স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করার আহ্বান | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 21.05.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করার আহ্বান

মোবাইল ফোন ব্যবহারে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয় - ব্যাপারটা নিশ্চিত করতে মাঝে মধ্যেই কিছু গবেষণার কথা শোনা যায়৷ যদিও সফলতার বিষয়ে এখনো তেমন কিছু শোনা যায় নি৷

Ein Junge tippt auf der Tastaur seines Handys eine SMS (Short Message Sevice). Aufnahme vom August 2003. Foto: Frank Kleefeldt dpa

তবে এই ধারণার উপর ভিত্তি করেই স্কুলে মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করেছে ইউরোপের একটি গোষ্ঠী৷ যার নাম ‘কাউন্সিল অব ইউরোপ'৷ ইউরোপীয় ইউনিয়ন কখনো সখনো তাদের সুপারিশ আমলে নেয়৷ কিন্তু তাই বলে তারা ইইউ'র কোনো অংশ নয়৷ ইউরোপের দেশগুলো ছাড়াও রাশিয়া, তুরস্কসহ আরও কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিত্ব করে এই কাউন্সিল অব ইউরোপ৷

তাদের খসড়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্কুলে যারা পড়াশোনা করে তাদের মস্তিষ্ক এখনো পুরোপুরি বেড়ে ওঠেনি৷ এই অবস্থায় ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক অর্থাৎ তড়িৎ-চুম্বকীয় পরিবেশে তাদের যাওয়াটা ক্ষতির কারণ হতে পারে৷ উল্লেখ্য, মোবাইল ও ওয়াই-ফাই প্রযুক্তি ব্যবহার করলে এই পরিবেশের সৃষ্টি হয়৷

কাউন্সিল বলছে এই পরিবেশে খুব বেশি থাকলে ঘুমের ব্যাঘাত হতে পারে৷ অবশ্য তারা স্বীকার করেছে যে, আসলেই বিষয়টা ক্ষতিকর কিনা সে ব্যাপারে পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক তথ্যের অভাব রয়েছে৷ তবে সতর্কতা হিসেবেই তারা এই সুপারিশ করেছেন৷ তারা বলছে, তথ্যের জন্য অপেক্ষা করা পর্যন্ত অনেক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে৷ যেমনটা হয়েছিল অ্যাসবেসটস ও তামাকের ক্ষেত্রে৷

স্কুল ছাড়াও যেসব এলাকায় তড়িৎ-চুম্বকীয় পরিবেশ রয়েছে সে জায়গাগুলো আরও বেশি করে চিহ্নিত করারও পরামর্শ দিয়েছে কাউন্সিল - যেন জনগণ সতর্ক থাকতে পারে৷

মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন জিএসএম এসোসিয়েশন এই প্রতিবেদনকে ‘অসম' ও ‘অবৈজ্ঞানিক' বলে এর সমালোচনা করেছে৷ তবে স্বাস্থ্যরক্ষা নিয়ে কাজ করে ইউরোপের এমন সংস্থাগুলো এই প্রতিবেদনের প্রশংসা করেছে৷ এরকম একটি সংস্থা ব্রিটেনের ‘পাওয়ারওয়াচ'৷ তাদের আশঙ্কা মোবাইল কোম্পানি ছাড়াও বিভিন্ন দেশের সরকারও এই প্রতিবেদনের বিরোধিতা করতে পারে৷ কারণ তারা প্রতি বছর মোবাইল কোম্পানিগুলো থেকে কর হিসেবে প্রচুর অর্থ পেয়ে থাকে৷

উল্লেখ্য, মোবাইলে কথা বলার সময় সম্ভব হলে স্পিকারে বা তারের মাধ্যমে কথা বলার পরামর্শ দেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা৷ এর উদ্দেশ্য হলো ফোন'এর সেটটাকে যথাসম্ভব মস্তিষ্ক থেকে দূরে রাখা, যেন তেজস্ক্রিয়তা ছড়াতে না পারে৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন