সীমান্ত নিয়ে ফের সংঘাতে ভারত-নেপাল | বিশ্ব | DW | 18.01.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

সীমান্ত নিয়ে ফের সংঘাতে ভারত-নেপাল

উত্তরাখণ্ডে নতুন রাস্তা তৈরির কথা বলেছেন মোদী। ওই অঞ্চল তাদের ভূখণ্ড বলে পাল্টা তোপ নেপালের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর। শুরু বিতর্ক।

কিছুদিনের মধ্যেই উত্তরাখণ্ডে নির্বাচন। এই রাজ্যের সঙ্গে নেপালের বেশ খানিকটা সীমান্ত আছে। ভোটপ্রচারে গিয়ে সেই সীমান্ত নিয়েই নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দাবি করেছেন, লিপুলেখ পাস পর্যন্ত ভারত যে রাস্তা তৈরি করেছে, তা আরো বাড়ানো হবে। আর তাতেই নতুন করে সংঘাতে নেমেছে নেপাল। নেপালের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জ্ঞানেন্দ্র বাহাদুর কারকি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, যে জায়গায় মোদী রাস্তা তৈরির কথা বলছেন, তা নেপালের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কোনোভাবেই সেখানে ভারতকে রাস্তা তৈরি করতে দেওয়া হবে না।

নরেন্দ্র মোদী

নরেন্দ্র মোদী, ভারতের প্রধানমন্ত্রী

বিতর্ক নতুন নয়। এর আগে নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলির সঙ্গে তীব্র বিতর্ক হয়েছিল ভারতের। ওলির নেতৃত্বে নেপাল পার্লামেন্টে নতুন মানচিত্র পাশ হয়েছিল। যেখানে সীমান্তের বেশ কিছু বিতর্কিত অংশ নেপালের বলে দাবি করা হয়েছিল। লিপুলেখ পাস অঞ্চলে কালাপানি পূর্ব পর্যন্ত নেপালের অংশ বলে দেখানো হয়েছিল। লিপুলেখ পাসও নেপালের বলে দাবি করা হয়েছিল। ভারত এরমধ্যেই সেই পর্যন্ত রাস্তা তৈরি করে ফেলেছে। এবার সেই রাস্তার সম্প্রসারণ হবে বলে মোদী জানিয়েছেন।

নিজেদের মতামত স্পষ্ট করলেও এখনো পর্যন্ত নেপাল এবিষয়ে সরকারিভাবে ভারতকে কিছু জানায়নি। তবে বিতর্ক বাড়লে সমস্যা বাড়বে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কে পি ওলির সময়ে লিপুলেখ পাসটিকেও নেপালের অংশ বলে দাবি করা হয়েছিল। ভারত তার তীব্র বিরোধিতা করেছিল। নেপালের নতুন মানচিত্র ভারত মানে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সাম্প্রতিক বিতর্কেও লিপুলেখ পাস নেপাল তাদের ভূখণ্ড বলে দাবি করছে।

নেপালের প্রধানমন্ত্রী

শের বাহাদুর দেউবা, নেপালের প্রধানমন্ত্রী

এবিষয়ে সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডুতে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। তিনি জানিয়েছেন, আলোচনার মাধ্যমের সমস্যার সমাধান হবে। বস্তুত, নেপালও জানিয়েছে এবিষয়ে তারা আলোচনার টেবিলে বসতে রাজি। সংঘাতে তারা যেতে চায় না।

কিছুদিনের মধ্যেই নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য গুজরাতে ভাইব্রেন্ট গুজরাত সামিট। সেখানে বিশেষ অতিথি নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা। কোভিডের জন্য অনুষ্ঠানটি বাতিল হয়ে না গেলে দেউবার রেড কার্পেট পাওয়ার কথা। অনুষ্ঠান হলে নেপালের প্রধানমন্ত্রী আদৌ তাতে যোগ দেন কি না, তার দিকে তাকিয়ে আছেন কূটনীতিবিদেরা। তাদের বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী এলে নেপাল আপস মীমাংসার বার্তা দেবে, না এলে সংঘাতে পথ খোলা রাখবে।

এসজি/জিএইচ (পিটিআই, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস)