সিরিয়ায় হামলা চালাতে পারে ফ্রান্স | বিশ্ব | DW | 14.02.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

সিরিয়ায় হামলা চালাতে পারে ফ্রান্স

সিরীয় সরকার সাধারণ মানুষের উপর বিষাক্ত রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করার প্রমাণ পেলে দেশটিতে আঘাত হানার হুঁশিয়ারি ফরাসি প্রেসিডেন্টের৷ সিরিয়ায় জনগণের উপর ক্লোরিন গ্যাস ব্যবহারের অভিযোগ করছে উদ্ধারকর্মী এবং ত্রাণ সংস্থাগুলো৷

এমানুয়েল মাঁক্রো মঙ্গলবার বলেন, ফ্রান্স এ ধরনের কোনো তথ্য-প্রমাণ পেলে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে৷ তবে তার আগে এর উপযুক্ত প্রমাণ হাতে চান তিনি৷ গত বছরের মে মাসে মাক্রোঁ বলেছিলেন, ‘‘রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার একটি ভয়াবহ ব্যাপার, এটা হলে বলতে হবে, সিরিয়া তার সীমা লঙ্ঘন করেছে৷ তাই আমাদের হাতে যদি এমন কোনো প্রমাণ আসে যে, সিরীয় সরকার বেসামরিক নাগরিকদের উপর রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করেছে, তাহলে আমরা যে স্থানে এগুলো তৈরি হয়, সেখানে হামলা চালাবো৷''

সিরিয়ার সিভিল ডিফেন্স-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট মঙ্গলবার এর প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, ‘‘ফ্রান্সের বার বার হুশিঁয়ার না করে বরং এর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া উচিত, কেননা, সিরিয়া সরকার বহু আগেই তাদের সীমা লঙ্ঘন করেছে৷''

শুক্রবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিনের সঙ্গে ফোনালাপে মাঁক্রো বিষয়টি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন৷ গত সপ্তাহে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘‘এখন পর্যন্ত যেসব তথ্য আমাদের কাছে এসেছে তা এমন ইঙ্গিতই দেয় যে, সিরিয়ায় সাধারণ মানুষের উপর ক্লোরিন গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে৷''

জাতিসংঘের একটি তদন্ত দল এবং রাসায়নিক অস্ত্রনিরোধকরণ সংস্থা যৌথভাবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখেছে৷ তারা প্রমাণ পেয়েছে ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে সিরিয়া সরকার সাধারণ মানুষের উপর ক্লোরিন গ্যাস প্রয়োগ করেছে৷ এছাড়া তারা দাবি করেছে, ২০১৭ সালের ৪ঠা এপ্রিল বিষাক্ত সারিন গ্যাসও ব্যবহার করেছে  সিরিয়া সরকার, যাতে শতাধিক মানুষ নিহতএবং দুই শতাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে৷

২০১৮ সালের ১৩ই জানুয়ারি দৌমা এবং হারাস্তাতে ক্লোরিন গ্যাস প্রয়োগ করার অভিযোগ উঠেছে৷ এর ফলে বেশ কিছু মানুষ শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো৷ এছাড়া ২২ জানুয়ারি এবং ৫ ফেব্রুয়ারি ক্লোরিন গ্যাস প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে৷

এপিবি/এসিবি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন