সোমালিয়ায় বহুগামিতার অপরাধে শাস্তি পেলেন যিনি | বিশ্ব | DW | 10.05.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সোমালিয়া

সোমালিয়ায় বহুগামিতার অপরাধে শাস্তি পেলেন যিনি

১১ জনকে বিয়ে করেছিলেন সোমালীয় এক নারী৷ বহুগামিতার অভিযোগে তাঁকে পাথর ছুঁড়ে মেরে ফেলেছে আল-শাবাব ইসলামিক জঙ্গি গোষ্ঠী৷

সোমালিয়ার লোয়ার শ্যাবেলে এলাকার সাবলালে জেলা৷ এখানকার বাসিন্দা ৩০ বছরের শুকরি আবদুল্লাহি৷ অভিযোগ, তিনি একের পর এক ১১ জন পুরুষকে বিয়ে করেছেন৷ অথচ কারও সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটাননি৷ বহুগামিতার দায়ে তাঁর বিচার হয় সাবলালের একটি আদালতে৷ জঙ্গিদের দ্বারা পরিচালিত এই আদালতে মহিলা নিজের দোষ কবুল করেন বলে দাবি আল-শাবাবের নিজস্ব বেতার সংস্থা আন্দালুস-এর৷ মহিলার স্বীকারোক্তির কথা জানিয়েছেন আদালতের স্বঘোষিত বিচারক৷

 

এই আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেয়৷ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, একটি জনবহুল এলাকায় মহিলাকে গলা পর্যন্ত পুঁতে দেওয়া হয়৷ তারপর তাঁকে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়ে মুখোশধারী আল-শাবাব জঙ্গিরা৷

আল-শাবাব সোমালিয়ায় ইসলামিক শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায়৷ তাদের লক্ষ্য কঠোর ইসলামি আইন কার্যকর করা৷ এই জঙ্গি গোষ্ঠী আল-কায়েদার সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্কের অধীনে কাজ করে৷ আল-শাবাবের আদালতে নামেই বিচার হয়৷ আদতে সেখানে অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয় না৷

গুপ্তচর সন্দেহে বা ব্যভিচারের গন্ধ পেলেই জঙ্গিরা পাথর ছুঁড়ে মানুষ মারে৷ পুরুষ ও নারী – উভয়েই এই পাথরের মুখে পড়ে প্রাণ হারায়৷ সোমালিয়ায় বহুগামিতা আদতে পুরুষদের মধ্যে বেশি দেখা যায়৷ পুরুষরা একসঙ্গে চারটি স্ত্রী রাখতে পারে৷ কোনো কোনো ক্ষেত্রে মহিলারা আগের স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ না ঘটিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন৷ তবে অতি দরিদ্র এই দেশে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিয়ের নেপথ্যে থাকে অর্থনৈতিক কারণ৷

পিএস/ডিজি

নির্বাচিত প্রতিবেদন