1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান
রাশিয়া
ছবি: Vyacheslav Prokofyev/TASS/dpa/picture alliance
সমাজরাশিয়া

সেনায় যোগ দেওয়ার ডাক পুটিনের

২২ সেপ্টেম্বর ২০২২

তিন লাখ মানুষকে সেনাবাহিনীতে ঢোকানো হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তবে জনগণের মধ্যে ভয়ের সঞ্চার হয়েছে।

https://p.dw.com/p/4HB4X

বুধবার টেলিভিশনে রাশিয়ার জনগণের কাছে খোলা আবেদন জানিয়েছেন দেশের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন। তিনি বলেছেন, চলতি সংকটে সেনাবাহিনীতে লোকের প্রয়োজন। সেনায় যোগ দিয়ে তারা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে অভিযানে অংশ নিতে পারবেন। তবে একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, সকলের জন্য এই আবেদন নয়। সাবেক সেনা জওয়ান এবং সেনার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাই কেবল বাহিনীতে যোগ দিতে পারবেন। 

পুটিন একাধিকবার একথা বললেও রাশিয়ার জনগণের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। টেলিগ্রামের বিভিন্ন গ্রুপে এবিষয়ে নিয়মিত আলোচনা হচ্ছে। যেখানে বলা হচ্ছে, মস্কো স্টেশনের বাইরে পুলিশ কাগজ হাতে দাঁড়িয়ে আছে। তরুণ এবং যুবকদের সেনায় অংশ নিতে বাধ্য করা হচ্ছে। সেন্টপিটার্সবার্গ স্টেশনের বাইরে হাতে কাগজ সমেত কিছু মানুষের ছবি পোস্ট করা হয়েছে। তারা সেনায় অংশ নেওয়ার জন্য বেসামরিক ব্যক্তিদের বাধ্য করছে বলে অভিযোগ। যদিও এই কোনো অভিযোগই ডিডাব্লিউ যাচাই করতে পারেনি। 

তবে একথা স্পষ্ট যে, সাধারণ মানুষের মনে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বুধবার পুটিনের ঘোষণার পর আশঙ্কা আরো বেড়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। বস্তুত, বিভিন্ন স্তরে রাশিয়ার সেনা বাহিনীতে নিয়োগ হচ্ছে। বেসরকারি মিলিটারি গোষ্ঠীও সেনায় লোক পাঠাচ্ছে বলে অভিযোগ। এর আগে জেল থেকে বহু অপরাধীকে বাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছিল। 

ইউক্রেনএকাধিকবার দাবি করেছে, যুদ্ধে বিপুল পরিমাণ রাশিয়ার সেনা নিহত হয়েছে। কিন্তু রাশিয়া এখনো পর্যন্ত এবিষয়ে স্পষ্ট কোনো বিবৃতি দেয়নি। তবে বুধবার পুটিনের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, রাশিয়ার বাহিনীতে সেনার অভাব শুরু হয়েছে। তবে পুটিন তার বক্তৃতায় একাধিকবার জানিয়েছেন, ছাত্র, বেসামরিক ব্যক্তিদের তিনি বাহিনীতে যোগ দিতে বলছেন না। পুটিনের বক্তব্য, গোটা পশ্চিমা দুনিয়া রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছে। এই পরিস্থিতিতে দেশকে রক্ষা করা আশু কর্তব্য।

তবে বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, ইউক্রেনে রাশিয়া জমি হারাতে শুরু করেছে। রাশিয়ার দখল করে নেওয়া বহু এলাকা ইউক্রেন পুনর্দখল করতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার সেনা জওয়ান প্রয়োজন। এবং সে কারণেই পুটিনের এই বিবৃতি। এবং যে কোনো সময় এর বয়ান বদলে যেতে পারে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আর সেটাই আশঙ্কা।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি, এএফপি)

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

প্রতীকী ছবি

আয়করে অনীহার যত কারণ

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

প্রথম পাতায় যান