷ ফলে সেই সময় যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা পেয়েছিল হাক্কানি নেটওয়ার্ক৷

পরে অবশ্য তালেবান ও আল-কায়েদাসহ অন্যান্য গোষ্ঠীর সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে হাক্কানি নেটওয়ার্ক৷ ফলে ২০১২ সালে হাক্কানিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র৷ পাকিস্তানও এই সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে৷

তবে যুক্তরাষ্ট্র ও আফগান কর্মকর্তারা মনে করেন, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা হাক্কানি নেটওয়ার্ককে সহায়তা করে থাকে৷ পাকিস্তান অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে৷

অসুস্থতার কারণে অনেকদিন আগেই ছেলে সিরাজউদ্দিনহাক্কানির কাছে সংগঠনের নিয়ন্ত্রণদিয়ে রেখেছিলেন জালালউদ্দিন হাক্কানি৷ সিরাজউদ্দিন হাক্কানি এখন আফগান তালেবানের অন্যতম শীর্ষ নেতা৷

২০০১ সালে আফগানিস্তান থেকে তালেবানের উৎখাতের পর আফগান ও মার্কিন সেনাবাহিনীসহ সাধারণ নাগরিকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে হামলা চালায় হাক্কানি নেটওয়ার্ক৷

গতবছরের মে মাসে কাবুলে হওয়া ট্রাক বোমা হামলার জন্য হাক্কানি নেটওয়ার্ককে দায়ী করা হয়৷ ঐ ঘটনায় প্রায় দেড়শ' জন নিহত হয়েছিলেন৷ সংগঠনটি অবশ্য হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছিল৷

এছাড়া বেশ কয়েকজন বিদেশি নাগরিককে অপহরণ করেও আলোচিত হয়েছে হাক্কানি নেটওয়ার্ক৷ এরমধ্যে আছেন ক্যানাডার জসুয়া বয়লে, তাঁর মার্কিন স্ত্রী কাইতলান কোলম্যান ও তাঁদের তিন সন্তান৷ ২০১২ সালে ঐ দম্পতিকে অপহরণ করা হয়েছিল৷ পরে অপহৃত থাকা অবস্থায় ঐ তিন সন্তানের জন্ম হয়৷ গতবছর তাঁরা মুক্তি পান৷

জেডএইচ/এসিবি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন