সু চি’র বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা হতে পারে | বিশ্ব | DW | 20.03.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

রোহিঙ্গা সংকট

সু চি’র বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা হতে পারে

অস্ট্রেলিয়ার চার আইনজীবী মেলবোর্নের একটি আদালতে এ সংক্রান্ত আবেদন দাখিল করেছেন৷ এ ব্যাপারে চলতি সপ্তাহে সিদ্ধান্ত জানা যেতে পারে৷ রোহিঙ্গা নির্যাতনের ঘটনায় সু চির বিরুদ্ধে তাঁরা মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনতে চান৷

‘ইউনিভার্সাল জুরিসডিকশন'-এর আওতায় সু চি'র বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনতে আগ্রহী ঐ আইনজীবীরা৷ অস্ট্রেলিয়া ইউনিভার্সাল জুরিসডিকশন নীতির অনুমোদন দিয়েছে৷ এই নীতি বলছে, দেশের ভেতর অপরাধের ঘটনা না ঘটলেও সেই অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করা যেতে পারে৷ যেমন গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ইত্যাদি ক্ষেত্রে যে কোনো দেশের নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা করা সম্ভব৷ অস্ট্রেলিয়া যেহেতু ইউনিভার্সাল জুরিসডিকশনের অনুমোদন দিয়েছে, তাই রোহিঙ্গা নির্যাতনের ঘটনা সে দেশে না ঘটলেও সু চি'র বিরুদ্ধে মামলা করার সুযোগ রয়েছে৷ তবে বিচারকাজ শুরুর জন্য দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেলের অনুমতি পেতে হবে৷ সেই অনুমতি পাওয়া যাবে কিনা তা এই সপ্তাহে জানা যেতে পারে৷

মামলার আবেদনে ঐ চার আইনজীবী বলেছেন, ‘‘অভিযোগ আছে, সু চি তাঁর ক্ষমতা প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয়েছেন৷ এভাবে সু চি রোহিঙ্গাদের ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য করাতে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীকে অনুমতি দিয়েছেন৷''

অস্ট্রেলিয়া-আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে সু চি'র অস্ট্রেলিয়া সফরকে ঘিরে এই উদ্যোগ নিয়েছেন ঐ আইনজীবীরা৷ শনি ও রবিবার ঐ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ সেই সময় সু চি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আসিয়ান ও অস্ট্রেলিয়ার নেতৃবৃন্দের সহায়তা চান বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল৷

‘মিয়ানমার সবচেয়ে খারাপ'

গত ছয় মাসে ত্রাণ বিতরণ পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে এমন দেশের তালিকায় সবার উপরে আছে মিয়ানমার৷ জেনেভাভিত্তিক গবেষণা সংস্থা এসিএপিএস ৩৭টি দেশের উপর গবেষণা করে এই তথ্য জানিয়েছে৷ ত্রাণকর্মীদের উপর হামলা, ত্রাণ নিতে আসা মানুষকে বাধা দেয়াসহ নয়টি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এই তালিকা প্রকাশ করেছে এসিএপিএস৷ এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, ‘‘মিয়ানমারে ত্রাণ প্রবেশের পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় পৌঁছেছে৷ রোহিঙ্গাদের কাছে ত্রাণ পৌঁছানোর বিষয়টি খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে৷''

জেডএইচ/এসিবি (গার্ডিয়ান, থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশন, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন