স্বাধীনতার পর প্রথম ভোট হচ্ছে কসোভোতে | বিশ্ব | DW | 12.12.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

স্বাধীনতার পর প্রথম ভোট হচ্ছে কসোভোতে

মুসলমান অধ্যুষিত ইউরোপের অন্যতম গরিব দেশ কসোভো৷ দুই বছর আগে নিজেদের স্বাধীন ঘোষণা করে তারা৷ পরে অবশ্য স্বাধীনতার পক্ষে সমর্থন পায় বিশ্বের অনেক বড় বড় শক্তির কাছ থেকে৷ সেখানেই আজ প্রথমবারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে৷

default

ব্যালট বাক্স

কসোভো

কসোভো দেশটি স্বাধীনতা ঘোষণা করে সার্বিয়ার কাছ থেকে৷ কারণ কসোভোতে বাস করে মূলত আলবেনীয়রা৷ মোট ১৬ লক্ষ জনগণের মধ্যে মাত্র এক লাখ ২০ হাজার সার্বীয় জনগণের বাস কসোভোতে৷ তাই স্বাভাবিক কারণেই স্বাধীনতা চেয়েছিল কসোভোর মানুষেরা৷ এরপর ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কসোভো স্বাধীনতা ঘোষণা করার পর সেটাতে সমর্থন দেয় যুক্তরাষ্ট্রসহ পাঁচটি বাদে ইইউ'র সব দেশ৷ সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত জাতিসংঘের ৭২টি দেশ কসোভোর স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দিয়েছে৷ এর মধ্যে অবশ্য বাংলাদেশ নেই৷

গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন

নির্বাচনটি গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে, এটি সুষ্ঠু হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হতে সেটা সাহায্য করবে৷ যেটা এই মুহূর্তে দরকার৷ কারণ দেশটি গরিব৷ ইইউ'র সদস্য হতে পারলে তাদের সহায়তা নিয়ে অর্থনীতির উন্নতি সম্ভব হতে পারে বলে মনে করছেন কসোভোর জনগণ৷ যেমন প্রধানমন্ত্রী হাশিম থাচি সরাসরিই বলেছেন যে এই নির্বাচন ইইউ ও জাতিসংঘের সদস্য হতে তাদের সহায়তা করবে৷ এছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন মানে সুষ্ঠু গণতন্ত্র৷ সেক্ষেত্রে স্বাধীনতার পক্ষে আরও বেশি দেশের সমর্থন পাওয়া যেতে পারে৷ নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে দুটো দলের মধ্যে৷ এর একটির নাম পিডিকে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী থাচি৷ আর অন্য দলটি হলো এলডিকে৷ এর নেতৃত্বে রয়েছেন ইসা মুস্তফা৷ থাচি আর মুস্তফা দুজন আগে একসঙ্গেই ছিলেন৷ সেটা কসোভোর স্বাধীনতা ঘোষণার সময়৷ এছাড়া সার্বদের নয়টি দলও অংশ নিচ্ছে নির্বাচনে৷ মোট ১২৯টি আসনের মধ্যে ১০টি রাখা হয়েছে সংখ্যালঘু সার্বদের জন্য৷

কে জিতবে?

সর্বশেষ খবর বলছে নির্বাচনে কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি৷ তবে উত্তর কসোভো, যেখানে সার্বরা সংখ্যায় বেশি, সেখানে বন্দুকধারীরা ভোটারদের কিছুটা ভয়ভীতি দেখিয়েছে৷ এছাড়া এখন পর্যন্ত বেশ ভালভাবেই চলছে নির্বাচন৷ প্রায় সাড়ে আটশ বিদেশি পর্যবেক্ষক রয়েছে সেখানে৷ যার একটা বড় অংশই গেছে ইইউ থেকে৷ আর সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে প্রধানমন্ত্রী থাচির দল পেয়েছে ৩০ শতাংশ ভোট৷ আর বিরোধী দল পিছিয়ে মাত্র ২ শতাংশ ভোটে৷ অর্থাৎ বোঝা যাচ্ছে যে, দুই বা তারও বেশি দল মিলে একটা জোট সরকার হতে যাচ্ছে কসোভোতে৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: হোসাইন আব্দুল হাই

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন