‘সিরীয়দের দেশে ফেরত পাঠানো নিরাপদ নয়′ | বিশ্ব | DW | 20.11.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

‘সিরীয়দের দেশে ফেরত পাঠানো নিরাপদ নয়'

জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক গোপন প্রতিবেদন বলছে, সিরিয়ায় মানুষ ফেরত পাঠানো এখনো নিরাপদ নয়৷ এদিকে, সিরীয়দের প্রত্যাবর্তন স্থগিত থাকার মেয়াদ ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে৷

এইমেয়াদ আরো বাড়ানো হবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা করতে জার্মানির সব রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের চলতি মাসের শেষদিকে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে৷ সব রাজ্য যদি সময় বাড়াতে একমত হয় তাহলেই সেটি কার্যকর হবে৷

জার্মানির চার গণমাধ্যম - স্যুডডয়চে সাইটুং, রিডাকসিয়ুনসনেৎসভ্যার্ক ডয়েচলান্ড, এনডিআর ও ডাব্লিউডিআর - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনটি দেখেছে৷

প্রতিবেদনে যা বলা হয়েছে:

 

  • নির্যাতিত মানুষদের জন্য সিরিয়ার কোথাও দীর্ঘমেয়াদি ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তার জায়গা নেই৷
  • ১৮ থেকে ৪২ বছর বয়সি সিরীয়রা ফেরত যাওয়ার পর তাদের সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হতে পারে কিংবা জেল দেয়া হতে পারে৷
  • ২০১৪ সাল থেকে শিশুদের জোর করে সামরিক বাহিনীতে নিয়োগ দেয়ার সংখ্যা প্রতিবছর বাড়ছে৷
  • অনেকে ফেরত যাওয়া সিরীয়দের ভীতু, দেশদ্রোহী কিংবা সন্ত্রাসীদের সমর্থক হিসেবে দেখে থাকে৷
  • সরকারবিরোধীদের পরিবারের সদস্য, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের আটক ও নির্যাতন করার অসংখ্য উদাহরণ আছে৷
  • ২০১১ সালের পর থেকে নির্যাতনের কারণে প্রায় ১৩ হাজার জনের মৃত্যুর নিশ্চিত তথ্য আছে৷
  • সিরিয়ার সামরিক বাহিনীর সদস্য ও তাদের সমর্থিত গোষ্ঠীর সদস্যরা নারীদের ধর্ষণ ও নির্যাতন করে থাকে৷

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে জার্মানির দুটি রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিরীয়দের মধ্যে যারা অপরাধ করেছে এবং যারা সন্ত্রাসী হামলা চালাতে পারে বলে সন্দেহ করা হয়, তাদের ফেরত পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন৷

জাতিসংঘ বলছে, সিরিয়ায় সংঘাত কমে এলেও শরণার্থীদের দেশে ফিরে যেতে বাধ্য করা উচিত হবে না৷

সাত বছর ধরে চলা যুদ্ধে তিন লক্ষ ৬০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে৷ লক্ষ লক্ষ মানুষ গৃহচ্যুত হয়েছেন৷

জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে,সিরিয়ায় এক কোটি ৮০ লক্ষ মানুষ বাস করে৷এর মধ্যে এক কোটি ৩০ লক্ষ মানুষের সহায়তা প্রয়োজন৷ আর ৫৬ লক্ষ মানুষের প্রয়োজন জরুরি সহায়তা৷

জেডএইচ/এসিবি (ডিপিএ, কেএনএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন