স্কুলে যৌন নিপীড়ন বিষয়ক আলোচনার পক্ষে জার্মানরা | বিশ্ব | DW | 14.09.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

স্কুলে যৌন নিপীড়ন বিষয়ক আলোচনার পক্ষে জার্মানরা

জার্মানিতে বসবাসরত অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্ক ও তরুণ-তরুণী মনে করেন, স্কুলে যৌন নির্যাতন ও বৈষম্যের বিষয়াদি নিয়ে আলোচনার দরকার আছে৷ এতে এসব সমস্যার সমাধান সহজ হবে৷ কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য এখনো এক বড় সমস্যা বলেও মনে করেন তাঁরা৷

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত নতুন এক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, সম্প্রতি গোটা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টিকারী যৌন নিপীড়নের বিষয়ে মুখ খোলার লক্ষ্যে পরিচালিত ‘মি টু’ হ্যাশট্যাগ ক্যাম্পেইনের মতো বিষয়াদি স্কুলের পাঠ্যভুক্ত করার পক্ষে রয়েছেন জার্মানিতে বসবাসরত অধিকাংশ মানুষ৷

মিউনিখের ‘আইএফও ইন্সটিটিউট’ পরিচালিত শিক্ষা জরিপ ২০১৮ অনুযায়ী, জার্মানিতে বসবাসরত অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্ক এবং তরুণ-তরুণী মনে করেন, লিঙ্গবৈষম্য এবং যৌন নির্যাতনের মতো বিষয় স্কুলের পাঠ্যভুক্ত করা উচিত৷ ‘‘৮২ শতাংশ তরুণ-তরুণী এবং ৮৬ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক স্কুলে নারী এবং পুরুষের সমানাধিকার বিষয়ে পাঠ্যদানের পক্ষে মতামত দিয়েছেন,’’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে৷ এতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ‘‘একইভাবে ৮১ শতাংশ তরুণ-তরুণী এবং ৭৮ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কও মনে করেন যে, যৌন নিগ্রহের বিষয়েও স্কুল শিক্ষার্থীদের পাঠ্যদানের বিষয়ে সচেতন করা উচিত৷’’

গবেষণায় অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে লিঙ্গ বৈষম্যের ব্যাপারটি তেমন একটা না থাকলেও কর্মক্ষেত্রে সেটি আজও রয়ে গেছে৷

আইএফও'র জরিপে অংশ নেয়াদের একটি সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ ‘মি টু’ অনুপ্রাণিত যৌন নিপীড়ন বিষয়ক সচেতনতামূলক আলোচনা স্কুলেও আয়োজনের পক্ষে৷ এই বিষয়ে সামগ্রিকভাবে নারী এবং পুরুষের অবস্থানে তেমন কোনো পার্থক্য না থাকলেও বিষয়টির গভীরতায় পার্থক্য রয়েছে৷ দেশটির ৪৫ শতাংশ নারী মনে করেন, যৌন নিপীড়ন জার্মানির একটি গুরুতর সমস্যা, তবে পুরুষদের মাত্র ৩০ শতাংশ তেমনটা মনে করেন৷

গতবছর লিঙ্গ সমতা বিষয়ক ইউরোপীয় ইন্সটিটিউটের প্রকাশ করা ব়্যাংকিংয়ে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে জার্মানির অবস্থান ছিল ১২তম৷ জার্মানিতে পুরুষ এবং নারীর বেতনের মধ্যে এখনো পার্থক্য রয়েছে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ স্থানেও নারীর সংখ্যা আনুপাতিকহারে কম৷

উল্লেখ্য, শিক্ষা সমীক্ষায় মোট অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ৪,০০০৷ সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে তাঁদের বাছাই করা হয়েছে এবং তাঁদের মতামতের ভিত্তিতে সামগ্রিক একটি চিত্র দাঁড় করানো হয়েছে৷

এআই/এসিবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন