স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর আবারো কারাগারে বেগম জিয়া | বিশ্ব | DW | 07.04.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বাংলাদেশ

স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর আবারো কারাগারে বেগম জিয়া

স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর কারাগারে ফিরেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন৷ শনিবার তাঁকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেয়া হয়৷ দুই ঘণ্টার পরীক্ষা শেষে ফিরে আসেন তিনি৷ 

গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের সাজা মাথায় নিয়ে পুরোনো ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের কারাগারে আসার দু’মাস পর কারাগার থেকে বেরুলেন খালেদা জিয়া৷ 
স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, শনিবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে থেকে বের করা হয় তাঁকে৷ ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কম লিখেছে, পুলিশের কালো রঙের একটি গাড়িতে করে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে কারাগার থেকে বের করা হয় খালেদাকে৷ বহরের সামনে-পেছনে ছিল ব়্যাবের পাহারা৷
সাড়ে ১১টার কিছু সময় পরই বিএসএমএমইউ-তে পৌঁছান তিনি৷ এরপর লিফটে ওঠেন হেঁটে৷ 
বিএনপিপ্রধান সেখানে তাঁর জন্য বরাদ্দ কেবিনে যান৷ বিএসএমএমইউ-র পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহ আল-হারুন চিকিৎসকের একটি দল নিয়ে সেই কেবিনে যান৷ চিকিৎসকদের সেই দলে ছিলেন ডাক্তার মামুন, যিনি বেগম জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক৷ এতদিন ধরে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের দিয়ে তাঁকে পরীক্ষা করানোর দাবি করে আসছিলেন বিএনপি নেতারা৷ 
তাঁর চিকিৎসার জন্য আগে যে বোর্ড গঠন করা হয়েছিল, এই দলে তাঁদের কাউকে রাখা হয়নি৷ অন্য চিকিৎসকরা হলেন, অধ্যাপক এম আলী ফয়েজুর রহমান ও এস এম সিদ্দিক৷
বিএসএমএমইউ-র কর্মকর্তারা পরে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, বিএনপি চেয়ারপার্সনের এক্সরে ও রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছে৷ প্যাথলজি বিভাগ থেকেও হেঁটে হাসপাতালের রেডিওলজি ও ইমেজিং বিভাগে গিয়েছেন তিনি৷
পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষ হবার পর বেলা দেড়টার দিকে খালেদা জিয়াকে নিয়ে কারাগারের পথে রওনা করা হয়৷ পৌনে ২টার দিকে নাজিমউদ্দিন রোডের কারাগারে পৌঁছেন তিনি৷ 
বিএসএমএমইউ-র কোষাধ্যক্ষ আলী আসগর মোড়ল এর আগে সকালে বিডিনিউজকে বলেন, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী খালেদার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে৷ পরবর্তী পদক্ষেপ মেডিকেল বোর্ডই ঠিক করবে৷
বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চিকিৎসকদের পরামর্শে বেগম জিয়ার শরীরের একাধিক অংশের এক্সরে করা হয়েছে৷ রিপোর্ট দেয়া হবে রোববার৷ 


জেডএ/ডিজি

এ বিষয়ে আপনাদের কোনো মতামত থাকলে লিখতে পারেন নীচের ঘরে৷

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়