হাইডেলব্যার্গের বন্দুকধারী অস্ট্রিয়া থেকে রাইফেল কেনে | বিশ্ব | DW | 27.01.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

হাইডেলব্যার্গের বন্দুকধারী অস্ট্রিয়া থেকে রাইফেল কেনে

হাইডেলব্যার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্দুকধারী আক্রমণকারীর আরো পরিচয় প্রকাশ করলো জার্মানির পুলিশ।

দিনদুয়েক আগে হাইডেলব্যার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮ বছর বয়সি তরুণ বন্দুকধারী লেকচার হলে ঢুকে গুলি চালায়। একজন মারা যান এবং চারজন আহত হন। তারপর পুলিশের সামনেই বন্দুকধারী আত্মহত্যা করে। সেই বন্দুকধারী সম্পর্কে আরো তথ্য দিলো পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই তরুণ সাতদিন আগে অস্ট্রিয়া থেকে তিনটি বন্দুক কেনে। দুইটি বন্দুক ডিলারের থেকে কেনে এবং একটি বন্দুক সে একজন ব্যক্তির কাছ থেকে কিনেছিল। বন্দুক রাখার জন্য কোনো জার্মান লাইসেন্স তার কাছে ছিল না। দুইটি বন্দুক ও প্রচুর গুলি নিয়ে সে হাইগেলব্যার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে যায়। দুইটি বন্দুক ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে ১৫০ রাউন্ড গুলিও পাওয়া গেছে।  তৃতীয় বন্দুকটি অস্ট্রিয়ার পুলিশ উদ্ধার করেছে। সে অস্ট্রিয়ায় গিয়ে যেখানে ছিল, সেখান থেকে বন্দুকটি পাওয়া গেছে। 

পুলিশ জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে সে একটি ট্যাক্সি নিয়ে যায়। তারপর সোজা গিয়ে ঢোকে লেকচার হলে এবং গুলি চালায়।

কেন গুলি?

পুলিশের বক্তব্য, কেন ওই তরুণ গুলি চালিয়েছিল, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ওই তরুণ নব্য নাৎসি সংগঠন 'দ্য থার্ড পাথ'-এর সদস্য ছিল কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এই সংগঠনটি ২০১৯ সালে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তখন ওই তরুণ অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিল।  সে দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিল কিনা, তাও দেখা হচ্ছে।

পুলিশের আবেদন, এই ঘটনা নিয়ে কেউ যেন কোনো ভুল তথ্য বা গুজব না ছড়ান। নব্য নাৎসি সংগঠনের সঙ্গে তরুণের জড়িত থাকা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে কিছু পোস্ট করা হয়েছিল। পুলিশ ওই যুবকের সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট খতিয়ে দেখেছে, সেখানে চরম দক্ষিণপন্থি মনোভাবের কোনো পরিচয় পাওয়া যায়নি। তার গুলিতে নিহত ও আহতদের সঙ্গেও তার কোনো সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এলিজাবেথ শুমাখার/জিএইচ

সংশ্লিষ্ট বিষয়