সৌদি আরবে নির্যাতন, শতাধিক রিক্রুটিং এজেন্সি বন্ধ করেছে সরকার | বিশ্ব | DW | 04.12.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

সৌদি আরবে নির্যাতন, শতাধিক রিক্রুটিং এজেন্সি বন্ধ করেছে সরকার

সৌদি আরব থেকে অনেক বাংলাদেশি নারী শ্রমিক নির্যাতিত হয়ে ফিরেছেন৷ এসব অভিযোগের মুখে এবার ১৬৬টি রিক্রুটিং এজেন্সি বন্ধ করেছে বাংলাদেশ সরকার৷

সরকারের মুখপাত্র মনিরুস সালেহীন বুধবার এএফপিকে বলেন, অভিবাসী  শ্রমিকদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ এজেন্সিগুলো বন্ধ করা হয়েছে৷ তাঁদের কেউ কেউ অভিযোগ করার পরও শ্রমিকদের নিয়োগকর্তার কাছে ফেরত যেতে বাধ্য করেছে৷ তিনি বলেন, ‘‘আমাদের এ ব্যবস্থা গ্রহণ চলবে৷’’

সম্প্রতি সৌদি  আরবে, বিশেষ করে গৃহকর্মে নিযুক্ত নারী শ্রমিকদের নির্যাতনের নানা অভিযোগ নিয়ে বাংলাদেশে রীতিমতো সমালোচনার ঝড় উঠেছে৷

বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ১৯৯১ সাল থেকে দেশটির নারীরা সৌদি আরবসহ বিশ্বের নানা দেশে শ্রমিক হিসেবে যাওয়া শুরু করেন৷ কিন্তু নারী শ্রমিক পাঠানোর বিষয়ে কোনো দেশের সরকারের সঙ্গে চুক্তি না থাকায় বাংলাদেশে পুরো প্রক্রিয়াটি দালালদের নিয়ন্ত্রণে ছিল৷

২০১৫ সালে বাংলাদেশ চুক্তির ভিত্তিতে সৌদি আরবে গৃহকর্মের জন্য নারী শ্রমিক পাঠানো শুরু করে৷ গত পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে প্রায় দুই লাখ নারী গৃহকর্মী হিসেবে সৌদি আরব গেছেন৷ বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতেই সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি নারী শ্রমিক কাজ করছেন৷

কিন্তু গত কয়েক মাসে ওই শ্রমিকদের বড় একটি অংশ দেশে চলে আসেন এবং নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনসহ নানা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করেন৷

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ সংক্রান্ত কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে৷ সেখানে দু-একজনের শরীরে নির্যাতনের চিহ্নও দেখা যায়৷

গৃহকর্মী নির্যাতন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গহণের জন্য রিয়াদে উভয় দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হয়েছে৷ বৈঠকে নারী শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি অনলাইন ডেটাবেজ তৈরি করে সেখানে নিয়মিত তথ্য প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের শ্রমকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা৷

সৌদি পুলিশও নির্যাতনথেকে বাঁচতে পালিয়ে যাওয়া নারীদের নিয়োগকর্তার হাতে তুলে না দিতে রাজি হয়েছেন বলেও জানান তারা৷

এছাড়া সৌদি নিরাপত্তা ও সহযোগিতা অধিদপ্তর ‘বিপদে পড়া নারী শ্রমিকদের উদ্ধারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণে আশ্বাস দিয়েছে’ বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের শ্রমকল্যাণ মন্ত্রণালয়৷

এসএসএল/এসিবি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়