সু চিকে দেয়া নাগরিকত্ব বাতিলে একমত ক্যানাডার সাংসদরা | বিশ্ব | DW | 28.09.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

রোহিঙ্গা সংকট

সু চিকে দেয়া নাগরিকত্ব বাতিলে একমত ক্যানাডার সাংসদরা

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত মিয়ানমার নিরাপত্তা বাহিনীর নৃশংস অভিযানের সমালোচনা করতে ব্যর্থ হওয়ায় অং সান সু চিকে দেয়া সম্মানজনক নাগরিকত্ব বাতিলের বিল ক্যানাডার সংসদে সর্বসম্মতভাবে পাস হয়েছে৷

এর আগে গত সপ্তাহে পাস হওয়া আরেক বিলে রোহিঙ্গা সংকটকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেন ক্যানাডার সাংসদরা৷

মিয়ানমারে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে অবদান রাখায় ২০০৭ সালে সু চিকে নাগরিকত্ব দিয়েছিল ক্যানাডা৷

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস সচিব অ্যাডাম অস্টেন বলেন, ‘‘রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যার সমালোচনা করতে ব্যর্থ হওয়ায় যে বিল আনা হয়েছে, তার প্রতি সরকার সমর্থন জানিয়েছে৷ কারণ দেশটির সামরিক বাহিনী এই অপরাধের জন্য দায়ী এবং তিনি (সু চি) সেই বাহিনীর সঙ্গে মিলেই ক্ষমতায় আছেন৷’’

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বক্তব্য দিয়েছেন৷ এই সময় তিনি রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মৌখিকভাবে করা অঙ্গীকার পূরণে মিয়ানমার ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন৷

ভিডিও দেখুন 00:42

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

রোহিঙ্গা নিপীড়ন বিষয়ে জাতিসংঘের তদন্ত দল যে প্রতিবেদন দিয়েছে তার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়টি গণহত্যা ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের সমতুল্য বলে মন্তব্য করেন৷

শিগগিরই রোহিঙ্গা সমস্যার একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানেরও আহ্বান জানান তিনি৷

এদিকে, জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ বৃহস্পতিবার একটি কমিটি গঠনের পক্ষে ভোট দিয়েছে৷ এই কমিটি মিয়ানমারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের পক্ষে প্রমাণ সংগ্রহ করবে৷ রাখাইনে সম্ভাব্য গণহত্যার বিষয়টিও খতিয়ে দেখবে ঐ কমিটি৷

চীনের বক্তব্য

চীনের বর্তমান স্টেট কাউন্সিলর ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং লি বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এবং মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর কার্যালয়ের মন্ত্রী কিয়াও টিন্ট সোয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন৷

এরপর চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে৷ এতে ওয়াং বলেন, ‘‘রাখাইন রাজ্যের বিষয়টি মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যকার একটি বিষয়৷ একে জটিল করে তোলা, এর পরিধি বাড়ানো এবং একে বৈশ্বিক ইস্যু বানানোর বিষয়টি চীন সমর্থন করে না৷’’

বাংলাদেশ ও মিয়ানমার নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সমস্যার একটা সমাধান খুঁজে বের করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি৷

জেডএইচ/ডিজি (ডিপিএ, রয়টার্স, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন