সুদানে ধর্মত্যাগের শাস্তি বাতিল | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 23.07.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সুদান

সুদানে ধর্মত্যাগের শাস্তি বাতিল

একই সঙ্গে অমুসলিমদের জন্য মদ্যপানে নিষেধাজ্ঞাও তুলে নিয়েছে দেশটি, নিষিদ্ধ করা হয়েছে নারীর যৌনাঙ্গচ্ছেদ৷ চার দশক ধরে কট্টর ইসলামি আইনে ইসলামত্যাগের শাস্তি ছিল মৃত্যুদণ্ড৷

দেশটির বিচারমন্ত্রী নাসরেদ্দীন আব্দুলবারি জানিয়েছেন, শিগগিরই এই আইন দেশটিতে কার্যকর হবে৷

তিন দশকের শাসন শেষের বছরখানেক আগে তীব্র গণবিক্ষোভের মুখে পতন ঘটে ইসলামপন্থি স্বৈরশাসক ওমর আল-বশিরের৷ এরপর থেকে দেশটির নানা আইন ও বিচারব্যবস্থায় পরিবর্তন আসছে৷

তবে অমুসলিমদের মদ্যপানের অনুমতি দেয়া হলেও শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে৷ তারা প্রকাশ্যে মদ পান করতে পারবেন না এবং জনগণের শান্তি বিঘ্নিত হয় এমন কিছু করতে পারবেন না৷

১৯৮৩ সালে সুদানে ইসলামি আইন চালু করেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জাফর নিমেইরি৷ রাজধানী খার্তুমের পাশে নীল নদের জলে মদের বোতল ছুঁড়ে ফেলেন তিনি৷ ইসলামে মদ্যপান নিষিদ্ধ৷ কিন্তু মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও সুদানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীও বাস করেন৷

সংস্কার চলছে

বিচারমন্ত্রী জানিয়েছেন,ধর্মত্যাগকে এতদিন অপরাধ হিসেবে দেখা হলেও সে আইনে পরিবর্তন আসছে৷ একই সঙ্গে নারীর যৌনাঙ্গচ্ছেদকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে আইনে৷ ইউনিসেফের ২০১৪ সালের এক প্রতিবেদন বলছে, সুদানে ৮৫ শতাংশেরও বেশি নারীর যৌনাঙ্গচ্ছেদ করা হয়৷

এখন থেকে সন্তানদের নিয়ে কোথাও ভ্রমণ করতে হলে নারীদের আর পরিবারের কোনো পুরুষ সদস্যের অনুমতি নিতে হবে না৷

বিচারমন্ত্রী আব্দুলবারি বলেন, ‘‘কোনো ব্যক্তি বা গ্রুপকে ‘বিধর্মী' বা ‘অবিশ্বাসী’ বলার অধিকার কারো নেই৷ এর ফলে সমাজের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়, প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগ তৈরি হয়৷ ওমর আল-বশিরের ক্ষমতাচ্যূতির পর সুদানে বর্তমানে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রয়েছে৷’’

আন্দোলনকারী ও সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে গঠন করা এ সরকার শুরু থেকেই বেশ কিছু সংস্কার কাজ হাতে নিয়েছে৷

তিন বছরের জন্য গ্রহণ করা সংবিধানে রাষ্ট্রের অন্যতম মূলনীতি হিসেবে ‘ইসলাম’ কথাটিও বাদ দেয়া হয়েছে৷ এ মাসের শুরুতে জনগণের কাছে আরো ক্ষমতা দেয়ার দাবিতে আবার রাজপথে নামেন হাজার হাজার আন্দোলনকারী৷ এরপর আরো বড় বড় সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল দেশটির সরকার৷

এডিকে/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি)

২০১৯ সালের জুলাইর ছবিঘর দেখুন...

নির্বাচিত প্রতিবেদন