সু চি, সাবেক প্রেসিডেন্টের চার বছরের জেল | বিশ্ব | DW | 06.12.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

মিয়ানমার

সু চি, সাবেক প্রেসিডেন্টের চার বছরের জেল

মিয়ানমারের অং সান সু চি ও সাবেক প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টকে সোমবার চার বছরের জেল দেয়া হয়েছে৷ তবে এখনই তাদের জেলে নেয়া হচ্ছে না বলে এএফপিকে জানিয়েছেন সামরিক জান্তার মুখপাত্র জ মিন তুন৷

গত ফেব্রুয়ারিতে অভ্যুত্থানর মাধ্যমে মিয়ানমারের ক্ষমতা নেয় সামরিক বাহিনী৷ এরপর অভ্যুত্থানের সমালোচনা করে বিবৃতি দিয়েছিল সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি এনএলডি৷ সেই বিবৃতিকে ভিত্তি করে করা মামলার বিচারে সু চি ও উইন মিন্টকে দুই বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়৷

আর করোনার নিয়ম ভঙ্গ করার জন্য আরো দুই বছর করে কারাদণ্ড পান তারা৷ গতবছর আয়োজিত নির্বাচনের সময় (যেটাতে এনএলডি নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছিল) ঐ দুইজন করোনার নিয়ম ভাঙেন বলে অভিযোগ করা হয়েছিল৷

তবে এখন তাদের জেলে প্রেরণ করা হবে না বলে জানিয়েছেন সামরিক জান্তার মুখপাত্র জ মিন তুন৷ তিনি বলেন, ঐ দুই নেতার বিরুদ্ধে আরো মামলা চলছে৷ সেগুলো যতদিন চলবে ততদিন তারা এখন যেখানে আছেন সেখানেই থাকবেন৷ সু চি ও উইন মিন্টকে আটকের পর রাজধানী নেপিদোতে রাখা হয়েছে৷

সু চির বিরুদ্ধে আরো যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তার মধ্যে আছে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট লঙ্ঘন করা, দুর্নীতি, নির্বাচনের কারচুপি ইত্যাদি৷ এসব মামলার রায় হলে সু চিকে কয়েক দশকের জন্য কারাগারে যেতে হতে পারে৷

নেপিদোতে স্থাপিত বিশেষ আদালতে বিচার চলছে৷ সাংবাদিকদের সেখানে যেতে দেয়া হয় না৷ এছাড়া সু চির আইনজীবীদেরও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার উপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে৷

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রধান জোসেপ বরেল এই রায়ের কড়া সমালোচনা করেছেন৷ তিনি একে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ রায় বলে মন্তব্য করেন৷

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার মিশেল বাচেলেটও রায়ের কড়া সমালোচনা করেছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘রাজনৈতিক বিরোধীদের সরাতে সামরিক বাহিনী আদালতকে ব্যবহার করছে৷’’

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস বলেন, ‘‘সু চির বিরুদ্ধে রায় বিরোধীদের কণ্ঠরোধ এবং বাকস্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে চাপিয়ে রাখতে মিয়ানমারের সামরিক শাসকের আরেকটি ভয়াবহ চেষ্টা৷’’

জেডএইচ/এসিবি (এএফপি)