স্ত্রীকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে | বিশ্ব | DW | 14.10.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

স্ত্রীকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে

ধূমধাম করে বিয়ের ১১ দিন পর স্ত্রীকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে করেছেন এক ব্যক্তি৷

Indien Pakistan Symbolbild Vergewaltigung

প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশের টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার কড়িয়াটা গ্রামে শনিবার এই বিয়ের পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বর-কনেকে পিটুনি দিয়েছে বলে ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে৷

হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কড়িআটা গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম জানান, ধনবাড়ী উপজেলার হাজরাবাড়ী পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত ওয়াহেদ আলীর ছেলে মোনছের আলী (৩২) গত ২ অক্টোবর গোপালপুর উপজেলার কড়িয়াটা গ্রামের এক তরুণীকে (১৯) বিয়ে করেন৷ বিয়ের পরদিন মোনছেরের শাশুড়ি (৪০) মেয়ের বাড়ি বেড়াতে যান এবং সেখানে মেয়ের সঙ্গে এক সপ্তাহ অবস্থান করেন৷ এরপর গত শুক্রবার মেয়ে ও মেয়েজামাইসহ বাড়ি ফেরেন৷

‘‘শনিবার সকালে মোনছেরের স্ত্রী বরের সঙ্গে সংসার করবেন না বলে পরিবারের সদস্যদের জানালে পারিবারিক কলহ শুরু হয়৷ তখন শাশুড়ি বলেন, মেয়ে সংসার না করলে তিনি নতুন জামাতার সংসার করবেন৷''

নজরুল বলেন, এ অবস্থায় মোনছেরের শ্বশুর গ্রামের সালিশ ডাকেন৷ হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের তালুকদার, তিনি নিজেসহ এলাকার গণ্যমান্যরা সালিশি বৈঠকে বসেন৷ বৈঠকে মোনছের আলী ও তার শাশুড়িকে মারধর করা হয়৷ এরপর পরিবারের সবার সম্মতিতে মোনছেরের শ্বশুর প্রথমে স্ত্রীকে তালাক দেন৷ এরপর মোনছের তার নবপরিণীতা স্ত্রীকে তালাক দেন৷ একই অনুষ্ঠানে সবার উপস্থিতিতে মোনছের আলীর সঙ্গে তার শাশুড়ির এক লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে হয়৷

পরিবারের সম্মতিতেই এই বিয়ে হয়েছে জানিয়ে নজরুল বলেন, এর আগে গ্রামবাসীদের উপস্থিতিতে মোনছের ও তার শাশুড়িকে (পরে স্ত্রী) মারধর করা হয়৷

ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের তালুকদার বলেন, এই বিয়ের খবরে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী বাড়ি ঘেরাও করে তাদের দুজনকে মারপিট শুরু করে৷ খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান এবং পরিবারের সকলের সম্মতির বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে বিয়েতে সম্মতি দেন৷

এসআই/কেএম (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন