সুইডেনে শুরু ইয়েমেনের শান্তি আলোচনা | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 06.12.2018

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইয়েমেন

সুইডেনে শুরু ইয়েমেনের শান্তি আলোচনা

জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে সুইডেনে৷ ২০১৬ সালে শেষবার জাতিসংঘ দুই পক্ষকে আলোচনায় বসিয়েছিল৷

বৃহস্পতিবার সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমের উত্তরে রিমবো নামের শহরে বিবাদী দুই পক্ষের এই শান্তি আলোচনা শুরু হয়৷ চার বছরেরও বেশি সময় ধরে সংঘাত চলছে ইয়েমেনে৷ দুই পক্ষের সংঘাতে দেশটি এখন যুদ্ধবিধ্বস্ত এবং দুর্ভিক্ষের মুখে পড়েছে৷

ইয়েমেন সরকারের প্রতিনিধিরা জাতিসংঘের বিশেষ দূত মার্টিন গ্রিফিথস ও হুতি বিদ্রোহীদের প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নিয়েছেন৷

২০১৪ সালের শেষ থেকে হুতি বিদ্রোহীরা রাজধানী সানা দখল করে নেয়৷ সেই থেকে সংঘর্ষ-সংঘাতের মাত্রা দিন দিন বাড়তে থাকে৷ এর আগে ২০১৫ ও ২০১৬ সালে মুখোমুখি বসেছিল দুই পক্ষ৷ কিন্তু আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি৷ এবারও সেপ্টেম্বরে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় শান্তি আলোচনা আয়োজনের চেষ্টা করেন গ্রিফিথস৷ কিন্তু বিদ্রোহীরা সেখানে উপস্থিত হতে পারেননি৷

‘‘অনেক ব্যর্থ চেষ্টার পর দুই পক্ষকে এক জায়গায় আনা গেছে এবং ইয়েমেনের শান্তি আলোচনা আবার শুরু করা গেছে,'' বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত একটি মন্তব্য প্রতিবেদনে লেখেন গ্রিফিথস৷

তিনি বলেন যে, আলোচনায় তাঁর চেষ্টা থাকবে যে, দুই পক্ষ যেন পশ্চিমের হোদেইদা শহর ও এর বন্দরকে সংঘাতের হাত থেকে ‘ছাড় দেয়' এবং স্বাভাবিকভাবে এর কার্যক্রম চলতে দেয়৷

ইযেমেনের সৌদি সমর্থিত সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালেদ আল-ইয়ামানি বলেন, তাঁদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, বিদ্রোহীরা পশ্চিম উপকূল থেকে সরে যাবে এবং বন্দরটি সরকারের কাছে হস্তান্তর করবে৷

গত মাসে গ্রিফিথস বলেছিলেন যে, হুতি বিদ্রোহীরা বন্দরটি ছেড়ে দেয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন৷ গত জুনে এই বন্দর উদ্ধারে সৌদি নেতৃত্বাধীন কোয়ালিশন ফোর্স ব্যাপক অভিযান চালায়৷ এ বন্দর দিয়ে ইয়েমেনের ৮০ ভাগ পণ্য আমদানি করা হয়৷

২০১৫ সালের মার্চ থেকে ইরান সমর্থিত এই বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি নেতৃত্বাধীন কোয়ালিশন ফোর্স যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে৷ এই কোয়ালিশনের হামলায় শিশুসহ অসংখ্য বেসামরিক জনগণ মারা যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে সমালোচনাও হয়েছে অনেক৷

সুইডেনের আলোচনায় বন্দর ছাড়াও যে বিষয়গুলো থাকছে, সেগুলো হলো, রাজধানী সানা'র বিমানবন্দর ও দক্ষিণ-পশ্চিমের শহর তায়েজ বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করা এবং বন্দি বিনিময়৷

জেডএ/এসিবি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়