স্বাধীনতার পক্ষে-বিপক্ষে ভোট শুরু কাটালুনিয়ায় | বিশ্ব | DW | 21.12.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

স্পেন

স্বাধীনতার পক্ষে-বিপক্ষে ভোট শুরু কাটালুনিয়ায়

কাটালুনিয়ায় বিতর্কিত এক গণভোটের মাধ্যমে স্বাধীনতার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে স্পেনের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংকটের অবসান ঘটাতে শুরু হলো ভোটগ্রহণ৷ অনেক স্বাধীনতাপন্থি প্রার্থীকে জেলে রেখেই চলছে এ নির্বাচন৷

কাটালুনিয়ার প্রায় ৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন ভোটারদের ৮০ ভাগই ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে৷ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিপুল নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, স্প্যানিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ভোটের সময় প্রায় ১৫ হাজার পুলিশ অফিসার ভোট কেন্দ্রগুলোর আশেপাশে টহল দেবে৷ এবারের ভোটে কাটালুনিয়ার জনগণ বেছে নেবেন তাঁরা স্বাধীনতা চান নাকি থাকতে চান স্পেনের সঙ্গেই৷

প্রায় ২ হাজার সাতশ' ভোটকেন্দ্রে রাত আটটা পর্যন্ত চলবে এই ভোটগ্রহণ৷ এর আগে সপ্তাহব্যাপী নির্বাচনি প্রচারণা চালানো হয় প্রার্থীদের পক্ষ থেকে৷ ডয়চে ভেলের প্রতিনিধি আনা গুমবাও জানান, স্বাধীনতাপন্থি অন্যতম প্রধান নাগরিক সংগঠন ‘কাটালান ন্যালনাল অ্যাসেম্বলি'-র ডাকে অনেক ভোটার ‘হলুদ' রংকে স্বাধীনতার পক্ষের প্রতিনিধিত্ব মনে করছেন৷ অন্যদিকে, স্পেনের নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ভোটের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে হলুদ রঙের ব্যানার নিষিদ্ধ করেছেন৷ তবে আনা জানাচ্ছেন, স্বাধীনতাপ্রত্যাশীরা কোনো না কোনোভাবে হলুদ রং সাথে নিয়ে যাচ্ছেন ভোটকেন্দ্রে৷

কাটালুনিয়ায় রাজনৈতিক সংকটের সূচনা ঘটে গত অক্টোবর মাসে, যখন কাটালান নেতা কার্লেস পুজদেমন বিতর্কিত এক গণভোটের পর স্পেন থেকে কাটালুনিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন৷ এরপরই মাদ্রিদ সংবিধানের ১৫৫ ধারা অনুযায়ী আঞ্চলিক স্বশাসন স্থগিত  করে এবং ডিসেম্বরে প্রাদেশিক এ নির্বাচনের আয়োজন করে৷ স্পেনের ইতিহাসে বৃহষ্পতিবারের এ ভোট অভাবনীয় এক পদক্ষেপ৷ যদিও প্রাক-নির্বাচনি ভোটার সমীক্ষায় বিচ্ছিন্নতাবাদী ও মাদ্রিদপন্থি দলগুলির অবস্থান ছিল প্রায় সমান সমান৷ ফলে কোনো পক্ষেরই সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিক থেকে বিজয়ী হবার সম্ভাবনা কম৷ বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে স্বাধীনতাপন্থিদের মধ্যেই দেখা দিয়েছে নানা বিভেদ৷ অর্থনীতিবিদ ডেভিড লোপেজ ডিডব্লিউকে বলেন, ‘‘আমার মনে হয় না, এই ভোট সত্যিকার অর্থেই সমস্যার সমাধান করতে পারবে৷''

এর আগে স্বাধীনতাপন্থিরা ভোটে জিতলেও তা স্পেনের সংবিধানবিরোধী হবে ইঙ্গিত দিয়ে এ সম্ভাবনাকে বাতিল করে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাখয়৷ তবে কাটালুনিয়ার স্বাধীনতার প্রশ্নে এখনো পর্যন্ত অনড় অবস্থানে আছেন পুজদেমন৷ অন্যদিকে, ব্রেক্সিট নিয়ে ব্যস্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নও কাটালুনিয়ার স্বাধীনতার পক্ষে নয়৷ এখন পর্যন্ত ইইউ-র কোনো দেশ স্বাধীনতার প্রশ্নে কাটালুনিয়ার পক্ষ নেয়নি৷ এছাড়া স্পেনের অভ্যন্তরেও এ স্বাধীনতার পক্ষে সমর্থন অনুল্লেখযোগ্য৷

আরএন/ডিজি (এপি, এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন