সীমান্তে যৌথ বাহিনী গঠন করছে ইরান ও পাকিস্তান | বিশ্ব | DW | 23.04.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইরান-পাকিস্তান

সীমান্তে যৌথ বাহিনী গঠন করছে ইরান ও পাকিস্তান

সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী গঠনে একমত হয়েছে ইরান ও পাকিস্তান৷ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের তেহরান সফরে প্রেসিডেন্ট রুহানির সঙ্গে বৈঠক শেষে এই ঘোষণা আসে৷

সন্ত্রাসবাদবিরোধী লড়াইয়েও এক সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে দেশ দুটি৷

দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শেষে গত সোমবার ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেন, ‘‘সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করাতে আমরা যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি৷ পাশাপাশি, সীমান্তে সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রম ঠেকাতে যৌথভাবে একটি ‘কুইক রিয়েকশন ফোর্স' গঠনের বিষয়েও একমত হয়েছি৷''

দু'নেতার এ দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় সন্ত্রাসবাদ নিরসনে নিজ নিজ দেশের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলা হয়৷ আলোচনা শেষে ইমরান খান বলেন, ‘‘প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে আমাদের একে অপরের উপর যথেষ্ট আস্থা রয়েছে৷ সন্ত্রাসীরা যেন এক দেশের ভূমি ব্যবহার করে অন্য দেশে হামলা চালাতে না পারে সে ব্যাপারে দু' দেশই সতর্ক থাকব৷''

ইমরান খান এ সময় জানান, দু'দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধান এ বিষয়ে আলোচনায় বসবেন এবং যৌথ পদক্ষেপের মাধ্যমে কিভাবে নিরাপত্তা জোরদার করা যায়, সে সিদ্ধান্ত নেবেন৷ 

সীমান্তে অস্থিরতা

এশিয়ার প্রতিবেশী এ দেশ দুটির প্রায় এক হাজার কিলোমিটার যৌথ সীমান্ত রয়েছে৷ গত কয়েক মাসে এ সীমান্তে বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনা ঘটেছে৷ ঘটনাগুলোর জন্য পরস্পরকে দোষারোপ করছে দেশ দুটি৷ গত ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তানের বালুচিস্তান সীমান্তের নিকটবর্তী এলাকায় সন্ত্রাসীদের হামলায় ইরানের এলিট রেভ্যুলেশনারি গার্ড-এর ২৭ সদস্য নিহত হয়৷  এ ঘটনায় পাকিস্তানকে ইঙ্গিত করে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, পাকিস্তানের উচিত সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা৷ এদিকে গত সপ্তাহে বালুচিস্তানে এক সন্ত্রাসী হামলায় পাকিস্তান নৌবাহিনীর ও কোস্টগার্ডের সদস্যসহ ১৪ জন নিহত হয়৷ হামলার সাথে জড়িত সন্ত্রাসীরা ইরান থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বলে দাবি করে ইসলামাবাদ৷

নতুন বাণিজ্য

ইমরানের এ তেহরান সফর দু'দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে ইরানের প্রেসিডেন্ট রুহানি বলেন, ইরান-পাকিস্তান কূটনৈতিক সম্পর্কে তৃতীয় কোনো দেশ ‘চিড়' ধরাতে পারবে না৷ ইরানের উপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে পরোক্ষ ইঙ্গিত করে রুহানি বলেন, চলমান পরিস্থিতিতে এ অঞ্চলের দেশগুলোকে নিজেদের স্বার্থে বিভিন্ন বিষয়ে ‘সরাসরি ও স্বাধীন' সিদ্ধান্ত নিতে হবে৷ পাকিস্তানের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে ইরান সবসময় প্রস্তুত উল্লেখ করে রুহানি বলেন, প্রয়োজন হলে বিদ্যুত সরবরাহ অন্তত দশগুণ বাড়াতে পারে তাঁর দেশ৷ এ সময় তিনি দেশ দুটির সমুদ্র বন্দরগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ও পাকিস্তানে রেলপথ নির্মাণে সহযোগিতার কথাও বলেন৷ 

আরআর/এসিবি (এএফপি, রয়টার্স)  

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন