হংকংয়ের তরুণদের মন পড়তে ব্যর্থ চীন | বিশ্ব | DW | 22.09.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সংবাদভাষ্য

হংকংয়ের তরুণদের মন পড়তে ব্যর্থ চীন

প্রতি সপ্তাহান্তেই হংকং বিক্ষোভমুখর হয়ে উঠছে৷ চার মাসের বেশি সময় ধরে একই চিত্র দেখা যাচ্ছে৷ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েও বিক্ষোভ থামাতে পারছে না চীন৷ পারবে কীভাবে? তরুণ বিক্ষোভকারীদের মনইতো পড়তে পারছে না চীন৷

বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল জুন মাসে৷ হংকংয়ের কোনো বাসিন্দা চীনে অপরাধ করলে বিচারের জন্য তাকে চীনে পাঠানো যাবে, এমন এক বিলের বিরুদ্ধে প্রথম বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল৷ সম্প্রতি এই বিল প্রত্যাহারে ঘোষণা দেন হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী ক্যারি ল্যাম৷

কিন্তু তাতেও বিক্ষোভ থামেনি৷ হংকংয়ের জন্য আরও গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলন চলছে৷

১৯৯৭ সালে ব্রিটেন চীনের কাছে হংকং হস্তান্তর করেছিল৷ কথা ছিল, ২০৪৭ সাল পর্যন্ত ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা' নীতিতে হংকং পরিচালিত হবে৷ অর্থাৎ চীনের মূল ভূখণ্ডের চেয়ে হংকংয়ের বাসিন্দাদের বেশি স্বাধীনতা ভোগ করার কথা৷ কিন্তু আন্দোলনকারীদের দাবি, সেটা হচ্ছে না৷

Hongkong | Proteste (Reuters/A. Perawongmetha)

প্রতি সপ্তাহান্তেই বিক্ষোভ চলছে

এই অবস্থার পরিবর্তন চান বিক্ষোভকারীরা৷ তাই প্রতি সপ্তাহান্তে বিক্ষোভ চলছে৷ যদিও দিন দিন বিক্ষোভকারীর সংখ্যা কমছে৷ বিশ্লেষকরা বলছেন, এর কারণ একটি হতে পারে যে, বিক্ষোভকারীদের প্রতিহত করতে নিয়ম করে শহরের ট্রাম চলাচল ব্যবস্থা ব্যাহত করা হচ্ছে৷ তবে অনেকদিন ধরে বিক্ষোভ চলায় অনেক আন্দোলনকারীর উৎসাহে ভাটাও পড়ে থাকতে পারে৷

এদিকে, বিশ্ববাসীকে চীন দেখাতে চাইছে যে, বিক্ষোভের কারণে হংকংয়ের বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে৷ এই লক্ষ্যে সম্প্রতি তারা হংকংয়ের একজন বিলিওনেয়ার নারীকে জাতিসংঘে পাঠিয়েছিলেন৷ সেখানে গিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জানান যে, বিক্ষোভের কারণে তিনি নিজেকে ‘অবরুদ্ধ' মনে করছেন৷

চীনের এই পদক্ষেপ এটিই প্রমাণ করছে যে, তারা হংকংয়ের তরুণদের মন পড়তে ব্যর্থ হচ্ছেন৷ কারণ তরুণরা মনে করছেন বিলিওনেয়ার ঐ নারী সাধারণ হংকংবাসীর প্রতিনিধিত্ব করেন না৷ চীনের এই পদক্ষেপ তরুণ বিক্ষোভকারীদের উলটো আরও বিক্ষুব্ধ করে তুলেছে৷

তবে সামনে পয়লা অক্টোবর আসছে৷ সেদিন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ৭০ তম বার্ষিকী পালিত হবে৷ তার আগে সবকিছু শান্ত দেখাতে চীন বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে আরও বেশি কঠোর হয়ে উঠতে পারে৷ এই অবস্থায় বিক্ষোভকারীরা কতটুকু  টিকে থাকতে পারে সেটিই এখন দেখার বিষয়৷ 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন