হরিণ হত্যার দায়ে সালমান খানের কারাদণ্ড | বিশ্ব | DW | 05.04.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ভারত

হরিণ হত্যার দায়ে সালমান খানের কারাদণ্ড

গাড়ি চাপায় এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় ২০১৫ সালেও তাঁকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল ভারতের একটি আদালত৷ পরে উচ্চ আদালত থেকে তিনি ওই মামলায় খালাস পান৷ এবার দুটি কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের দায়ে পাঁচ বছরের সাজা হলো সালমান খানের৷

  বলিউড তারকা সালমান খানের কালো রঙের ‘লাকি শার্ট' শেষ পর্যন্ত অপয়া হয়ে গেল৷ বৃহস্পতিবার যোধপুরের একটি আদালত দুই দশক আগে দুটি কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের দায়ে তাঁকে পাঁচ বছরের সাজা দিয়েছে৷

রাজস্থানে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়' চলচ্চিত্রের শুটিংয়ে গিয়ে পরপর দুইদিন আলাদা আলাদা স্থানে ওই দুটি বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণি শিকার করেছিলেন সালমান৷

১৯৯৯ সালে ভারতের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে দায়ের করা এ মামলার অপর আসামি অভিনেতা সাইফ আলি খান এবং অভিনেত্রী টাবু, সোনালি বেন্দ্রে ও নীলম কোঠারিকে খালাস দিয়েছেন বিচারক৷

ভারতের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ৫২ বছর বয়সি সালমান রায় শুনতে কারাগারে এসেছিলেন তাঁর কালো রঙের ‘লাকি শার্ট' পরে৷ কিন্তু দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় এখন তাঁকে থাকতে হবে যোধপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে৷ একই কারাগারে ২০০৬ সালেও ৫ রাত কাটাতে হয়েছিল সালমানকে৷

যোধপুরের কোঙ্কনি গ্রামে কৃষ্ণসার হরিণকে মারার অভিযোগে চারটি মামলা হয়েছিল সালমান খানের বিরুদ্ধে৷ ওই অভিযোগে ১৯৯৮ সালের ১৭ অক্টোবর তাঁকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল৷ কিন্তু তিনটি মামলায় সালমান খালাস পেয়ে যান৷

এর মধ্যে দুটি মামলায় ২০০৬ সালে সালমানকে দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত৷ কিন্তু রাজস্থান হাই কোর্ট ওই সাজা স্থগিত করে দেয় এবং ২০১৬ সালে সালমানকে খালাস দেওয়া হয়৷ হাই কোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের করা আপিল সর্বোচ্চ আদালতে বিচারাধীন৷

এর আগে মুম্বাইয়ে সালমানের গাড়ি চাপায় এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় ২০১৫ সালে তাঁকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল ভারতের একটি আদালত৷ পরে উচ্চ আদালত থেকে সালমান ওই মামলায় খালাস পান৷

এইচআই/এসিবি (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, এনডিটিভি)

সালমানের কি সত্যিই এ শাস্তি প্রাপ্য ছিল? লিখুন নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়