হলোকস্টের পাতা থেকে উঠে আসা একটি নার্সিংহোম | বিশ্ব | DW | 27.01.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইউরোপ

হলোকস্টের পাতা থেকে উঠে আসা একটি নার্সিংহোম

২৭শে জানুয়ারি ‘হলোকস্ট স্মরণ দিবস'৷ তাই জার্মান সংসদের নিম্নকক্ষ বুন্ডেস্টাগে স্মরণ করা হলো নাৎসিদের ইহুদি নিধনযজ্ঞের বলি লক্ষ লক্ষ মানুষকে৷ মনে করা হলো সেই মানুষগুলোকে, যাঁরা আজ বেঁচে থেকেও যেন বেঁচে নেই৷

১৯৪৫ সালের এই দিনে, অর্থাৎ ২৭শে জানুয়ারি, মুক্ত হয়েছিল পোল্যান্ডে অবস্থিত নাৎসি নিধন শিবির আউশভিৎস৷ জীবিত বন্দিদের মুক্ত করেছিল তখনকার সোভিয়েত সেনারা৷ ৬০ লক্ষ ইহুদি নিহত হয়েছিল নাৎসিদের হাতে৷ প্রাণ হারিয়েছিল আরো বহু মানুষ৷ তাই আউশভিৎস হয়ে আছে গণনিধনযজ্ঞেরই এক প্রতীক৷ ১৯৯৬ সাল থেকে বুন্ডেস্টাগ এক বিশেষ অধিবেশনে স্মরণ করে আসছে নিহত সেই মানুষদের৷

শুক্রবারও এক বিশেষ অধিবেশনে জার্মান বুন্ডেস্টাগের প্রেসিডেন্ট নরব্যার্ট লামের্ট হলোকস্টকে ‘মানবাধিকার হরণের চরম নিদর্শন' বলে উল্লেখ করেন৷

আউশভিৎসে প্রায় ১৩ লাখ মানুষকে বন্দি রাখা হয়েছিল৷ তাঁদের মধ্যে গ্যাস চেম্বারে, অনশনে এবং চরম দুর্বলতায় প্রাণ হারান ১১ লাখ মানুষ৷ এঁদের অধিকাংশই ছিলেন ইহুদি, রোমা ও সিন্টি এবং রাজনৈতিক বিরোধীরা৷

৭২ বছর আগে সোভিয়েত রেড আর্মি যখন এই মৃত্যুশিবিরকে মুক্ত করে, তখন বেশ কিছু মানুষ ফিরে যান ইসরায়েলে৷ এ বছরের হলোকস্ট স্মরণ দিবস উপলক্ষ্যে তাঁদের মধ্যে বেঁচে থাকা কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছেন ডয়চে ভেলের তানিয়ে ক্র্যামার৷ তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে ছুটে গেছেন ইসরায়েলের একটি নার্সিংহোমে৷

ভিডিও দেখুন 02:43

হলোকস্টের হাত থেকে জীবিত ফিরেছিলেন যাঁরা

আসলে বিভীষিকাময় সেই অতীতকে আজ অনেকেই ভুলে যেতে চান, ভুলে যাচ্ছেন৷ আর ঠিক সে কারণেই এই ‘হলোকস্ট স্মরণ দিবস'৷ সেই বিস্মৃতির বিরুদ্ধে বারংবার মত প্রকাশ করেছেন বুন্ডেস্টাগের বক্তারা – সেই সঙ্গে বহির্বিশ্বের নেতারা৷ জার্মান প্রেসিডেন্ট ইওয়াখিম গাউক সেই কারণেই তো বলেছিলেন, ‘‘আউশভিৎসকে বাদ দিয়ে জার্মান সত্তা হয় না৷''

হলোকস্টের স্মৃতি যে জার্মানির সব নাগরিকের, এ দেশের ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ৷

ডিজি/এসিবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন