সৌদি রাজার সঙ্গে বাইডেনের কথা | বিশ্ব | DW | 26.02.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অ্যামেরিকা

সৌদি রাজার সঙ্গে বাইডেনের কথা

সৌদি রাজার সঙ্গে মানবাধিকার এবং আইনের শাসন নিয়ে কথা বললেন জো বাইডেন। 

সৌদি রাজা সালমানের সঙ্গে ফোনে দীর্ঘ কথা হলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের। মার্কিন প্রশাসন বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, তাঁদের মধ্যে একাধিক বিষয়ে কথা হয়েছে। তবে বাইডেন রাজাকে জানিয়েছেন, অ্যামেরিকা আইনের শাসন এবং মানবাধিকারকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়। মনে করা হচ্ছে, সাংবাদিক জামাল খাসোগির খুনের পরিপ্রেক্ষিতেই বাইডেন এ কথা বলেছেন বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা।

ডনাল্ড ট্রাম্পের আমলে সৌদি আরবের সঙ্গে অ্যামেরিকার সম্পর্কের অত্যন্ত উন্নতি হয়েছিল। ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সৌদির সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্কও উন্নত হচ্ছিল বলে বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য। সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবারের আলোচনায় সৌদি রাজা সে বিষয়ে বাইডেনকে জানিয়েছেন। বাইডেন তাঁকে বলেছেন, তিনিও সৌদির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখতে চান। কিন্তু মানবাধিকারের বিষয়ে তিনি আপস করবেন না বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছেন বাইডেন।

সাংবাদিক জামাল খাশগজি নিয়ে একটি মার্কিন রিপোর্ট পড়েছেন বাইডেন। রিপোর্টটি এখনো প্রকাশিত হয়নি। সেখানে সাংবাদিকের হত্যার পিছনে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের হাত আছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে ইস্তানবুলে সৌদি দূতাবাসে সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছিল। সৌদি যুবরাজের নির্দেশেই এই ঘটনা ঘটে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। কিন্তু স্বাভাবিক ভাবেই সৌদি প্রশাসন তা অস্বীকার করে।

পরে সৌদি আরব জানায়, কয়েকজন এজেন্ট এ কাজ করেছে। সম্প্রতি ওই হত্যায় জড়িত অভিযোগে পাঁচজনকে ২০ বছরের সাজাও দিয়েছে সৌদি আদালত।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, মানবাধিকার এবং আইনের শাসনের কথা বলে বাইডেন রাজা সালমানকে ওই ঘটনার কথাই মনে করিয়ে দিতে চেয়েছেন। যদিও সাংবাদিক জামালের নাম নেননি বাইডেন। তবে সম্প্রতি সৌদি যে একাধিক মার্কিন মানবাধিকার কর্মীকে তাদের জেল থেকে মুক্তি দিয়েছে, সে বিষয়ে সালমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাইডেন। এক নারী মানবাধিকার কর্মীকে মুক্তি দেওয়া নিয়েও তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

পাশাপাশি দুই দেশের দীর্ঘ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। আগামী দিনেও তা যাতে বজায় থাকে, তা সুনিশ্চিত করা হবে বলে দুই রাষ্ট্রপ্রধানই আশ্বাস দিয়েছেন।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি, এএফপি)